
জাতীয় ছাত্রশক্তি কেন্দ্রীয় সভাপতি জাহিদ আহসান মঙ্গলবার রাতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য–এর সামনে বিক্ষোভ সমাবেশে মন্তব্য করেছেন,
“আওয়ামী লীগ ইতিমধ্যেই বাংলাদেশের রাজনীতি থেকে মাইনাস হয়ে গেছে।”
সমাবেশে ছাত্রশক্তি নেতা আরও বলেন, আওয়ামী লীগ চেষ্টা করেছে জাতীয় পার্টির মাধ্যমে নির্বাচনে অংশ নিতে, কিন্তু জাতীয় পার্টি কোনো আসনে দ্বিতীয় স্থানও অর্জন করতে পারেনি। ফলে, আওয়ামী লীগ দেশের রাজনীতি থেকে কার্যত প্রাসঙ্গিকতা হারিয়েছে।
সমাবেশের আগে ছাত্রশক্তির নেতারা একটি বিক্ষোভ মিছিল পরিচালনা করেন। মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা দাবী জানান—
শেখ হাসিনা এবং তাঁর মন্ত্রিসভার সদস্যদের দেশে ফিরিয়ে এনে বিচার করা
জুলাই গণহত্যার আসামি ও শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদির খুনিদের ভারত থেকে ফিরিয়ে এনে আদালতের মুখোমুখি করা
জাহিদ আহসান বলেন,
“বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আমরা দাবি জানাই, আপনারা অবিলম্বে কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু করুন এবং ভারত থেকে গ্রেপ্তার আসামিদের বাংলাদেশে ফিরিয়ে আদালতের মুখোমুখি করুন।”
জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক আবু বাকের মজুমদার সমাবেশে বলেন, নির্বাচনের পর বিএনপি বিভিন্ন জায়গায় আওয়ামী লীগকে পুনর্বাসন করছে। তিনি উল্লেখ করেন, বিএনপির একজন সংসদ সদস্য দেখা গেছে, যিনি আওয়ামী লীগের নেতাদের স্থানান্তর করছেন। তিনি এই ঘটনাগুলোকে “তীব্র নিন্দার যোগ্য” হিসেবে আখ্যায়িত করেন।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন—
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী
সাধারণ সম্পাদক আল আমিন সরকার
কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় অন্যান্য ছাত্রশক্তি নেতারা
বক্তারা একযোগে দাবি করেন, দেশ থেকে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিপক্ষের জন্য যথাযথ বিচার ও প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে।
জাতীয় ছাত্রশক্তির এই বিক্ষোভ মূলত নির্বাচন পরবর্তী রাজনৈতিক শক্তির ভারসাম্য ও সরকারের কার্যকারিতার ওপর কেন্দ্রিত। সমাবেশে নেতারা কঠোর বার্তা দিয়েছেন—আওয়ামী লীগের অবদান ও প্রাসঙ্গিকতা ন্যূনতম এবং দেশের রাজনীতিতে তাদের পুনর্বাসন হলে তা ছাত্রশক্তি কঠোরভাবে নিন্দা করবে।