ঢাকা

বেসরকারি মেডিক্যাল-ডেন্টালে ভর্তিতে দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল ঘোষণা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে এমবিবিএস ও বিডিএস কোর্সে বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজে শূন্য আসনে ভর্তি কার্যক্রমে দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হয়েছে। স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর গত রোববার (১২ এপ্রিল ২০২৬) এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দ্বিতীয় মাইগ্রেশনে সুযোগপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে নতুন বরাদ্দকৃত কলেজে ভর্তি সম্পন্ন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে ১৩ এপ্রিল থেকে ১৬ এপ্রিলের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীদের বর্তমান ও নতুন—উভয় প্রতিষ্ঠানে ভর্তি বাতিল বলে গণ্য হবে।

শূন্য আসনে ভর্তি প্রক্রিয়ায় গুরুত্ব

স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, বেসরকারি মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজগুলোর শূন্য আসন পূরণের লক্ষ্যে এই দ্বিতীয় মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়েছে। এর মাধ্যমে পূর্বে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীরা মেধাক্রম অনুযায়ী পছন্দের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তনের সুযোগ পেয়েছেন। ফলে মেডিক্যাল শিক্ষায় আসন ব্যবস্থাপনা আরও কার্যকর ও ভারসাম্যপূর্ণ করার লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

ভর্তি সম্পন্নে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র

ভর্তি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নির্দিষ্ট কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র জমা দিতে হবে। এগুলো হলো—

২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের এমবিবিএস/বিডিএস ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র
ভর্তি পরীক্ষার ফলাফলের কপি
এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড
এসএসসি ও এইচএসসি/সমমান পরীক্ষার একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট (নম্বরপত্র)
এসএসসি ও এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল সনদপত্র/প্রশংসাপত্র
এ লেভেল/ও লেভেল উত্তীর্ণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে নম্বর সমতাকরণ পত্র
নাগরিকত্ব সনদ বা জন্মনিবন্ধন সনদের কপি
সদ্য তোলা চার কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
নির্দেশনা ও সতর্কতা

কর্তৃপক্ষ বিশেষভাবে সতর্ক করেছে, ভর্তি সংক্রান্ত সব প্রক্রিয়া নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সম্পন্ন করতে হবে। কোনো শিক্ষার্থী সময়সীমা অতিক্রম করলে তার ভর্তি স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল হয়ে যাবে এবং পরবর্তীতে কোনো দাবি গ্রহণযোগ্য হবে না।

সার্বিক প্রেক্ষাপট

প্রতি বছর এমবিবিএস ও বিডিএস ভর্তি প্রক্রিয়ায় একাধিক ধাপে মাইগ্রেশন চালু থাকে, যাতে মেধাক্রম অনুযায়ী শিক্ষার্থীরা তাদের পছন্দের প্রতিষ্ঠানে স্থানান্তরের সুযোগ পান। এবারের দ্বিতীয় মাইগ্রেশন সেই ধারাবাহিকতার অংশ হিসেবে বাস্তবায়িত হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, নির্ধারিত সময়সীমা ও কঠোর নীতিমালার মাধ্যমে ভর্তি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এখন শিক্ষার্থীদের দ্রুত সিদ্ধান্ত নিয়ে যথাসময়ে ভর্তি সম্পন্ন করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স