
রাজধানী ও আশপাশের এলাকার গণপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর করতে বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সভায় প্রকল্পটির বিভিন্ন দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত বৈঠকে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর পর্যন্ত বিস্তৃত বিআরটি করিডরের অগ্রগতি, বাস্তবায়নের চ্যালেঞ্জ এবং সম্ভাব্য সুবিধা নিয়ে মতবিনিময় হয়।
সভায় উপস্থিত বিশেষজ্ঞরা প্রকল্পের নকশা, স্টেশন পরিচালনা, যাত্রীসেবা উন্নয়ন এবং পরিবহন ব্যবস্থাপনার কার্যকারিতা নিয়ে নিজেদের মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরেন। নগর পরিবহন ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক ও সময়োপযোগী করতে বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করা হয়।
এ সময় সড়ক পরিবহন, রেলপথ ও নৌপরিবহন খাতের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী ছাড়াও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) বিশেষজ্ঞ শিক্ষকরা উপস্থিত ছিলেন। সড়ক ও জনপথ বিভাগের প্রতিনিধিরাও বৈঠকে অংশ নেন।
অন্যদিকে, একই দিনে গুমের শিকার ব্যক্তিদের স্বজনদের সংগঠন ‘মায়ের ডাক’-এর সদস্যদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী। জাতীয় সংসদ ভবনে আয়োজিত এই সাক্ষাতে সংগঠনটির সদস্যরা তাঁদের অভিজ্ঞতা ও প্রত্যাশার কথা তুলে ধরেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে নতুন অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অধিবেশন সরাসরি উপভোগ করেন ‘মায়ের ডাক’-এর ২৬ জন সদস্য। সংসদ ভবনের নির্ধারিত গ্যালারি থেকে তাঁরা বাজেট অধিবেশনের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করেন।
সরকারি কার্যক্রমে নাগরিক অংশগ্রহণ ও যোগাযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ হিসেবে এ ধরনের আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ বলে সংশ্লিষ্ট মহল মনে করছে।