প্রিন্ট এর তারিখঃ Jul 6, 2026 ইং || প্রকাশের তারিখঃ Jul 6, 2026 ইং
এআই অলিম্পিয়াডের স্বর্ণজয়ীদের উচ্চশিক্ষায় স্কলারশিপ দেবে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি

এশিয়া-প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডে (এপিওএআই) স্বর্ণপদক অর্জনকারী বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য ১০০ শতাংশ স্কলারশিপ ঘোষণা করেছে ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাস। শনিবার আয়োজিত এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এ ঘোষণা দেয়।
বিশ্ববিদ্যালয়ের হলরুমে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে এপিওএআই-এ অংশ নেওয়া বাংলাদেশের আট সদস্যের দলকে সম্মাননা জানানো হয়। এ সময় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে সম্মাননা সনদ ও বিশেষ উপহার তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে তাঁদের অভিভাবকেরাও উপস্থিত ছিলেন।
তিন শিক্ষার্থীর স্বর্ণজয়
এশিয়া-প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডে (এপিওএআই) বাংলাদেশের প্রতিনিধিদলের তিন সদস্য লাবিব শাহরিয়ার, সাইদুজ্জামান আরাফ ও ত্রিদিব রায় স্বর্ণপদক অর্জন করেন।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তাঁদের বিশেষভাবে সম্মাননা জানানো হয়। একই সঙ্গে তিন শিক্ষার্থী অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণ, প্রস্তুতি এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে সাফল্য অর্জনের অভিজ্ঞতা উপস্থিত শিক্ষার্থী ও অতিথিদের সঙ্গে ভাগ করে নেন।
উচ্চশিক্ষায় ১০০ শতাংশ স্কলারশিপ
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসের প্রভোস্ট সুমন সুবহান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব সোশ্যাল সায়েন্স অ্যান্ড লিবারেল আর্টসের ডিন জোহা রহমান।
বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে প্রভোস্ট সুমন সুবহান বলেন, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের এ ধরনের অর্জন দেশের জন্য গর্বের।
তিনি ঘোষণা দেন, ভবিষ্যতে এই স্বর্ণপদকজয়ী শিক্ষার্থীরা যদি ইউসিএসআই ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ ব্রাঞ্চ ক্যাম্পাসে উচ্চশিক্ষার জন্য ভর্তি হতে চান, তাহলে তাঁদের ১০০ শতাংশ স্কলারশিপ দেওয়া হবে।
এ ছাড়া তাঁদের শিক্ষাজীবনের অগ্রযাত্রায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাসও দেন তিনি।
১৮ দেশের প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের সাফল্য
এশিয়া-প্যাসিফিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা অলিম্পিয়াডে সিঙ্গাপুর, জাপান, চীন, মালয়েশিয়াসহ এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের ১৮টি দেশের শিক্ষার্থীরা অংশ নেয়।
আন্তর্জাতিক এই প্রতিযোগিতায় বাংলাদেশের আট সদস্যের দল অংশগ্রহণ করে এবং তিনটি স্বর্ণপদক অর্জনের মাধ্যমে দেশের জন্য উল্লেখযোগ্য সাফল্য বয়ে আনে।
বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের মতে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মতো উদীয়মান প্রযুক্তিখাতে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই অর্জন ভবিষ্যতে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে দেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি এ ধরনের সাফল্য দেশের তরুণদের বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বিষয়ে আগ্রহ বাড়াতেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
© সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ বার্তা এক্সপ্রেস