
ঈদকে সামনে রেখে কয়েক দিনের চাপের পর ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে যানবাহনের চাপ এখন অনেকটাই কমে এসেছে। বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সড়কটি তুলনামূলক ফাঁকা থাকায় ঘরমুখী মানুষ নির্বিঘ্নে যাতায়াত করতে পারছেন।
সকালে যানবাহনের চাপ বেশি থাকায় পরিস্থিতি সামাল দিতে সেতুর উভয় লেন কিছু সময়ের জন্য শুধু উত্তরবঙ্গগামী যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হয়। এতে দ্রুত যানজট কমে আসে এবং সড়কে স্বাভাবিক গতি ফিরে আসে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, আগের দিন ২৪ ঘণ্টায় ৫১ হাজারের বেশি যানবাহন সেতু পারাপার করেছে, যা স্বাভাবিক সময়ের তুলনায় অনেক বেশি। এতে কয়েক কোটি টাকার টোল আদায় হয়। তবে ওই সময় যানবাহনের সংখ্যা বেশি হলেও সম্পূর্ণ থেমে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়নি; ধীরগতিতে চলাচল অব্যাহত ছিল।
যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঢাকামুখী যান চলাচল বন্ধ রেখে উভয় লেন দিয়ে উত্তরবঙ্গগামী গাড়ি পারাপারের ব্যবস্থা করা হয়। পরে বিকেলের দিকে পরিস্থিতি বিবেচনায় আবার একই ব্যবস্থা চালু করা হয়।
মহাসড়কের বিভিন্ন অংশে সরেজমিনে দেখা গেছে, বিকেলের পর থেকে গাড়ির চাপ কমে গিয়ে স্বাভাবিক গতিতে চলাচল শুরু হয়েছে। অনেক চালকই জানিয়েছেন, আগে যেখানে দীর্ঘ সময় লেগেছে, এখন তুলনামূলক কম সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানো যাচ্ছে।
হাইওয়ে পুলিশের কর্মকর্তারাও জানিয়েছেন, বর্তমানে সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোথাও বড় ধরনের যানজট নেই।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন রাখতে দুই প্রান্তে একাধিক বুথ চালু রেখে টোল আদায় করা হচ্ছে, যাতে যানবাহনের গতি বিঘ্নিত না হয়।