প্রিন্ট এর তারিখঃ Aug 19, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jun 8, 2026 ইং
ইসরায়েল ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে—আইআরজিসির অভিযোগ

ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের বিভিন্ন লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল—এমন অভিযোগ করেছে ইরানের ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক বক্তব্য ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ইরানিয়ান নিউজ এজেন্সি (IRNA) প্রকাশ করেছে।
আইআরজিসির দাবি অনুযায়ী, আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের ভূখণ্ডে একাধিক স্থানে হামলা চালানো হয়েছে। তবে এই হামলার নির্দিষ্ট সময়, লক্ষ্যবস্তু বা ক্ষয়ক্ষতির বিস্তারিত তথ্য তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।
আইআরজিসির অভিযোগ ও অবস্থান
ইসলামিক বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) জানিয়েছে, ইসরায়েল ইরানের ভেতরে বিভিন্ন কৌশলগত স্থাপনায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। সংস্থাটি এই হামলাকে “ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে পরিচালিত আগ্রাসন” হিসেবে উল্লেখ করেছে।
আইআরজিসির বিবৃতিতে বলা হয়, আকাশ থেকে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করে ইরানের একাধিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানা হয়েছে। তবে ইরানি কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।
আঞ্চলিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপট
মধ্যপ্রাচ্যে দীর্ঘদিন ধরেই ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে রাজনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা বিরাজ করছে। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে ছায়া-সংঘাত এবং পরোক্ষ সামরিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, এ ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ দুই দেশের মধ্যকার উত্তেজনাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা পরিস্থিতিতে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করতে পারে।
আন্তর্জাতিক প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষা
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ইসরায়েলের পক্ষ থেকে আইআরজিসির এই অভিযোগের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক কোনো শক্তি বা সংস্থাও তাৎক্ষণিকভাবে এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি।
তথ্যসূত্র হিসেবে আল জাজিরা জানিয়েছে, ইরানি রাষ্ট্রীয় মাধ্যমে এই দাবি প্রকাশ করা হয়েছে, তবে স্বাধীনভাবে এসব তথ্য যাচাই করা সম্ভব হয়নি।
ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে নতুন করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার অভিযোগ ঘিরে মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। যদিও এখনো উভয় পক্ষের আনুষ্ঠানিক ও বিস্তারিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি, তবে পরিস্থিতি দ্রুত পরিবর্তনশীল বলে আন্তর্জাতিক মহল সতর্ক নজর রাখছে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বার্তা এক্সপ্রেস