ঢাকা

দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ব্যাহত পাঠদান, পিছিয়ে পড়ছে শিক্ষার্থীরা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং

প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে দেশের দুর্গম ও দুর্যোগপ্রবণ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে শিক্ষাগ্রহণের ক্ষেত্রে মারাত্মক ঘাটতি তৈরি হয়েছে। বিশেষ করে গণিতে ৪০ দশমিক ৩৮ শতাংশ এবং ইংরেজিতে ৩৯ দশমিক ৮৭ শতাংশ শিক্ষার্থীর শিক্ষাগ্রহণে ক্ষতি অপূরণীয় বা স্থায়ী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ শিক্ষাতথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত ও জলাবদ্ধতাসহ বিভিন্ন দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ৫ হাজার ৬৩১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। বারবার বন্যা, ঘূর্ণিঝড় ও নদীভাঙনের কারণে এসব প্রতিষ্ঠানের শ্রেণিকক্ষ চালুর পাশাপাশি আসবাবপত্র, ভবন ও স্যানিটেশন ব্যবস্থার মারাত্মক ক্ষতি হচ্ছে। দুর্যোগের পর ২১ দশমিক ১৮ শতাংশ প্রতিষ্ঠান আসবাবপত্র এবং ১৯ দশমিক ৫৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ভবনের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ব্যর্থ হয়েছে।

দুর্যোগের কারণে শুধু অবকাঠামোগত ক্ষতি নয়, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনাও চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়ছে। বাড়িতে বসে গণিতের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পেরেছে মাত্র ১১ দশমিক ৭৫ শতাংশ এবং ইংরেজিতে মাত্র ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ শিক্ষার্থী। অন্যদিকে, দুর্যোগ মোকাবিলায় ঝুঁকি মূল্যায়ন এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রস্তুতিতে বড় ধরনের ঘাটতি রয়েছে। পরিস্থিতি উত্তরণে শিক্ষাবিদরা দুর্গম এলাকার জন্য নমনীয়  শিক্ষা ক্যালেন্ডার এবং বিকল্প উপায়ে পাঠদান ও পরীক্ষার ব্যবস্থা চালুর ওপর জোর দিয়েছেন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স