
“আমরা যুক্তরাষ্ট্রকে সতর্ক করছি—ইসরায়েলকে কোনো ধরনের সামরিক সহায়তা দেওয়া কিংবা সেই চিন্তা করাও মধ্যপ্রাচ্যে স্থিতিশীলতা ধ্বংস করবে।”
আল আরাবিয়া ও দ্য গার্ডিয়ান–এর প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশিয়ার উপ–পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই রিয়াবকভ বলেন,“মস্কো ইসরায়েল ও ইরান—উভয়ের সঙ্গেই সংলাপে রয়েছে। আমরা সরাসরি যুক্তরাষ্ট্রকে জানাচ্ছি, এই সংঘাতে ইসরায়েলকে সহায়তা করা বিপজ্জনক এবং উত্তেজনাকে আরও ঘনীভূত করবে।”
রুশ বার্তা সংস্থা ইন্টারফ্যাক্স জানিয়েছে, রিয়াবকভের মতে, যুক্তরাষ্ট্র যদি সামরিকভাবে ইসরায়েলকে সহায়তা দেয়, তাহলে তা পুরো অঞ্চলে বিস্তৃত সংঘাতের জন্ম দিতে পারে।
তিনি দাবি করেন,“খামেনি কোথায় লুকিয়ে আছেন তা আমরা জানি। তিনি একটি সহজ লক্ষ্যবস্তু, কিন্তু এখনই আমরা তাকে হত্যা করছি না।”
ট্রাম্প আরও লেখেন,“আমরা চাই না যে আমেরিকান সৈন্য কিংবা বেসামরিক মানুষ ক্ষেপণাস্ত্র হামলার শিকার হোক। তবে আমাদের ধৈর্য ফুরিয়ে আসছে।”
তবে ট্রাম্প তার পোস্টে দাবি করেন,“আমরা এখন ইরানের আকাশে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করেছি।”
কিন্তু ‘আমরা’ বলতে তিনি কাদের বোঝাচ্ছেন, তা পরিষ্কার নয়, কারণ এখন পর্যন্ত মার্কিন সরকার ইরানে সরাসরি সামরিক জড়িত থাকার কথা ঘোষণা করেনি।