
সরকার প্রশাসনের ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করে। অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের অধিকাংশই সাবেক সরকারের আমলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক পদে দায়িত্ব পালন করেছেন। তাঁদের অনেকেই ২০১৮ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় রিটার্নিং কর্মকর্তা হিসেবেও দায়িত্বে ছিলেন।
প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হয়েছে। সরকারি চাকরি আইন অনুযায়ী জনস্বার্থ বিবেচনায় সরকার তাঁদের বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নিয়ম অনুসারে তাঁরা অবসর-পরবর্তী সব প্রাপ্য সুবিধা পাবেন।
অবসরে পাঠানো কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন মাজেদুর রহমান খান, আবুল ফজল মীর, আসলাম হোসেন, মঈনউল ইসলাম, মোহাম্মদ দাউদুল ইসলাম, মো. শাহরিয়ার, কাজী আবু তাহের, এ জেড এম নুরুল হক, মো. মিজানুর রহমান, মোহাম্মদ ইলিয়াস হোসেন, এ কে এম মামুনুর রশিদ, কামাল হোসেন, মোহাম্মদ আব্দুল আহাদ, মো. জসিম উদ্দিন, সরোজ কুমার নাথ, মো. শহিদুল ইসলাম, মো. ওয়াহিদুজ্জামান, এস এম অজিউর রহমান, মোহাম্মদ মাসুদ আলম সিদ্দিক, মতিউল ইসলাম চৌধুরী, নাজিয়া শিরিন, সুলতানা পারভীন, আনার কলি মাহবুব, মোহাম্মদ হেলাল হোসেন, সৈয়দা ফারহানা কাইনাইন, সারওয়ার মুর্শেদ চৌধুরী, মাহমুদুল কবীর মুরাদ, আলী আকবর, এস এম আব্দুল কাদের, এস এম ফেরদৌস ও গোপাল চন্দ্র দাশ।
এর আগে সাম্প্রতিক সময়ে পুলিশের বিভিন্ন পর্যায়ের বেশ কয়েকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকেও একই বিধানের আওতায় বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনে এই ধারাবাহিক পদক্ষেপকে সরকারি পুনর্বিন্যাস কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে।
সরকারি চাকরি আইনের বিধান অনুযায়ী, কোনো কর্মকর্তার চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হলে জনস্বার্থের কথা বিবেচনা করে সরকার তাঁকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানোর ক্ষমতা রাখে। এই বিধান অনুসারেই সর্বশেষ ৩২ জন যুগ্ম সচিবের অবসরের আদেশ কার্যকর করা হয়েছে।