ইরানে নতুন করে সর্বাত্মক সামরিক হামলা চালানো হবে কি না, সে বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টাদের সঙ্গে মধ্যবর্তী নির্বাচন পরবর্তী প্রথম বৈঠকে এই ঘোষণা দেন তিনি।
নির্বাচন পরবর্তী সময়ে ট্রাম্পের সামনে এখন তিনটি স্পষ্ট পথ রয়েছে। এগুলো হলো: নতুন করে ব্যাপক বিমান হামলা চালানো, শাসনব্যবস্থার ওপর অর্থনৈতিক চাপ অব্যাহত রাখা, অথবা তেহরানকে ছাড় দিয়ে সমঝোতায় পৌঁছানো।
ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের ট্রাম্প জানান, সংঘাত এড়াতে চাইলে তেহরানকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তা না হলে দেশটির পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ধ্বংস করতে যুক্তরাষ্ট্র কঠোর পদক্ষেপ নিতে পিছপা হবে না।
যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে কূটনৈতিক তৎপরতা তীব্র রূপ নিয়েছে। ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি কাতার, সৌদি আরব, তুরস্কসহ অঞ্চলের প্রভাবশালীদের সঙ্গে টেলিফোনে ধারাবাহিক কথা বলছেন।
আস্থা তৈরিতে কাতার দুই দিনের এক খসড়া প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা করছে। প্রস্তাবে প্রথম দিনে মার্কিন নৌ অবরোধ শিথিল ও ইরানি অর্থ ছাড়ের বিনিময়ে পরিদর্শনের সুযোগ এবং দ্বিতীয় দিনে হরমুজ প্রণালি খোলার কথা বলা হয়েছে।
তেহরানের পক্ষ থেকে সুপ্রিম ন্যাশনাল সিকিউরিটি কাউন্সিলের সচিব মোহসেন রেজায়ী মস্কোয় ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। সেখানে তিনি তেহরানের সাতটি শর্তের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন, যা পূরণ ছাড়া কোনো সমঝোতা সম্ভব নয়।
যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) সম্ভাব্য সামরিক অভিযানের প্রস্তুতি চূড়ান্ত করছে। মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি সামলাতে ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট বিমানবাহী রণতরি স্ট্রাইক গ্রুপ নভেম্বরের মাঝামাঝি সময়ে ওই এলাকায় পৌঁছাবে।



