
দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিতে আস্থাশীল ও নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত করতে এবং দুর্নীতি, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও সামাজিক অবক্ষয় রোধে একটি যৌথ অভিযান পরিচালনার প্রস্তাব জানিয়েছে আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টি।
আজ বুধবার দুপুরে দলটির নেতারা প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান-এর সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এই প্রস্তাব উপস্থাপন করেন।
এবি পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান (মঞ্জু) নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল প্রধানমন্ত্রীর সংসদ ভবন কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন। সাক্ষাতে প্রধানমন্ত্রী ধৈর্যসহকারে নেতাদের বক্তব্য শোনেন এবং সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় নেতারা দেশের রাজনৈতিক উত্তাল সময়—জুলাই থেকে আগস্ট পর্যন্ত—স্মৃতিচারণা করেন।
সাক্ষাতে মজিবুর রহমান প্রধানমন্ত্রীর হাতে দল ও নির্বাচনী এলাকার পক্ষ থেকে দুটি পৃথক চিঠি হস্তান্তর করেন। প্রধানমন্ত্রী এবি পার্টিকে ধন্যবাদ জানিয়ে দেশ ও জনগণের জন্য ইতিবাচক রাজনীতির গুরুত্বের ওপর জোর দেন।
এবি পার্টি জাতীয় পর্যায়ে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুপারিশ তুলে ধরেছে:
জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও সাংবিধানিক সংস্কার – শুরুতেই যে বিতর্ক ও জটিলতা তৈরি হয়েছে, তা এড়িয়ে আইনি ও সাংবিধানিক সমঝোতামূলক পদক্ষেপ নেওয়া।
অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা – যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে দেশের সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের নিয়ে সর্বজনীন পরামর্শ সভা আয়োজন।
মহান মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন – সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক সুবিচারের ভিত্তিতে দেশ গড়ে তোলা।
জুলাই গণ–অভ্যুত্থানকালীন গণহত্যার বিচার – ১৭ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনামলের জুলুম-নির্যাতন এবং গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে বিএনপির নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়ন।
সাক্ষাতে উপস্থিত ছিলেন:
সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) আব্দুল ওহাব মিনার
সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার আসাদুজ্জামান ফুয়াদ
দপ্তর সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুল্লাহ আল মামুন রানা
এবি পার্টি জানিয়েছে, দেশের আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যৌথ অভিযান দ্রুত ও কার্যকরভাবে পরিচালিত হওয়া উচিত।