ঢাকা

গাজায় ত্রাণ নিতে গিয়ে ৬ শতাধিক নিহত: জাতিসংঘ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ছবি:  সংগৃহীত ছবি: সংগৃহীত

অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের সাম্প্রতিক বিমান ও স্থল হামলায় আরও অন্তত ৩৫ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ জুলাই) সকালে চালানো বিমান হামলায় ১৫ জন প্রাণ হারান। এছাড়া, সহায়তার জন্য অপেক্ষারত অবস্থায় গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান আরও ২০ জন। নিহতদের মরদেহ গাজার একটি হাসপাতালের মর্গ থেকে গ্রহণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে নাসের হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

নিহতদের মধ্যে রয়েছেন অন্তত আটজন নারী ও একজন শিশু। হাসপাতাল জানিয়েছে, গুলিতে নিহতদের মধ্যে দুইজন মারা গেছেন রাফাহ এলাকায় সহায়তা বিতরণকেন্দ্রে, বাকিরা প্রাণ হারিয়েছেন গাজার দক্ষিণাঞ্চলে, যেখানে তাঁরা একটি ট্রাকের কাছে সাহায্য নিতে জড়ো হয়েছিলেন।

এদিকে জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তর জানিয়েছে, গাজায় মানবিক সহায়তা কনভয় ও বিতরণকেন্দ্রের কাছে অন্তত ৬১৩ জন নিহত হয়েছেন। বিতরণকেন্দ্রগুলো পরিচালনা করছিল যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল-সমর্থিত সংস্থা ‘জিএইচএফ’, যা চলতি বছরের মে মাসের শেষ দিকে কার্যক্রম শুরু করে।

জাতিসংঘের মানবাধিকার দপ্তরের মুখপাত্র রাভিনা শামদাসানি বলেন, কারা এসব হামলার জন্য দায়ী তা এখনই নির্দিষ্ট করে বলা যাচ্ছে না। তবে তিনি জানান, প্রাপ্ত তথ্য থেকে বোঝা যাচ্ছে, ইসরায়েলি সেনাবাহিনী সহায়তা নিতে আসা ফিলিস্তিনিদের ওপর গোলাবর্ষণ ও গুলিবর্ষণ করেছে।

এই বিষয়ে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। তবে বাহিনীটি নিশ্চিত করেছে, গাজার উত্তরে তাদের একজন সেনা নিহত হয়েছেন এবং এই ঘটনায় তদন্ত চলছে। চলমান যুদ্ধে এ পর্যন্ত ইসরায়েলি বাহিনীর ৮৬০ জনের বেশি সেনা নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে ৪০০-এর বেশি প্রাণ হারিয়েছেন গাজার স্থলযুদ্ধে।

এদিকে যুদ্ধ বন্ধে নতুন কূটনৈতিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। হামাস জানিয়েছে, মিসর ও কাতারের মধ্যস্থতায় একটি যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নিয়ে তারা অন্যান্য ফিলিস্তিনি গোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনা করছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি জানিয়েছেন, ইসরায়েল ৬০ দিনের একটি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তিনি হামাসকে দ্রুত এ প্রস্তাব গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন, অন্যথায় পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন। সূত্র: এপি, ইউএনবি


নিউজটি আপডেট করেছেন : Deleted

কমেন্ট বক্স