চট্টগ্রাম
প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়
(চুয়েট) ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের
স্নাতক প্রথম বর্ষের তৃতীয় পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রমের সময়সূচি প্রকাশ করেছে। আগামী ৮ এপ্রিল (বুধবার) থেকে এই পর্যায়ের
ভর্তিপ্রক্রিয়া শুরু হবে। বুধবার
(১১ মার্চ ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি–সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ
তথ্য জানানো হয়।
কারা
অংশ নিতে পারবেন
বিজ্ঞপ্তিতে
জানানো হয়েছে, নির্ধারিত মেধাক্রমে থাকা প্রার্থীদের সনদপত্র
যাচাই ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা ৮ এপ্রিল সকাল
সাড়ে ৯টা থেকে বেলা
সাড়ে ৩টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের
কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হবে। এ ধাপে
ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগসমূহ এবং নগর ও
অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে মূল মেধাক্রমে ২৫০১
থেকে ৩০০০ পর্যন্ত অবস্থানকারী শিক্ষার্থীদের ডাকা হয়েছে।
ভর্তি–সংক্রান্ত সব নির্দেশনা ও
ফরম পাওয়া যাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের নির্ধারিত
ওয়েবসাইটে
(https://admissioncuet.ac.bd) প্রার্থীদের
সেখানে লগইন করে পূর্বে
পূরণকৃত অনলাইন চয়েজ ফরম এবং
ড্যাশবোর্ডে নির্দেশিত অন্যান্য ফরম ডাউনলোড করে
পূরণপূর্বক প্রিন্ট কপি সঙ্গে আনতে
হবে। তবে কেউ আগে
অনলাইন চয়েজ ফরম পূরণ
না করে থাকলে, ভর্তির
দিন তা পূরণের সুযোগ
দেওয়া হবে।
নিরীক্ষা
বোর্ড কর্তৃক সনদপত্র যাচাই শেষে স্বাস্থ্য পরীক্ষা
সম্পন্ন করা হবে।
ফি
জমা ও প্রক্রিয়া
পরদিন
৯ এপ্রিল সকালে প্রাপ্ত বিভাগ অনুযায়ী নির্ধারিত ভর্তি ফি ১৮ হাজার ৫০০ টাকা সোনালী ব্যাংক, চুয়েট শাখায় বেলা ৩টার মধ্যে
জমা দিতে হবে। তবে
স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্নের পর একই দিনে
কর্তৃপক্ষের অনুমোদনক্রমে ফি জমার সুযোগও
রাখা হয়েছে।
প্রয়োজনীয়
কাগজপত্র
প্রার্থীদের
যেসব মূল কাগজপত্র সঙ্গে
আনতে হবে—
- মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও ট্রান্সক্রিপ্ট
- উচ্চ মাধ্যমিক বা সমমানের পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ডের মূলকপি ও ট্রান্সক্রিপ্ট
- শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রধান কর্তৃক প্রদত্ত প্রশংসাপত্রের মূল কপি
- সদ্য তোলা (অনধিক তিন মাস) দুই কপি পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি
- হল প্রত্যবেক্ষকের স্বাক্ষরযুক্ত ভর্তি পরীক্ষার প্রবেশপত্র
সংরক্ষিত
আসনে ভর্তিচ্ছু রাখাইন সম্প্রদায় ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর
(উপজাতি) প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্থায়ী বাসিন্দা ও উপজাতীয়তার প্রমাণ
হিসেবে জেলা প্রশাসক/পৌরসভা/জেলা পরিষদ/ইউনিয়ন
পরিষদ চেয়ারম্যান এবং উপজাতীয় মোড়ল
কর্তৃক প্রদত্ত দুটি মূল সনদ
দাখিল করতে হবে। পাশাপাশি
সংশ্লিষ্ট কলেজের অধ্যক্ষ কর্তৃক ইস্যুকৃত উপজাতীয়তার প্রমাণপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) জমা দিতে হবে।
স্বাস্থ্য
পরীক্ষার সময় প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে
স্বীকৃত ডায়াগনস্টিক সেন্টার থেকে প্রাপ্ত রক্তের
গ্রুপ পরীক্ষার রিপোর্ট সঙ্গে আনতে হবে। চশমা
ব্যবহারকারীদের চশমা সঙ্গে রাখতে
বলা হয়েছে।
শূন্য
আসন ও পরবর্তী ধাপ
তৃতীয়
পর্যায়ের ভর্তি শেষে ভর্তিকৃত শিক্ষার্থীদের
প্রাপ্ত বিভাগ, মোট শূন্য আসনের
সংখ্যা (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) এবং পরবর্তী ভর্তির
জন্য নির্বাচিতদের তালিকা ১২ এপ্রিলের মধ্যে ভর্তি–সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হবে। আসন
খালি থাকা সাপেক্ষে ওরিয়েন্টেশনের
দিন পর্যন্ত ভর্তি কার্যক্রম চলমান থাকবে।
ভর্তি
বাতিলের কারণে কোনো আসন শূন্য
হলে প্রার্থীর মেধাস্থান ও পছন্দক্রম অনুসারে
অটো মাইগ্রেশন প্রক্রিয়া চালু থাকবে।
উল্লেখ্য,
এর আগে গত ২৩
জানুয়ারি ভর্তি পরীক্ষার মেধাতালিকা প্রকাশ করা হয় এবং
১০ মার্চ দ্বিতীয় পর্যায়ের ভর্তি কার্যক্রম শুরু হয়। দ্বিতীয়
পর্যায়ের ভর্তি শেষে মোট ৯২০টি
আসনের মধ্যে ১৩৩টি আসন এখনো শূন্য, যা মোট আসনের
প্রায় ১৫ শতাংশ। বিশ্ববিদ্যালয়
কর্তৃপক্ষ আশা করছে, তৃতীয়
পর্যায়ের মাধ্যমে এসব শূন্য আসনের
বড় অংশ পূরণ হবে।