ঢাকা

বাবার পুরোনো ছবি ঘিরে আলোচনায় জয়

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
বাবার পুরোনো ছবি ঘিরে আলোচনায় জয়

জনপ্রিয় অভিনেতা ও উপস্থাপক শাহরিয়ার নাজিম জয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রয়াত বাবার একটি পুরোনো ছবি শেয়ার করে স্মৃতিচারণ করেছেন। ছবিতে তাঁর বাবার সঙ্গে দেখা গেছে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমকে। ব্যক্তিগত স্মৃতির কথা তুলে ধরে দেওয়া জয়ের এই পোস্ট ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শুরু হয়েছে আলোচনা ও হাস্যরসাত্মক মন্তব্য।

মঙ্গলবার (২৭ অক্টোবর) প্রকাশিত পোস্টে জয় জানান, তাঁর বাবা একসময় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) প্রধান প্রকৌশলী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। সে সময় হাফিজ উদ্দিন আহমদ পরিবেশ ও বনমন্ত্রী ছিলেন। সরকারি সফরের অংশ হিসেবে তাঁরা একসঙ্গে নেদারল্যান্ডস ও লন্ডনে প্রায় দুই সপ্তাহ কাটিয়েছিলেন। ওই সফরে মন্ত্রীর একমাত্র সফরসঙ্গী ছিলেন জয়ের বাবা বলে উল্লেখ করেন তিনি।

বাবার স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে জয় জানান, ছোটবেলায় বাবার কাছ থেকে ওই মন্ত্রীর সম্পর্কে অনেক প্রশংসার কথা শুনেছিলেন। তাঁর বাবা মারা গেছেন ছয় বছর আগে। অন্যদিকে, সেই সময়ের মন্ত্রী এখন জাতীয় সংসদের স্পিকারের দায়িত্ব পালন করছেন। সময়ের পরিবর্তনে মানুষের অবস্থান বদলে গেলেও পুরোনো স্মৃতি যে মনের মধ্যে থেকে যায়, তা-ই তুলে ধরেছেন অভিনেতা।

জয়ের বক্তব্যে উঠে এসেছে, বড় পরিসরে দায়িত্ব পালন করা মানুষের জীবনে অনেকেই আসেন এবং চলে যান। তাঁদের সবার কথা মনে রাখা সম্ভব না হলেও কাছের মানুষের স্মৃতি অন্যদের কাছে মূল্যবান হয়ে থাকে। তাই স্পিকার তাঁর বাবাকে মনে রেখেছেন কি না, তা নিয়ে কোনো প্রত্যাশা নেই বলেও ইঙ্গিত দিয়েছেন তিনি।

পোস্টটি প্রকাশের পর মন্তব্যের ঘরে নেটিজেনদের নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। কেউ জয়ের স্মৃতিচারণকে আবেগঘন বলে উল্লেখ করেছেন, আবার কেউ ‘জমি পাওয়া’ নিয়ে রসিকতা করেছেন। একজন মন্তব্য করেন, ‘এবার জমি পাবে নিশ্চিত।’ আরেকজন জানতে চান, কত কাঠা জমি প্রয়োজন।

তবে জয়ের মূল পোস্টে জমি চাওয়া বা এ ধরনের কোনো দাবি ছিল না। বিষয়টি ছিল মূলত তাঁর বাবার সঙ্গে স্পিকারের পুরোনো পরিচয় এবং সেই সময়ের স্মৃতি ঘিরে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবিটি শেয়ার করার পর নেটিজেনদের রসিক মন্তব্য থেকেই জমি প্রসঙ্গটি আলোচনায় আসে।

নিজের পোস্টটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে দেওয়া হয়নি বলেও স্পষ্ট করেছেন জয়। তাঁর এই স্মৃতিচারণে একদিকে যেমন উঠে এসেছে প্রয়াত বাবার প্রতি ভালোবাসা, অন্যদিকে তেমনি ফুটে উঠেছে সময়ের সঙ্গে মানুষের অবস্থান বদলে যাওয়া এবং ব্যক্তিগত স্মৃতির স্থায়ী হয়ে থাকার বিষয়টি।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স