
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল ইসরায়েল, তবে তা আটকে দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প—এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিবিএস নিউজ। প্রতিবেদনে বলা হয়, তিনজন মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে জানা গেছে, ট্রাম্প ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে স্পষ্টভাবে বলেন, “খামেনিকে হত্যা কোনোভাবেই ভালো ধারণা নয়।”
ঘটনার বিষয়ে এখন পর্যন্ত প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি ট্রাম্প, তবে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান স্পষ্ট করার চেষ্টা করছেন কূটনৈতিক মহল।
তিনি আরও বলেন, “আমরা যা প্রয়োজন, তাই করছি এবং করব। আমি বিশ্বাস করি, যুক্তরাষ্ট্রও জানে তাদের জন্য কী ভালো। তবে এ নিয়ে আমি কিছু বলতে চাই না।”
এই অবস্থার মধ্যেই রবিবার অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যবর্তী পর্যায়ের পারমাণবিক আলোচনা। তবে তা বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও মধ্যস্থতাকারী বদর আল বুসাইদি।
এক কূটনীতিক সূত্র রয়টার্সকে জানায়, চলমান হামলার মধ্যে যুদ্ধবিরতি নিয়ে আলোচনায় রাজি নয় ইরান। কাতার ও ওমানকে তারা এ অবস্থান জানিয়ে দিয়েছে।
তবে কানাডায় জি-৭ সম্মেলনে অংশ নিতে রওনা দেওয়ার আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি স্পষ্ট করে বলেননি, ইসরায়েলকে ইরানে হামলা বন্ধ করতে বলেছেন কি না।
শনিবার ট্রাম্প জানান, “ইরানে হামলার সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পৃক্ততা নেই।” তবে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি কোনোভাবে ইরান আমাদের ওপর হামলা চালায়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ শক্তি এমনভাবে তাদের ওপর নেমে আসবে, যা আগে কেউ দেখেনি।”
এই মন্তব্য ও তথ্য প্রকাশের পর মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করেছে, যেখানে উত্তেজনা ও কূটনৈতিক চাপে সামান্য ভুল পদক্ষেপও বড় ধরনের সংঘাত ডেকে আনতে পারে।