ঢাকা

সকল শহীদকে সম্মান করতে হবে: শফিকুল হক মিলন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত এডভোকেট শফিকুল হক মিলন। ছবি: সংগৃহীত

১৯৭১ সাল থেখে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে যারা দেশের জন প্রান দিয়েছেন সেই সকল শহীদদের প্রতিজনকে সম্মান করতে হবে। বর্তমানে একটি দলকে দেখা যাচ্ছে ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধকে হাইজাক করতে চেয়েছিলো। তার পরিণতি কি তা এখন দেখা যাচ্ছে। তাদের প্রত্যেকের আত্মার মাগফিরাত এবং যারা আহত হয়ে অসুস্থ্য আছেন তাদের দ্রুত সুস্থতা সুস্থ্যতা কামনা করেন তিনি। 

বৃহস্পতিবার বিকেলে জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের জন্য এবং উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলের বিমান দুর্ঘটনায় নিহত ও আহতদের জন্য দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপি জাতীয়  নির্বাহী কমিটির ত্রান ও পুনর্বাসন বিষয়ক সহ-সম্পাদক ও রাজশাহী রাজশাহী মহানগর বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট শফিকুল হক মিলন এই কথাগুলো বলেন।

তিনি আরো বলেন, সকলের এই ত্যাগকে দেশের মানুষ মনে রাখবে। ছাত্রদলের কথার প্রেক্ষিতে তিনি বলেন, ১৯৭৫ সালে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান প্রথম সংস্কার কাজ শুরু করেন। তিনি প্রথম বাকশাল রোধ করে বহুদলীয় গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এতে করে সবাই রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েচিলো। আওয়ামীলীগকে নিষিদ্ধ  করেছিলো শেখ মুজিবুর রহমান। সেইসাথে  জামায়াতকেও যুদ্ধাপোরাধী বলে নিষিদ্ধ  করা হয়েছিলো। কিন্তু বিএনপি এসে সবাইকে রাজনীতি করার সুযোগ পায়। সে সময়ে বিএনপি ছিলো। ১৯৭৮ সালের পহেরা সেপ্টেম্বর বিএনপি’র জন্ম হয় বলে উল্লেখ করেন তিনি।

মিলন আরো বলেন, বিএনপি প্রতিষ্টা করার পূর্বেই তাদের রাজনীতি করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। বিএনপি’র জন্ম হয়েছে দেশের মানুষের জন্য এবং দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষা করার জন্য। সেজন্য এই বিএনপি’র দায়িত্ব হচ্ছে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে আন্দোলন করা। বিএনপি যেমন স্বৈরশাসক হুসেইন মোহাম্মদ এরশাদকে বিতারিত করেছিলো, সে রকম আরেক নব্য স্বৈরাচার ফ্যাসিস্ট অবৈধ প্রধানমন্ত্রী খুনি হাসিনাকে বিদায় করতে বিএনপি দীর্ঘ সতের বছর আন্দোলন করেছে। এর ফলস্বরুপ ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মুখে হাসিনার পলায়ন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, এই গণঅভ্যুত্থানকে একটি নব্য দল হাইজাক করার চেষ্টা করছে। তারা বলছে এটা তাদেরই আন্দোলনের ফসল। এটা কোনভাবেই মেনে নেয়া যাবেনা। তিনি বিচার পতি খাইরুল হকের কতা বলেন। তিনি বলেন এই খাইরুল হক সংবিধান ধ্বংস করে ফেলেছিলেন। কিন্তু তিনি বর্তমানে জেলে আছেন। আর যারা নির্বাচন কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে অবৈধ সরকারকে বৈধতা দিয়েছে তারা আজ জেল হাজতে আছেন। আগামিতে যারা এধরনের কাজ করবে এবং স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নেবে তারা কেউ রেহাই পাবেনা বলে উল্লেখ করেন।

তিনি আরো বলেন বিএনপিকে নিয়ে গভীর ষড়যন্ত্র শুরু হয়েছে। এই ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করতে সবাইবে আবারও রাজপথে নামার আহবান জানান তিনি। সেইসাথে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং জুলাই-আগস্টে নিহতদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে বক্তব্য শেষ করেন তিনি। পরে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

দারুশা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত দোয়া মাহফিলে  সভাপতিত্ব করেন জেলা ছাত্রদলের যুগ্ম আহবায়ক ও পবা উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব হাফিজুর রহমান হাফিজ। পবা উপজেলা ছাত্রদললের সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক সাদ্দাম হোসেনের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পবা উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব সহকারী অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক, যুগ্ম আহŸায়ক সুলতান আহমেদ ও আব্দুস সালাম, হুজুরীপাড়া ইউনিয়ন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহবায়ক শিহাব উদ্দিন,  সদস্য সচিব মোতাহার হোসেন,  যুগ্ম আহবায়ক সেলিম উদ্দিন, মোজাহিদ মাষ্টার , দর্শনপাড়া ইউনিয়ন সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম, সাবেক চেয়ারম্যান রমজান আলী, দামকুড়া ইউনিয়ন বিএনপি’র সাবেক সাধারণ সম্পাদএনামুল হক, বিএনপি নেতা বদি, কৃষক দল সদস্য  দোস্তগীর রানা, পবা উপজেলা যুবদল সাবেক সিনিয়র যুগ্ম আহবায়ক তাইজুল, যুগ্ম আহবায়ক সোহেল রানা, জেলা ছাত্রদলের সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউর রহমান জনি, সাবেক সহ সাংগঠনিক সম্পাদক আজাবর রহমান শামীম, দর্শনপাড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি আরিফুল ইসলাম ও ছাত্রদল নেতা মুর্তজাসহ বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগি সংগঠনের নেতাকর্মীবৃন্দ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Deleted

কমেন্ট বক্স