প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 27, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Apr 5, 2026 ইং
অস্ট্রেলিয়া শিক্ষার্থী ভিসা সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জানাল

অস্ট্রেলিয়ায় শিক্ষার্থী ও ভিজিটর ভিসার আবেদন নিষ্পত্তির গতি বেড়েছে। তবে স্থায়ী ভিসা ক্যাটাগরিতে এখনো দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে আবেদনকারীদের। ২৩ মার্চ ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সর্বশেষ হালনাগাদ তথ্যে এ চিত্র উঠে এসেছে।
অস্থায়ী ভিসায় দ্রুত সেবা
স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, শিক্ষার্থী ভিসা বর্তমানে গড়ে ৩৩ দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি করা হচ্ছে। ভিজিটর ভিসার ক্ষেত্রে অধিকাংশ আবেদন এক দিনেরও কম সময়ে প্রক্রিয়াকরণ সম্পন্ন হচ্ছে বলে জানানো হয়েছে।
তবে কর্তৃপক্ষ স্পষ্ট করেছে, ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়সীমা নির্ভর করে একাধিক বিষয়ের ওপর। আবেদনপত্র কতটা পূর্ণাঙ্গভাবে জমা দেওয়া হয়েছে, অতিরিক্ত তথ্যের অনুরোধের জবাব কত দ্রুত দেওয়া হচ্ছে, এবং স্বাস্থ্য, চরিত্র ও জাতীয় নিরাপত্তা–সংক্রান্ত যাচাই কত সময় নিচ্ছে—এসব বিষয় প্রক্রিয়াকরণে প্রভাব ফেলে।
অস্থায়ী দক্ষ কর্মী (টেম্পোরারি স্কিলড) ভিসার ক্ষেত্রে গড়ে ৮৭ দিন সময় লাগছে। অসম্পূর্ণ বা ভুল তথ্যসংবলিত আবেদন জমা দিলে বিলম্ব হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে বলে সতর্ক করেছে কর্তৃপক্ষ।
আগেভাগে আবেদন করার পরামর্শ
অস্ট্রেলিয়ার বাইরে থেকে জমা দেওয়া শিক্ষার্থী ভিসার আবেদন বিভিন্ন নীতিমালার আওতায় মূল্যায়ন করা হয়। তাই কোর্স শুরুর যথেষ্ট আগেই এবং প্রয়োজনীয় সব কাগজপত্র সম্পূর্ণ করে আবেদন করার পরামর্শ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দপ্তর।
বিশেষ করে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তি নিশ্চিতকরণপত্র (CoE), আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ, স্বাস্থ্য বীমা ও অন্যান্য প্রাসঙ্গিক নথি যথাযথভাবে সংযুক্ত না থাকলে আবেদন প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হতে পারে।
স্থায়ী ভিসায় দীর্ঘ অপেক্ষা
অন্যদিকে স্থায়ী ভিসা ক্যাটাগরিতে অপেক্ষার সময় তুলনামূলক বেশি। দক্ষ কর্মী স্থায়ী ভিসা পেতে গড়ে প্রায় ৯ মাস সময় লাগছে। পার্টনার ভিসার ক্ষেত্রে এ সময় আরও দীর্ঘ—গড়ে প্রায় ১৭ মাস।
সরকারি অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এসব আবেদন প্রক্রিয়াকরণ করা হয়। বিশেষ করে আঞ্চলিক (রিজিওনাল) এলাকায় নিয়োগদাতার মাধ্যমে আবেদনকারী এবং স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা খাতে কর্মরতদের ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।
নিয়মিত হালনাগাদ তথ্য
স্বরাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, ভিসা প্রক্রিয়াকরণের সময়সীমা নিয়মিত হালনাগাদ করা হয় এবং আবেদনকারীর ভৌগোলিক অবস্থানসহ বিভিন্ন কারণে সময়ের তারতম্য হতে পারে। পূর্ণাঙ্গ ও নির্ভুল আবেদন জমা দিলে বিলম্বের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো সম্ভব।
অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষা বা কর্মসংস্থানের পরিকল্পনা করছেন এমন আবেদনকারীদের জন্য সর্বশেষ প্রক্রিয়াকরণ সময় সম্পর্কে অবগত থাকা এবং নির্ধারিত সময়ের আগেই আবেদন সম্পন্ন করা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন অভিবাসন–সংশ্লিষ্টরা।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বার্তা এক্সপ্রেস