মজুরি বৃদ্ধির দাবিতে পোশাকশ্রমিকদের চলমান বিক্ষোভ ও অসন্তোষ মোকাবিলায় করণীয় নির্ধারণ করতে জরুরি বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অর্থ, স্বরাষ্ট্র ও শ্রম মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীসহ সরকারের নীতি-নির্ধারণী উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি ও উপদেষ্টারা বৈঠকে অংশ নেন। কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক পরিবেশ নিশ্চিত করতে প্রধানমন্ত্রী আগেই নির্দেশনা দিয়েছিলেন, তবে শ্রমিক প্রতিনিধি নির্বাচনে কিছুটা বিলম্ব হওয়ায় চূড়ান্ত পদক্ষেপ গ্রহণে কিছুটা সময় লাগে।
একই দিন সকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ে পোশাকশ্রমিকদের জন্য একটি নতুন ‘মজুরি বোর্ড’ গঠনের সিদ্ধান্ত জানানো হয়। নবগঠিত বোর্ডের চেয়ারম্যান শেখ আশফাকুর রহমানকে মালিক, শ্রমিক ও নিরপেক্ষ সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে নতুন বেতন কাঠামো চূড়ান্ত করার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। শ্রমমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানান, শ্রমিকদের মূল দাবি মেনে নেওয়ায় দ্রুত সড়ক ছেড়ে সবাইকে স্ব-স্ব কর্মস্থলে ফিরে যাওয়ার আহ্বান জানানো হচ্ছে।
মজুরি বোর্ড গঠন সত্ত্বেও কারখানা বন্ধ রাখা এবং শ্রমিকদের উসকে দেওয়ার পেছনে রাজনৈতিক চক্রান্ত দেখছে সরকার। সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে শ্রমমন্ত্রী অভিযোগ করেন, একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের চিহ্নিত কর্মীরা শ্রমিক সেজে পোশাক খাতে বিশৃঙ্খলা তৈরি করছে। শিল্পক্ষেত্রে অস্থিতিশীলতা ছড়াতে রাজনৈতিকভাবে শ্রমিকদের ঢাল হিসেবে ব্যবহার করার বিষয়েও সতর্ক করেন তিনি।



