ঢাকা

পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক শিগগিরই: ট্রাম্প

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
পুতিন-জেলেনস্কি বৈঠক শিগগিরই: ট্রাম্প

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভোলোদিমির জেলেনস্কির মধ্যে খুব শিগগিরই বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে বৈঠকের নির্দিষ্ট তারিখ, স্থান কিংবা আলোচনার বিস্তারিত বিষয়ে এখনো কোনো তথ্য জানাননি তিনি। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনের পর ইরানে আবারও বিমান হামলা চালানোর সম্ভাবনাও নাকচ করেননি ট্রাম্প।

বুধবার (২৮ অক্টোবর) নির্বাচনী প্রচারণা শেষে এয়ার ফোর্স ওয়ানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এ সময় তিনি রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত এবং ইরান পরিস্থিতি নিয়ে তাঁর প্রশাসনের কূটনৈতিক তৎপরতার কথাও তুলে ধরেন।

ট্রাম্প জানান, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান ঘটানোর প্রচেষ্টায় অগ্রগতি হচ্ছে বলে তিনি মনে করেন। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও ও বিশেষ দূত স্টিভ উইটকফের সঙ্গে তাঁর আলোচনা হয়েছে। সম্ভাব্য বৈঠকে কারা অংশ নেবেন, জানতে চাইলে তিনি পুতিন ও জেলেনস্কির নাম উল্লেখ করেন। তবে দুই নেতার মধ্যে সরাসরি বৈঠক আয়োজনের বিষয়ে কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়নি।

২০২২ সালে রাশিয়ার পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর পর থেকে মস্কো ও কিয়েভের মধ্যে যুদ্ধ বন্ধে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় আবুধাবি ও জেনেভায় একাধিক দফায় শান্তি আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়েছে। তবে যুদ্ধের অবসান এবং দুই দেশের মধ্যে গ্রহণযোগ্য সমঝোতা প্রতিষ্ঠার প্রশ্ন এখনো বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে।

এদিকে ইরান প্রসঙ্গেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখোমুখি হন ট্রাম্প। তাঁর দাবি, তেহরান যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে একটি চুক্তিতে পৌঁছাতে আগ্রহী। তবে আলোচনার সময়সূচি এবং সম্ভাব্য চুক্তির বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি তিনি। ইরানের সঙ্গে বিরোধের অবসান কখন ঘটাতে চান, সে বিষয়েও প্রশ্ন তোলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

আগামী ৩ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা উল্লেখ করে নির্বাচনের পর ইরানে নতুন করে মার্কিন বিমান হামলা চালানো হবে কি না, জানতে চান সাংবাদিকেরা। জবাবে ট্রাম্প বলেন, যেকোনো কিছুই সম্ভব। তবে এ বিষয়ে নির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রকাশ করতে রাজি হননি তিনি।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের অবসান এবং ইরানের সঙ্গে বিরোধ নিরসন—দুটি বিষয়ই বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্রনীতির গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু। পুতিন ও জেলেনস্কির সম্ভাব্য বৈঠক বাস্তবে অনুষ্ঠিত হলে তা শান্তি আলোচনায় নতুন গতি আনতে পারে। তবে বৈঠকের সময়সূচি, আলোচ্যসূচি এবং যুদ্ধ বন্ধে দুই পক্ষের অবস্থান স্পষ্ট না হওয়া পর্যন্ত এর সম্ভাব্য ফলাফল সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স