প্রিন্ট এর তারিখঃ Apr 24, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Apr 23, 2026 ইং
এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের এপ্রিলের বেতন: ২৪ এপ্রিলের মধ্যে বিল দাখিলের নির্দেশ

মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) প্রফেসর ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল স্বাক্ষরিত এক আদেশে জানানো হয়েছে, শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতার অর্থ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি তাদের অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য আগামী ২৪ এপ্রিলের মধ্যে অনলাইনে বিল সাবমিট করতে হবে।
বিল দাখিলের নিয়মাবলী ও কারিগরি নির্দেশনা
প্রতিষ্ঠান প্রধানদের জন্য মাউশি বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট গাইডলাইন প্রদান করেছে:
ইএমআইএস (EMIS) সিস্টেম: প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধানকে তাদের নিজস্ব আইডি ও পাসওয়ার্ড ব্যবহার করে ইএমআইএস সিস্টেমের ‘এমপিও-ইএফটি’ (MPO-EFT) মডিউলে প্রবেশ করে বিল দাখিল করতে হবে।
সঠিক তথ্য নিশ্চিতকরণ: শিক্ষক-কর্মচারীরা বিধি মোতাবেক ঠিক কত টাকা বেতন ও ভাতা পাওয়ার যোগ্য, তা নির্ভুলভাবে নির্ধারণ করে বিল সাবমিট করতে বলা হয়েছে।
যাচাইকৃত তথ্য: শুধুমাত্র ‘iBAS++’ পদ্ধতিতে যাচাইকৃত এবং সঠিক তথ্য সম্বলিত জনবলের তালিকা বিল সাবমিট অপশনে দৃশ্যমান হবে। যাদের তথ্যে এখনও ভুল রয়েছে, তাদের তথ্য পরবর্তীতে সংশোধনের পর যুক্ত করা হবে।
বিশেষ ক্ষেত্রসমূহে করণীয়
বেতন নির্ধারণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিশেষ সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে:
বেতন কর্তন: কোনো শিক্ষক বা কর্মচারী যদি সাময়িকভাবে বরখাস্ত থাকেন, বিনা অনুমতিতে অনুপস্থিত থাকেন কিংবা পদত্যাগ করেন, তবে বিল সাবমিট অপশনে অবশ্যই তা উল্লেখ করতে হবে।
মৃত ব্যক্তি: চাকরি থাকাকালীন কেউ মৃত্যুবরণ করলে তার তথ্যও যথাযথভাবে হালনাগাদ করতে হবে।
আংশিক পেমেন্ট: যারা নিয়মিত বেতনের আওতায় নেই কিন্তু বকেয়া পাওনা অনুমোদিত হয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে ‘আংশিক পেমেন্ট’ (Partial Payment) অপশনটি ব্যবহার করতে হবে।
দায়বদ্ধতা ও সতর্কতা
মাউশি স্পষ্ট করে জানিয়েছে যে, ইএফটি পদ্ধতিতে অর্থ প্রেরণের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠান প্রধানের পাঠানো তথ্যই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে। যদি ভুল তথ্যের কারণে কোনো শিক্ষক অতিরিক্ত অর্থ গ্রহণ করেন বা কোনো আইনি জটিলতা তৈরি হয়, তবে তার পূর্ণ দায়ভার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে বহন করতে হবে।
পরবর্তী পদক্ষেপ
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল দাখিল সম্পন্ন হলে মে মাসের শুরুর দিকেই শিক্ষক-কর্মচারীরা তাদের নিজ নিজ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে এপ্রিল মাসের বেতনের অর্থ পেয়ে যাবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই প্রক্রিয়াটি শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা আনতে এবং শিক্ষকদের ভোগান্তি কমাতে বড় ভূমিকা রাখবে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বার্তা এক্সপ্রেস