
রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে ৬০ জনকে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। গত শনিবার ও রোববার শাহ আলী, ভাষানটেক, মিরপুর মডেল, কাফরুল, রূপনগর, দারুসসালাম, পল্লবী ও উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় দিনব্যাপী এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
সোমবার ডিএমপির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পুলিশ জানায়, আটক ব্যক্তিদের মধ্যে মাদক ব্যবসায়ী, গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামি, ছিনতাইকারী ও মাদকসেবনের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিরা রয়েছেন।
শাহ আলী থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১৭ জনকে আটক করা হয়। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন রুবেল মোল্লা (৩৫), আবুল শেখ (৪০), আলামিন (২৭), আমান (২৫), এরশাদ (২৫), রাব্বি (২০), বুলবুল আহমেদ (২৫), সোহরাব হোসেন (৩৪), আকাশ (২১), তুহিন (২১), রেজাউল গাজী (২৪), আবুল কালাম (২৮), রবিন (২৬), আবুল কালাম (৪০), লিটন (৩০), মোজাম্মেল মৃধা (৫০) ও বাদশা (১৯)।
ভাষানটেক থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে কাজু মিয়া (৩৮), আব্দুল্লাহ সমন (১৯) ও আহাদ (২৪) নামে তিনজনকে আটক করা হয়।
মিরপুর মডেল থানা এলাকায় বাবুল (৩০), রাসেল (৩৪), মামুন গাজী (২২), রুহুল আমিন (৩৫), রাসেল মিয়া (৩০) ও মোহাম্মদ হোসেন (৩৫) নামের ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
কাফরুল থানা এলাকায় আরিফ (২০), মেহেদি (২২), আসাদুল্লাহ সুমন (২৩) ও রাসেদ গাজী (২৮) নামে চারজনকে আটক করা হয়।
রূপনগর থানা এলাকায় রাসেল (২৭), আলাউদ্দিন (২৮), শিপন (৪৫), আকরাম (২০), আনন্দ (২০) ও মনির (১৯) নামে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
দারুসসালাম থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে জালাল হোসেন (৪২), জুয়েল মিয়া (২৮), আনোয়ার হোসেন সেলিম (৩৫), হাসান (১৮), সাব্বির রহমান (১৯) ও বাবুল মিয়া (৪৭) নামের ছয়জনকে আটক করা হয়।
পল্লবী থানা এলাকায় সাব্বির (২৬), সজিব মিয়া (২৪), বছির (৩৭), ফয়সাল (২৯), মামুন সরদার (৩৭), আবদিল (১৯), সুমন (১৯), বাদল (২৩) ও ওমর ফারুক (২৮) নামের নয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
উত্তরা পূর্ব থানা এলাকায় রোববার পরিচালিত অভিযানে নোমান (৩৮), লিটন (৩১), সোহেল রানা (৪৫), হৃদয় (৩৮), সজীব হোসেন বাবু (২৩), সাইফুল ইসলাম (২৫), রফিকুল ইসলাম (৩৪), সাইফুল ইসলাম সোহাগ (২৮) ও সাব্বির হোসেন (১৮) নামের নয়জনকে আটক করা হয়।
ডিএমপি জানিয়েছে, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য আদালতে পাঠানো হয়েছে। নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।