
তথ্যসূত্র: দ্য ইনডিপেনডেন্ট
জার্মানির কোলোন বন বিমানবন্দরে এক যাত্রীর লাগেজ তল্লাশি করে ৩৭টি বিষাক্ত সাপসহ মোট ৯২টি বন্য প্রাণী উদ্ধার করেছেন দেশটির কাস্টমস কর্মকর্তারা। উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর মধ্যে ভাইপার ও র্যাটলস্নেকের মতো বিষধর সাপের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রজাতির গিরগিটিও ছিল। প্রাণীগুলোকে প্লাস্টিকের খাবারের বাক্স, শ্যাম্পুর বোতল, প্রসাধনীর জার ও গোল করে রাখা মোজার মধ্যে লুকিয়ে আনা হয়েছিল।
এ ঘটনায় ৪৫ বছর বয়সী এক মেক্সিকান নাগরিককে আটক করা হয়। তিনি পেশায় দমকলকর্মী। মেক্সিকো সিটি থেকে তুরস্কের ইস্তাম্বুল হয়ে সংযোগ ফ্লাইটে জার্মানিতে পৌঁছানোর পর বিমানবন্দরের কাস্টমস কর্মকর্তাদের সন্দেহের মুখে পড়েন তিনি। পরে তাঁর লাগেজ তল্লাশি করে বিপুলসংখ্যক বন্য সরীসৃপের সন্ধান পাওয়া যায়।
কাস্টমস কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, যাত্রাপথে প্রাণীগুলোকে অত্যন্ত সংকীর্ণ ও অনুপযুক্ত পাত্রে আটকে রাখা হয়েছিল। পর্যাপ্ত বাতাসের অভাবে কয়েক ডজন প্রাণী মারা যায় বলে জানা গেছে। প্রাণী পরিবহনের এই পদ্ধতিকে অমানবিক বলে নিন্দা জানিয়েছেন জার্মানির কোলোন কাস্টমস অফিসের একজন মুখপাত্র।
ঘটনার পর জার্মানির সীমান্ত কর্তৃপক্ষ ওই যাত্রীকে দেশের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে চিহ্নিত করে। তাঁকে জার্মানিতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়নি। পরে ফিরতি ফ্লাইটে তাঁকে ইস্তাম্বুলে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।
দ্য ইনডিপেনডেন্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মেক্সিকো সিটি থেকে যাত্রা করে ইস্তাম্বুলে সংযোগ ফ্লাইট পরিবর্তনের পর ওই ব্যক্তি জার্মানির কোলোন বন বিমানবন্দরে পৌঁছান। বিমানবন্দরে পৌঁছে তিনি এমন একটি পথ দিয়ে বের হওয়ার চেষ্টা করেন, যেখানে ‘ঘোষণা করার মতো কিছু নেই’—এমন যাত্রীদের যাওয়ার নির্দেশনা থাকে।
তবে ওই পথ দিয়ে বের হওয়ার সময় তাঁকে বেশ বিচলিত ও নার্ভাস দেখাচ্ছিল। তাঁর আচরণে সন্দেহ হওয়ায় কাস্টমস কর্মকর্তারা তাঁকে থামিয়ে পরীক্ষা করেন।
প্রাথমিকভাবে তাঁর মাদক পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় কোকেনের উপস্থিতি ধরা পড়ে। এরপর কর্মকর্তারা তাঁর লাগেজে তল্লাশি চালান। যদিও লাগেজে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি, তল্লাশির একপর্যায়ে বেরিয়ে আসে বিপুলসংখ্যক বন্য সরীসৃপ।
কর্মকর্তারা লাগেজের ভেতরে থাকা প্লাস্টিকের খাবারের বাক্স, শ্যাম্পুর বোতল, প্রসাধনীর পাত্র এবং মোজার মধ্যে লুকানো প্রাণীগুলো উদ্ধার করেন। এভাবে বিভিন্ন সাধারণ ভ্রমণসামগ্রীর আড়ালে প্রাণীগুলো বহন করা হচ্ছিল, যাতে সহজে সেগুলো শনাক্ত করা না যায়।
উদ্ধার হওয়া ৯২টি প্রাণীর মধ্যে ছিল ৩৭টি বিষাক্ত সাপ এবং ৫৫টি গিরগিটি। সাপগুলোর মধ্যে ভাইপার ও র্যাটলস্নেকও ছিল। এগুলো বিষধর প্রজাতির সাপ হওয়ায় প্রাণীগুলোর অনুপযুক্ত পরিবহন শুধু তাদের জীবনকেই ঝুঁকির মধ্যে ফেলেনি, উদ্ধারকাজে নিয়োজিত কর্মকর্তাদের জন্যও বিপদের আশঙ্কা তৈরি করেছিল।
ঘটনার অস্বাভাবিকতা তুলে ধরে কোলোন কাস্টমস অফিসের মুখপাত্র জেন্স আহল্যান্ড বলেন, বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তারা যাত্রীদের লাগেজে বিভিন্ন ধরনের স্মারক ও ভ্রমণের স্মৃতিচিহ্ন দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু এ ধরনের ঘটনা তাঁদের কাছে একেবারেই ব্যতিক্রমী।
আহল্যান্ডের ভাষায়, ‘বিমানবন্দরে কর্মরত আমার সহকর্মীরা লাগেজে নানা ধরনের ভ্রমণের স্মৃতিচিহ্ন দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু মেক্সিকো থেকে আনা ৩৭টি জীবন্ত বিষাক্ত সাপ এবং ৫৫টি গিরগিটি আমরা আগে কখনো দেখিনি।’
প্রাণীগুলোকে যেভাবে বহন করা হচ্ছিল, তারও সমালোচনা করেন তিনি। তাঁর মতে, ছোট ছোট পাত্রে আটকে রেখে এভাবে প্রাণী পরিবহন করা অমানবিক। দীর্ঘ বিমানযাত্রায় পর্যাপ্ত বাতাস, জায়গা ও উপযুক্ত পরিবেশ না থাকলে প্রাণীদের শারীরিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হতে পারে।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, আবদ্ধ অবস্থায় থাকার কারণে যাত্রাপথে অথবা উদ্ধারের পরপরই কয়েক ডজন প্রাণী মারা যায়। তবে ঠিক কতটি প্রাণী মারা গেছে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যা উল্লেখ করা হয়নি।
বন্য প্রাণী পাচারের ঘটনায় শুধু প্রাণীগুলোকে এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাওয়াই সমস্যা নয়; পরিবহনের সময় তাদের বেঁচে থাকার উপযুক্ত ব্যবস্থা না থাকাও গুরুতর উদ্বেগের বিষয়। বিশেষ করে বিষাক্ত সাপ ও অন্যান্য সরীসৃপকে ছোট পাত্রে লুকিয়ে বহন করলে সেগুলো আহত হতে পারে, শ্বাসকষ্টে ভুগতে পারে কিংবা তাপমাত্রা ও পরিবেশগত পরিবর্তনের কারণে মারা যেতে পারে।
জিজ্ঞাসাবাদের সময় ওই যাত্রী দাবি করেন, ব্রাজিলের এক নাগরিকের অনুরোধ রাখতে গিয়ে তিনি প্রাণীগুলো ইউরোপে নিয়ে আসছিলেন। তবে ওই ব্যক্তির পরিচয়, প্রাণীগুলো কোথায় নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল এবং সেগুলো কী উদ্দেশ্যে পরিবহন করা হচ্ছিল—এসব বিষয়ে প্রতিবেদনে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।
প্রাণীগুলো সংগ্রহ, পরিবহন ও হস্তান্তরের পেছনে কোনো সংগঠিত পাচারচক্র ছিল কি না, সে বিষয়েও প্রকাশিত প্রতিবেদনে নিশ্চিত কোনো তথ্য নেই। ফলে ওই যাত্রীর বক্তব্যের বাইরে প্রাণীগুলো ইউরোপে নেওয়ার প্রকৃত উদ্দেশ্য সম্পর্কে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
তবে বিপুলসংখ্যক বন্য সরীসৃপকে সাধারণ লাগেজের মধ্যে লুকিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত অতিক্রমের চেষ্টা ঘটনাটিকে গুরুত্বের সঙ্গে দেখার কারণ তৈরি করেছে। বিশেষ করে উদ্ধার হওয়া প্রাণীগুলোর মধ্যে বিষাক্ত সাপ থাকায় এ ধরনের পরিবহনের সঙ্গে জননিরাপত্তার বিষয়টিও জড়িয়ে পড়ে।
জার্মানির সীমান্ত কর্তৃপক্ষ ওই ব্যক্তিকে নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করে। তাঁকে দেশটিতে প্রবেশ করতে দেওয়া হয়নি এবং ইস্তাম্বুলে ফেরত পাঠানো হয়েছে। তবে তাঁকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্তের সঙ্গে বন্য প্রাণী পরিবহনের অভিযোগের আইনগত নিষ্পত্তি কীভাবে যুক্ত ছিল, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।
জার্মানি ইউরোপের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিমান ও পরিবহনকেন্দ্র। দেশটির বিভিন্ন বিমানবন্দর দিয়ে ইউরোপের অন্যান্য দেশসহ বিশ্বের নানা অঞ্চলে যাত্রী ও পণ্য পরিবহন করা হয়। আন্তর্জাতিক যাতায়াতের এই বিস্তৃত নেটওয়ার্কের সুযোগ নিয়ে বন্য প্রাণী পাচারের চেষ্টা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের উদ্বেগ রয়েছে।
কোলোন বন বিমানবন্দরেও এর আগে বন্য প্রাণী পাচারের একাধিক ঘটনা সামনে এসেছে। বর্তমান ঘটনা সেই উদ্বেগকে আবারও সামনে এনেছে। বিশেষ করে লাগেজের মধ্যে খাবারের বাক্স, প্রসাধনীর পাত্র ও পোশাকের মতো সাধারণ জিনিস ব্যবহার করে প্রাণী লুকিয়ে আনার চেষ্টা বিমানবন্দরের নিরাপত্তা ও কাস্টমস তল্লাশির ক্ষেত্রে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করে।
বন্য প্রাণী পাচার বলতে সাধারণত অনুমতি ছাড়া সংরক্ষিত বা বন্য প্রাণী সংগ্রহ, পরিবহন, কেনাবেচা কিংবা আন্তর্জাতিক সীমান্ত পার করে নেওয়াকে বোঝানো হয়। তবে সব প্রাণী পরিবহনের ক্ষেত্রেই আইন লঙ্ঘন হয়েছে—এমন সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে হলে সংশ্লিষ্ট প্রজাতির সংরক্ষণ-অবস্থা, অনুমতিপত্র, পরিবহনের উদ্দেশ্য এবং প্রযোজ্য আইন বিবেচনা করতে হয়।
এই ঘটনায় প্রাণীগুলোকে যেভাবে লুকিয়ে আনা হচ্ছিল, তা কর্তৃপক্ষের সন্দেহের অন্যতম কারণ হয়ে ওঠে। একই সঙ্গে বিষাক্ত সাপসহ বিপুলসংখ্যক সরীসৃপ বহনের বিষয়টি জননিরাপত্তা ও প্রাণিকল্যাণ—দুই দিক থেকেই উদ্বেগজনক।
কোলোন বন বিমানবন্দরে বন্য প্রাণী পাচারের ঘটনা নতুন নয়। প্রায় ছয় বছর আগে একই বিমানবন্দরে কাস্টমস কর্মকর্তারা ২৬টি বিরল মেক্সিকান সরীসৃপ উদ্ধার করেছিলেন। ওই প্রাণীগুলোর মধ্যে ১০টি মারা গিয়েছিল।
সেই ঘটনায় প্রাণীগুলোকে খেলনা ও মিষ্টির মোড়কের মধ্যে লুকিয়ে পার্সেলের মাধ্যমে পাঠানো হচ্ছিল। সেগুলো জার্মানির বিভিন্ন ব্যক্তিগত সংগ্রাহকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা ছিল বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
দুটি ঘটনার মধ্যে একটি লক্ষণীয় মিল হলো, উভয় ক্ষেত্রেই প্রাণী পরিবহনের জন্য এমন পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে, যাতে সাধারণ পণ্য বা ব্যক্তিগত সামগ্রীর আড়ালে সেগুলো লুকিয়ে রাখা যায়। আগের ঘটনায় পার্সেল ও মোড়ক ব্যবহার করা হয়েছিল; সাম্প্রতিক ঘটনায় ব্যবহার করা হয়েছে যাত্রীর ব্যক্তিগত লাগেজ এবং দৈনন্দিন ব্যবহার্য পাত্র।
এ ধরনের কৌশল কাস্টমস কর্মকর্তাদের জন্য তল্লাশির কাজকে জটিল করে তুলতে পারে। তবে সন্দেহজনক আচরণ, ঝুঁকিভিত্তিক তল্লাশি এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার মাধ্যমে গোপনে বহন করা প্রাণী শনাক্ত করা সম্ভব হয়েছে—কোলোনের সাম্প্রতিক ঘটনাটি তার একটি উদাহরণ।
জার্মানির কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত এক বছরে দেশজুড়ে ১ হাজার ৩০০টি পৃথক কাস্টমস অভিযানে ৫৬ হাজার ৬০০টির বেশি সংরক্ষিত প্রাণী, উদ্ভিদ এবং এগুলো থেকে তৈরি বিভিন্ন সামগ্রী জব্দ করা হয়েছে।
এই পরিসংখ্যান থেকে বোঝা যায়, সংরক্ষিত বন্য প্রাণী ও উদ্ভিদ এবং সেগুলো থেকে তৈরি পণ্যের অবৈধ বা অনিয়মিত বাণিজ্য শনাক্ত করতে জার্মানির কাস্টমস কর্তৃপক্ষকে উল্লেখযোগ্যসংখ্যক অভিযান চালাতে হয়েছে। তবে জব্দ করা সব বস্তুই যে একই ধরনের অপরাধের সঙ্গে যুক্ত, তা বলা যায় না। এসব অভিযানে জীবন্ত প্রাণী, উদ্ভিদ এবং প্রাণী বা উদ্ভিদ থেকে তৈরি বিভিন্ন পণ্য অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সংরক্ষিত প্রজাতির আন্তর্জাতিক বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন দেশের আইন এবং আন্তর্জাতিক চুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এসব বিধানের উদ্দেশ্য হলো বিপন্ন প্রজাতির ওপর বাণিজ্যিক চাপ কমানো, প্রাকৃতিক পরিবেশ থেকে প্রাণী ও উদ্ভিদের অনিয়ন্ত্রিত সংগ্রহ ঠেকানো এবং আন্তর্জাতিক বাজারে সেগুলোর অবৈধ বেচাকেনা নিয়ন্ত্রণ করা।
তবে শুধু সীমান্তে প্রাণী জব্দ করাই যথেষ্ট নয়। পাচার প্রতিরোধে প্রাণীর উৎস শনাক্ত করা, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের ভূমিকা যাচাই করা এবং উদ্ধার করা প্রাণীদের উপযুক্ত পরিচর্যার ব্যবস্থা করাও গুরুত্বপূর্ণ।
কোলোন বন বিমানবন্দরের ঘটনাটি আন্তর্জাতিক বিমানযাত্রায় বন্য প্রাণী পরিবহনের ঝুঁকি আবারও সামনে এনেছে। একদিকে বিষাক্ত সাপসহ বিপজ্জনক প্রাণীকে লাগেজের মধ্যে লুকিয়ে বহন করলে বিমানবন্দরের কর্মী ও যাত্রীদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়। অন্যদিকে অনুপযুক্ত পাত্রে দীর্ঘ সময় আটকে রাখার ফলে প্রাণীগুলোর আহত হওয়া বা মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকে।
এ ঘটনায় উদ্ধার হওয়া প্রাণীদের কয়েক ডজনের মৃত্যুর খবর সেই ঝুঁকিরই ইঙ্গিত দেয়। প্রাণীগুলোকে কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল, সেগুলো কোন প্রজাতির এবং তাদের গন্তব্য কোথায় ছিল—এসব তথ্য সম্পূর্ণভাবে জানা গেলে পাচারের সম্ভাব্য উদ্দেশ্য সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেত।
এদিকে জার্মানির বিভিন্ন বিমানবন্দরে কাস্টমস তল্লাশি ও বন্য প্রাণী শনাক্তকরণের গুরুত্বও নতুন করে আলোচনায় এসেছে। ব্যক্তিগত লাগেজ কিংবা সাধারণ পণ্যের আড়ালে প্রাণী পরিবহনের চেষ্টা ঠেকাতে সীমান্ত নজরদারি, প্রজাতি শনাক্তকরণ এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বয় গুরুত্বপূর্ণ।
মেক্সিকো থেকে আসা ওই যাত্রীর লাগেজে ৯২টি বন্য সরীসৃপ উদ্ধারের ঘটনা তাই কেবল একটি অস্বাভাবিক বিমানবন্দর তল্লাশির ঘটনা নয়। এটি আন্তর্জাতিক যাতায়াতের আড়ালে বন্য প্রাণী পরিবহনের ঝুঁকি, প্রাণিকল্যাণের প্রশ্ন এবং সংরক্ষিত প্রজাতির বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজনীয়তাকেও সামনে এনেছে।