
ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারায় হাজারো মানুষের সমাবেশ; ‘কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি চাই’ স্লোগান, স্বাধীন সাংবাদিকতা ও নাগরিকের তথ্য পাওয়ার অধিকার রক্ষার দাবি
তুরস্কে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া এবং বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরকার নিযুক্ত প্রশাসক বসানোর প্রতিবাদে রাজপথে নেমেছেন হাজারো মানুষ। শনিবার দেশটির ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারা শহরে অনুষ্ঠিত এসব বিক্ষোভে সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। তাঁদের অভিযোগ, স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর ক্রমাগত চাপ বাড়ছে, আর এর ফলে সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতা ও সাধারণ মানুষের তথ্য পাওয়ার অধিকার হুমকির মুখে পড়ছে।
বিক্ষোভকারীরা ‘যথেষ্ট হয়েছে, আমরা আর শ্বাস নিতে পারছি না’, ‘আমাদের চুপ করানো যাবে না’ এবং ‘আমরা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করব না’—এমন স্লোগান দেন। তাঁরা কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি, বন্ধ করে দেওয়া সংবাদমাধ্যম পুনরায় চালু এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানান।
ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তুরস্কে সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে এই বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। মানবাধিকারকর্মীদের ভাষ্য, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে স্বাধীন সাংবাদিকতার ওপর চাপ আরও বেড়েছে।
শনিবার ইস্তাম্বুলের এশীয় অংশে পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, অন্তত তিন হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন। তাঁদের অনেকের হাতে ছিল কারাবন্দী সাংবাদিকদের ছবি। সমাবেশ থেকে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষার পাশাপাশি সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে চলমান পদক্ষেপ বন্ধের দাবি জানানো হয়।
বিক্ষোভকারীরা বলেন, সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করে বা সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে মানুষের কাছে তথ্য পৌঁছানোর পথ রুদ্ধ করা যায় না। তাঁদের মতে, সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা শুধু সাংবাদিকদের পেশাগত অধিকারের বিষয় নয়; এটি সমাজের প্রতিটি মানুষের তথ্য জানার অধিকারের সঙ্গেও যুক্ত।
ইস্তাম্বুলের সমাবেশে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে সাংবাদিক ও মানবাধিকারকর্মীদের পাশাপাশি বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। তাঁদের বক্তব্যে সংবাদমাধ্যমের ওপর চাপ প্রয়োগের বিরুদ্ধে সম্মিলিত প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান উঠে আসে।
বিক্ষোভে ‘আমাদের চুপ করানো যাবে না। অনেক হয়েছে, আর নয়’ এবং ‘আমরা কোনো চাপের কাছে মাথা নত করব না’—এমন স্লোগান দেওয়া হয়। এসব স্লোগানের মধ্য দিয়ে সংবাদ প্রকাশের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিয়ে অংশগ্রহণকারীদের উদ্বেগ প্রকাশ পায়।
তুরস্কের সাংবাদিক ইউনিয়নের তথ্য অনুযায়ী, গত দুই মাসে ১১ জন সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। একই সময়ে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে মামলা, অনলাইনে তথ্য ও মতপ্রকাশের ওপর নিয়ন্ত্রণ এবং সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছেন মানবাধিকারকর্মীরা।
তুরস্কে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ নতুন নয়। ২০১৬ সালে দেশটিতে ব্যর্থ সেনা অভ্যুত্থানের পর থেকে সংবাদমাধ্যমের ওপর নিয়ন্ত্রণ ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ বাড়তে থাকে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্ন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় এবং অনলাইনে তথ্য প্রকাশ ও মতপ্রকাশের ওপর সেন্সরশিপ আরোপ করা হয়।
সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো সেই পরিস্থিতিকে আরও উদ্বেগজনক করে তুলেছে বলে মনে করছেন মানবাধিকারকর্মীরা। তাঁদের মতে, সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার এবং সংবাদমাধ্যমের কার্যক্রম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ স্বাধীনভাবে সংবাদ সংগ্রহ ও প্রকাশের সুযোগ সীমিত করে দিতে পারে।
তবে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে নেওয়া প্রতিটি আইনি পদক্ষেপের কারণ ও মামলার বিস্তারিত বিবরণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে নির্দিষ্ট মামলাগুলোর আইনি ভিত্তি সম্পর্কে আলাদা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর সুযোগ নেই।
তুরস্কের জনপ্রিয় সংবাদ চ্যানেল হাল্ক টিভিতে চলতি মাসের শুরুতে অভিযান চালায় পুলিশ। এরপর চ্যানেলটির সম্প্রচার বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সেখানে সরকার নিযুক্ত একজন প্রশাসক বসানো হয়।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান ও তাঁর সরকারের সমালোচক হিসেবে পরিচিত সংবাদমাধ্যমগুলোর বিরুদ্ধে নেওয়া ধারাবাহিক পদক্ষেপের মধ্যে হাল্ক টিভির বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা সর্বশেষ ঘটনাগুলোর একটি।
একটি সংবাদ চ্যানেলের সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং এর পরিচালনায় সরকার নিযুক্ত প্রশাসক বসানোর ঘটনা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্ক আরও বাড়িয়েছে। বিক্ষোভকারীদের উদ্বেগ, এ ধরনের পদক্ষেপের ফলে সংবাদমাধ্যমের সম্পাদকীয় স্বাধীনতা ও সরকারের সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশের সুযোগ সংকুচিত হতে পারে।
সাংবাদিকতা ও সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে স্বাধীনতা বজায় রাখতে সংবাদমাধ্যমের নিজস্ব সম্পাদকীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণের সুযোগ গুরুত্বপূর্ণ। বিক্ষোভকারীরা মনে করছেন, গণমাধ্যমের কার্যক্রমে এ ধরনের হস্তক্ষেপ অব্যাহত থাকলে সাধারণ মানুষও বিভিন্ন বিষয়ে স্বাধীনভাবে তথ্য পাওয়ার সুযোগ হারাতে পারেন।
তুরস্কের আরেকটি শীর্ষস্থানীয় ডিজিটাল সংবাদমাধ্যম টি২৪-এর ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলোও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কর্তৃপক্ষের অভিযোগ, সংবাদমাধ্যমটি ‘এলজিবিটি প্রোপাগান্ডা’ চালাচ্ছিল।
টি২৪-এর বিরুদ্ধে নেওয়া পদক্ষেপও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা নিয়ে চলমান বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছে। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে সংবাদ প্রকাশ ও প্রচারের সুযোগ সীমিত হয়ে গেলে সাংবাদিকদের পাশাপাশি পাঠক ও দর্শকেরাও ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারেন।
বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন সংবাদ প্রচার ও পাঠকের সঙ্গে যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। কোনো সংবাদমাধ্যমের ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলে তার সংবাদ প্রকাশ, প্রচার এবং পাঠকের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়।
তবে টি২৪-এর বিরুদ্ধে কর্তৃপক্ষের অভিযোগের বিস্তারিত তথ্য বা এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমটির পূর্ণাঙ্গ আইনি অবস্থান এএফপির প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়নি।
ইস্তাম্বুলের বিক্ষোভ শেষে প্রবীণ সাংবাদিক জাফের আরাপকিরলি এএফপিকে বলেন, এই সমাবেশের উদ্দেশ্য শুধু সাংবাদিকদের পক্ষে অবস্থান নেওয়া নয়; বরং সমাজের তথ্য পাওয়ার অধিকার রক্ষা করাও এর গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।
তুরস্কের সংবাদমাধ্যম ডেইলি বিরগুনের এই কলামিস্ট বলেন, ‘সাংবাদিক ও স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের সাহায্যে তথ্য ও খবর পাওয়ার যে অধিকার সমাজের রয়েছে, তা রক্ষা করাও এই বিক্ষোভের উদ্দেশ্য।’
আরাপকিরলি নিজেও একটি মামলার মুখোমুখি হয়েছেন। তাঁর মতে, সাংবাদিকদের ওপর চাপ যত বাড়বে, এর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ এবং প্রতিরোধের সংকল্পও তত জোরালো হবে।
তিনি অভিযোগ করেন, বর্তমান সরকার চাপ প্রয়োগের মাধ্যমে সমাজকে ভয় দেখাতে ও নীরব রাখতে চায়। এ উদ্দেশ্যে সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যম দখল, খবর প্রকাশে নিষেধাজ্ঞা এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বন্ধ করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে বলে তাঁর দাবি।
আরাপকিরলি বলেন, ‘আমাদের অবশ্যই দেখাতে হবে যে আমরা এটা হতে দেব না। আমরা এ পর্যন্ত তা করে দেখিয়েছি। আমার বিশ্বাস, আমরা এখন আরও বড় পরিসরে এই সংকল্প প্রমাণের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।’
তাঁর বক্তব্যে সাংবাদিকদের নিরাপত্তার পাশাপাশি সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা রক্ষায় নাগরিকদের অংশগ্রহণের বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে। তাঁর মতে, স্বাধীন সংবাদমাধ্যমের মাধ্যমে তথ্য জানার অধিকার রক্ষার প্রশ্নটি গোটা সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
রাজধানী আঙ্কারাতেও শনিবার বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশের হিসাব অনুযায়ী, সেখানে অন্তত তিন হাজার মানুষ সমবেত হন। তাঁরা ‘সেন্সরশিপকে না বলুন’ এবং ‘কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি চাই’—এমন স্লোগান দেন।
আঙ্কারার বিক্ষোভে অংশ নেন সাংবাদিক, মানবাধিকারকর্মী ও সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ব্যক্তিরা। তাঁদের দাবির মধ্যে ছিল কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ পুনঃপ্রতিষ্ঠা।
বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদমাধ্যম টি২৪-এর সমন্বয়ক গোকসার তাহিনসিওগ্লু আঙ্কারায় এএফপিকে বলেন, এই বিক্ষোভ সাংবাদিকদের এক জায়গায় এসে নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরার সুযোগ তৈরি করেছে। একই সঙ্গে এটি নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকার রক্ষার ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ।
তিনি বলেন, ‘আজকের এই বিক্ষোভ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, এটি সাংবাদিকদের এক জায়গায় এনে তাঁদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরতে সাহায্য করেছে। একই সঙ্গে এটি নাগরিকদের তথ্য পাওয়ার অধিকারকেও রক্ষা করেছে।’
গোকসার আরও বলেন, সাংবাদিকেরা একটি বার্তা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর—তাঁরা স্বাধীনভাবে সাংবাদিকতা করতে চান। বন্ধ হয়ে যাওয়া সংবাদমাধ্যমগুলো যাতে যত দ্রুত সম্ভব স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ ফিরে পায়, সেটিও তাঁদের প্রত্যাশা।
তাঁর ভাষায়, ‘সাংবাদিকেরা একটি বার্তা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর: আমরা সাংবাদিকতা করতে চাই, আর সেটা স্বাধীনভাবেই করতে চাই।...আমরা যত দ্রুত সম্ভব স্বাধীনভাবে খবর প্রকাশের পরিবেশ ফিরে পেতে চাই।’
ইস্তাম্বুল ও আঙ্কারার বিক্ষোভে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের বক্তব্যে সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকদের নিরাপত্তা এবং নাগরিকদের তথ্য জানার অধিকারের প্রশ্নগুলো একসঙ্গে উঠে এসেছে। সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার, সংবাদমাধ্যম বন্ধ এবং অনলাইনে সংবাদ প্রচারের সুযোগ সীমিত করার অভিযোগ নিয়ে তাঁরা উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।
বিক্ষোভকারীদের মতে, সাংবাদিকদের কাজ বাধাগ্রস্ত হলে তার প্রভাব শুধু সংবাদকক্ষ বা গণমাধ্যম প্রতিষ্ঠানে সীমাবদ্ধ থাকে না। সাধারণ মানুষও দেশ ও সমাজের বিভিন্ন ঘটনা সম্পর্কে তথ্য জানার সুযোগ হারাতে পারেন। সে কারণে তাঁরা সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতাকে বৃহত্তর জনস্বার্থের সঙ্গে সম্পর্কিত বিষয় হিসেবে দেখছেন।
তুরস্কের সাংবাদিক ইউনিয়নের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, দুই মাসে ১১ জন সাংবাদিককে কারাগারে পাঠানো এবং কয়েকটি সংবাদমাধ্যম বন্ধ হওয়ার ঘটনা এই উদ্বেগের পটভূমি তৈরি করেছে। হাল্ক টিভির সম্প্রচার বন্ধ ও টি২৪-এর অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলো বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনাও বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ বাড়িয়েছে।
শনিবারের বিক্ষোভে সাংবাদিকদের পাশাপাশি মানবাধিকারকর্মী ও বিরোধী দলের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ এ ইস্যুতে বৃহত্তর রাজনৈতিক ও সামাজিক উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটিয়েছে। তাঁরা কারাবন্দী সাংবাদিকদের মুক্তি, সেন্সরশিপের অবসান এবং স্বাধীনভাবে সংবাদ প্রকাশের পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছেন।
তবে এসব দাবির বিষয়ে তুরস্কের সরকার বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের বিস্তারিত প্রতিক্রিয়া এএফপির প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। ফলে বিক্ষোভকারীদের অভিযোগের জবাবে সরকারের অবস্থান কী, তা এই প্রতিবেদন থেকে নিশ্চিত হওয়া যায় না।