শনিবার (১৫ মার্চ) রিয়াল মাদ্রিদ এলচেকে হারিয়ে পয়েন্ট ব্যবধান কমিয়ে আনলে বার্সার ওপর কিছুটা মানসিক চাপ তৈরি হয়েছিল। তবে মাঠের লড়াইয়ে তার বিন্দুমাত্র প্রভাব পড়তে দেননি রাফিনিয়া-ওলমোরা।
ম্যাচের মূল হাইলাইটস
ম্যাচটি ছিল পুরোপুরি বার্সা উইঙ্গার রাফিনিয়ার দখলে। ব্রাজিলিয়ান এই তারকার হ্যাটট্রিকের পাশাপাশি স্কোরবোর্ডে নাম লিখিয়েছেন দানি ওলমো ও জোয়াও কানসেলো।
ঝড়ো শুরু: ম্যাচের শুরুতেই জোড়া পেনাল্টি পায় বার্সেলোনা। ৯ মিনিটে প্রথম স্পট কিক থেকে লক্ষ্যভেদ করেন রাফিনিয়া। এর কিছুক্ষণ পরেই দ্বিতীয় পেনাল্টিতে ব্যবধান ২–০ করেন তিনি।
ওলমোর জাদু: ৩৮ মিনিটে মারক বেরনালের দর্শনীয় এক ক্রস থেকে দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে গোল করেন দানি ওলমো। ৩–০ ব্যবধানে এগিয়ে বিরতিতে যায় স্বাগতিকরা।
সেভিয়ার লড়াই: প্রথমার্ধের ঠিক শেষ মুহূর্তে হুয়ানলু সানচেজের সহায়তায় ওসো সেভিয়ার হয়ে একটি গোল শোধ করেন।
হ্যাটট্রিক পূর্ণ: দ্বিতীয়ার্ধ শুরু হতেই রাফিনিয়া নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা হ্যাটট্রিকটি পূর্ণ করেন। এরপর জোয়াও কানসেলো একক প্রচেষ্টায় বক্সে ঢুকে দলের পঞ্চম গোলটি করেন। শেষের দিকে সেভিয়ার সাউ একটি গোল করলেও তা কেবল ব্যবধানই কমিয়েছে।
গাভির আবেগঘন প্রত্যাবর্তন
ম্যাচের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি ছিল তরুণ মিডফিল্ডার গাভির মাঠে ফেরা। হাঁটুর গুরুতর চোটের কারণে দীর্ঘ এক বছর মাঠের বাইরে থাকার পর শেষ ১০ মিনিটের জন্য মাঠে নামেন তিনি। গ্যালারিভর্তি দর্শকের করতালির মাঝে ফিরতে পেরে আবেগাপ্লুত গাভি বলেন:
"ফিরে আসাটা ছিল দীর্ঘ এক লড়াই। তবে ক্যাম্প ন্যুতে প্রিয় সমর্থকদের সামনে নামার অনুভূতি ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়।"
সামনে নিউক্যাসল চ্যালেঞ্জ
বড় জয়ের পরও বার্সা কোচ হানসি ফ্লিক কিছুটা সতর্ক। ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তিনি বলেন:
ফোকাস চ্যাম্পিয়ন্স লিগ: "৫ গোল করা তৃপ্তিদায়ক, তবে আমাদের ভুলগুলো শুধরে নিতে হবে। বুধবার চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিউক্যাসলের বিপক্ষে ম্যাচটি আমাদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।"
আগামী বুধবার নিউক্যাসল ইউনাইটেডের মুখোমুখি হবে বার্সা। প্রথম লেগ ১–১ গোলে ড্র থাকায় ঘরের মাঠে এই ম্যাচটি এখন তাদের জন্য 'ডু অর ডাই' লড়াই।