
ক্রীড়া প্রতিবেদক
প্রকাশ: ২৬ অক্টোবর ২০২৬
বছরের প্রথম এল ক্লাসিকোতে বার্সেলোনাকে ২-১ গোলে হারিয়েছে রিয়াল মাদ্রিদ। কাতালানদের মাঠে এই জয়ের ফলে নতুন করে আলোচনায় উঠে এসেছেন রিয়ালের কোচ হোসে মরিনিও। গুরুত্বপূর্ণ এই জয়ের পাশাপাশি ক্লাবটির দুই কিংবদন্তি কোচের কীর্তির পাশে নিজের নাম লেখানোর সুযোগ পেয়েছেন পর্তুগিজ এই কোচ।
ম্যাচে রিয়ালের জয়ের নায়ক কিলিয়ান এমবাপ্পে। দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে জোড়া গোল করে দলের জয় নিশ্চিত করেন ফরাসি তারকা। বিশেষ করে ম্যাচের শেষ দিকে তাঁর গোলের পর মরিনিওর উচ্ছ্বাস ছিল চোখে পড়ার মতো। বয়সের কথা ভুলে হাঁটু গেড়ে মাঠে স্লাইড করে উদ্যাপনে মাতেন তিনি। তাঁর এই উদ্যাপনের দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দেয়।
বার্সেলোনার মাঠে জয় পাওয়া যে কতটা কঠিন, তা তাদের সাম্প্রতিক রেকর্ড থেকেই স্পষ্ট। আগের ১৮টি লিগ ম্যাচে নিজেদের মাঠে টানা জয় পেয়েছিল কাতালান ক্লাবটি। এমন প্রতিপক্ষের বিপক্ষে শেষ দিকে এগিয়ে গিয়ে জয় নিশ্চিত করায় রিয়াল শিবিরের আনন্দ ছিল আরও বেশি। মরিনিওর উদ্যাপনেও ফুটে ওঠে সেই স্বস্তি ও উচ্ছ্বাস।
এই জয়ের মধ্য দিয়ে এল ক্লাসিকোতে টানা ছয় বা তার বেশি ম্যাচ অপরাজিত থাকার কৃতিত্ব অর্জনকারী রিয়াল মাদ্রিদের তৃতীয় কোচ হিসেবে আলোচনায় এসেছেন মরিনিও। এর আগে ক্লাবটির দুই কিংবদন্তি কোচ মিগুয়েল মুনোজ ও ভিসেন্তে দেল বস্ক এমন ধারাবাহিক সাফল্যের নজির গড়েছিলেন।
১৯৬২ থেকে ১৯৬৫ সালের মধ্যে মিগুয়েল মুনোজের অধীনে বার্সেলোনার বিপক্ষে টানা সাতটি এল ক্লাসিকোতে জয় পেয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। অন্যদিকে, ২০০১ থেকে ২০০৩ সালের মধ্যে ভিসেন্তে দেল বস্কের অধীনে টানা সাতটি এল ক্লাসিকোতে অপরাজিত ছিল দলটি। তাঁদের সেই কৃতিত্বের ধারাবাহিকতায় এবার নিজের অবস্থান আরও শক্ত করলেন মরিনিও।
এল ক্লাসিকোর মতো বড় ম্যাচে জয় শুধু পয়েন্ট অর্জনের বিষয় নয়, বরং দুই দলের মর্যাদা ও আধিপত্যের লড়াইও। তাই বার্সেলোনার মাঠে এই জয় রিয়াল মাদ্রিদের জন্য বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। একই সঙ্গে মরিনিওর কৌশল, দলের পারফরম্যান্স এবং তাঁর আবেগঘন উদ্যাপন ফুটবলপ্রেমীদের আলোচনায় নতুন মাত্রা যোগ করেছে।
সম্পাদনা-সংক্রান্ত নোট: প্রকাশের আগে ম্যাচের ফল, গোলদাতাদের তথ্য এবং মরিনিওর রিয়াল মাদ্রিদের কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালনের বিষয়টি নির্ভরযোগ্য সূত্রে যাচাই করে নেবেন। আপনার দেওয়া প্রতিবেদনে এসব তথ্যের মধ্যে অসংগতি থাকতে পারে।