জামায়াত জোট ত্যাগের গুঞ্জন ও ফেসবুক স্ট্যাটাস
জামায়াতে ইসলামীর সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে স্বতন্ত্র রাজনীতিতে ফিরে যাওয়ার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়ায় জাতীয় নাগরিক পার্টিকে (এনসিপি) আন্তরিক সাধুবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক হ্যান্ডেলে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টে তিনি এই মন্তব্য করেন। রাশেদ খাঁন উল্লেখ করেন, এনসিপির ভেতরের সূত্রগুলো থেকে জানা গেছে যে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা না এলেও দলটি খুব শীঘ্রই জামায়াত জোট থেকে একধরনের 'শান্তিপূর্ণ বিচ্ছেদ' বা পিসফুল ডিভোর্সের পথে হাঁটতে চলেছে। সেদিন অনুষ্ঠিত এনসিপির গণবিক্ষোভ কর্মসূচি এবং আসিফ মাহমুদের বক্তব্য পর্যালোচনা করলে এই ইঙ্গিত আরও স্পষ্ট হয়, কারণ ওই বিক্ষোভে ৩১ অক্টোবরের লংমার্চের পক্ষে জোরালো কোনো বক্তব্য বা প্রচার চোখে পড়েনি।

স্বাধীন রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ ও অভ্যন্তরীণ চ্যালেঞ্জ
দীর্ঘদিন পর জামায়াতের ছায়া থেকে বেরিয়ে আয়োজিত এই স্বতন্ত্র গণবিক্ষোভে কয়েক হাজার মানুষের উপস্থিতি এনসিপির জন্য একটি আশাজাগানিয়া ও ইতিবাচক দিক বলে উল্লেখ করেন রাশেদ খাঁন। তাঁর মতে, জামায়াতের সাথে জোটবদ্ধ হওয়ার পর দলটির কর্মসূচিতে জনসমাগম আশঙ্কাজনকভাবে কমে গিয়েছিল, কিন্তু বর্তমান ধারায় রাজনীতি অব্যাহত রাখতে পারলে আগামী এক বছরের মধ্যে এনসিপি রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি বড় শক্তিতে পরিণত হতে পারে এবং দেশের রাজনৈতিক শূন্যতা পূরণ করতে সক্ষম হবে। তবে স্বতন্ত্র রাজনীতির এই পথের প্রধান অন্তরায় হিসেবে তিনি দলটির ৮ জন সংসদ সদস্যের ভূমিকার কথা উল্লেখ করেন, যারা মূলত জামায়াতের ভোটব্যাংকের ওপর নির্ভর করে পুনরায় এমপি হওয়ার স্বার্থে জোটের রাজনীতি টিকিয়ে রাখতে মরিয়া। পরিশেষে, জামায়াতের পকেট সংগঠনের তকমা ঝেড়ে ফেলে এনসিপির এই স্বতন্ত্র ও স্বাধীন রাজনৈতিক অভিযাত্রার প্রতি তিনি শুভকামনা ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন।

বিজ্ঞাপন · inarticle_1