
২০২৫–২৬ অর্থবছরের সংশোধিত
পরিচালন বাজেটে কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা
বিভাগের আওতাধীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য
বিশেষ মঞ্জুরি বরাদ্দ করেছে সরকার। স্বচ্ছ ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়ায়
এ অর্থ বিতরণে নীতিমালা
জারি করা হয়েছে। ১৫
মার্চ ২০২৬ থেকে আবেদন
শুরু হয়ে চলবে ২০
এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত।
নীতিমালা
পাওয়া যাবে কারিগরি ও
মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ–এর ওয়েবসাইটে www.shed.gov.bd) এবং
–এ www.tmed.gov.bdকারা আবেদন
করতে পারবেন
১. শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান
দেশের সব সরকারি/বেসরকারি স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সংযুক্ত/স্বতন্ত্র (অনুদানপ্রাপ্ত/অনুদানবিহীন)
ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এবং স্বীকৃতিপ্রাপ্ত/এমপিওভুক্ত সরকারি-বেসরকারি কারিগরি ও মাদ্রাসা
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আবেদন করতে পারবে।
মঞ্জুরি ব্যবহার করা যাবে—
প্রতিষ্ঠান
বাছাইয়ে অনগ্রসর এলাকার ভালো ফলাফলধারী কিন্তু অসচ্ছল প্রতিষ্ঠানকে অগ্রাধিকার দেওয়া
হবে।
২. শিক্ষক-কর্মচারী
জটিল ও ব্যয়বহুল রোগ কিংবা দৈব দুর্ঘটনার কারণে আর্থিক সংকটে পড়লে আবেদন করা যাবে।
৩. শিক্ষার্থী
জটিল ও ব্যয়বহুল রোগ, দুর্ঘটনা ও শিক্ষাব্যয় নির্বাহের জন্য আবেদন করা যাবে। প্রতিবন্ধী,
দরিদ্র, মেধাবী ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর শিক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
আবেদন প্রক্রিয়া
আবেদন করতে
হবে অনলাইনে। ১৫ মার্চ থেকে ২০ এপ্রিল ২০২৬ পর্যন্ত নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন জমা
দিতে হবে। সময়সীমা পেরিয়ে গেলে কোনো আবেদন গ্রহণ করা হবে না।
প্রাপ্ত আবেদন
জেলা পর্যায়ের কমিটি যাচাই-বাছাই করে ১৫ মে ২০২৬–এর মধ্যে সচিব, কারিগরি ও মাদ্রাসা
শিক্ষা বিভাগ বরাবর পাঠাবে।
মাইগভে নিবন্ধন
বাধ্যতামূলক
আবেদনের জন্য
প্রতিষ্ঠানপ্রধানকে মাইগভ (MyGov) প্ল্যাটফর্মে নিবন্ধন করতে হবে। নিবন্ধনের
সময় যে মোবাইল নম্বর ব্যবহার করা হবে, তা ২০২৫ সালের বার্ষিক শিক্ষা জরিপ অনুযায়ী ব্যানবেইসে
থাকা নম্বর হতে হবে।
অর্থ বিতরণের
পদ্ধতি
প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র
গুরুত্বপূর্ণ
শর্ত
উপসংহার
কারিগরি ও মাদ্রাসা
খাতে আর্থিক সহায়তার এ উদ্যোগ সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, শিক্ষক-কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের
জন্য গুরুত্বপূর্ণ সহায়তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে সঠিক
তথ্য ও কাগজপত্র সংযুক্ত করে আবেদন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
বিস্তারিত তথ্য
ও নীতিমালা সংশ্লিষ্ট বিভাগের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।