
যুদ্ধবিরতির পর ইরান তাদের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে নতুন ঘোষণা দিয়েছে। দেশটির পারমাণবিক শক্তি সংস্থার প্রধান মোহাম্মদ ইসলামি জানিয়েছেন, সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরায়েলি হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলো দ্রুত পুনর্গঠনে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার ইরানের মেহের নিউজকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, ইসলামি বলেন, “ইরানের প্রধান পরমাণু স্থাপনাগুলোতে সাম্প্রতিক হামলার ক্ষয়ক্ষতি মূল্যায়ন করা হচ্ছে এবং পুনরুদ্ধার নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।”
তিনি জানান, জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষায় কোনও প্রকার বিঘ্ন ছাড়াই উৎপাদন ও সেবা কার্যক্রম সচল রাখতে ইতোমধ্যে পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।
সিএনএন জানিয়েছে, এই অভিযানের কোডনেম ছিল “অপারেশন মিডনাইট হ্যামার”, যাতে অংশ নেয় ১২৫টিরও বেশি মার্কিন যুদ্ধবিমান ও সমর্থনকারী উড়োজাহাজ। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছিল ৭টি বি-২ স্টিলথ বোমারু বিমান, প্রতিটি বিমানই দুটি করে ৩০,০০০ পাউন্ড ওজনের বাংকার বিধ্বংসী বোমা বহনে সক্ষম।
অভিযানে নজরদারি উড়োজাহাজ, জ্বালানি ট্যাংকার ও বিভিন্ন শ্রেণির যুদ্ধবিমানও ব্যবহৃত হয়। এই হামলার উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পরমাণু সক্ষমতায় আঘাত হানা, যদিও যুক্তরাষ্ট্র দাবি করেছে, এটি ‘শাসন পরিবর্তন’ নয় বরং পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচি নিয়ন্ত্রণে আনার প্রয়াস।