ঢাকা

এইচএসসি পাসে প্রশিক্ষণ ও ভাতা, ফ্রিল্যান্সিং শেখার নতুন সুযোগ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
দেশের শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী তরুণ-তরুণীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে নতুন করে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আবেদন শুরু হয়েছে। যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর পরিচালিত ‘শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি (১ম সংশোধিত)’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।

প্রশিক্ষণ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। দেশের আটটি বিভাগের ৬৪ জেলার কর্মপ্রত্যাশী যুবক ও যুব নারীরা এ প্রশিক্ষণে অংশ নিতে আবেদন করতে পারবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, প্রশিক্ষণটি হবে তিন মাস মেয়াদি এবং মোট ৬০০ ঘণ্টাব্যাপী। প্রতিদিন আট ঘণ্টা করে প্রশিক্ষণ পরিচালিত হবে। আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে শুরু হয়ে ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত এ কার্যক্রম চলবে।

আবেদন করতে যা লাগবে

আবেদনকারীদের কমপক্ষে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হবে। পাশাপাশি বয়সসীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ থেকে ৩৫ বছর।

প্রশিক্ষণার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে যেসব প্রার্থীর আইসিটি বা কম্পিউটার বিষয়ে প্রাথমিক ধারণা রয়েছে এবং ইংরেজিতে ভালো দক্ষতা আছে, তাঁদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

আবেদন করার শেষ সময়

অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে এবং আগামী ১৫ জুন ২০২৬ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত আবেদন করা যাবে।

সফলভাবে আবেদন সম্পন্ন করার পর আবেদনপত্রের কপি ডাউনলোড করে সংরক্ষণ করতে হবে। বৈধ আবেদনকারীদের মোবাইল ফোনে এসএমএসের মাধ্যমে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার তারিখ, সময় এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জানানো হবে।

লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা

প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত আবেদনকারীদের লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২০ জুন ২০২৬ (শনিবার)। এরপর ২১ জুন ২০২৬ (রোববার) অনুষ্ঠিত হবে মৌখিক পরীক্ষা।

পরীক্ষার স্থান ও সময়সূচি এসএমএসের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীদের তালিকা আগামী ২৪ জুন ২০২৬ প্রকাশ করা হবে এবং নির্বাচিতদের মোবাইল ফোনেও তথ্য পাঠানো হবে।

প্রশিক্ষণে যা যা সুবিধা মিলবে

এই প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণের জন্য কোনো ধরনের ভর্তি ফি বা কোর্স ফি দিতে হবে না। নির্বাচিত প্রশিক্ষণার্থীরা প্রতিদিন ২০০ টাকা হারে যাতায়াত ভাতা পাবেন।

এ ছাড়া প্রশিক্ষণ চলাকালে সকালের নাশতা, দুপুরের খাবার ও বিকেলের নাশতার ব্যবস্থাও থাকবে। কোর্স শেষে সফলভাবে উত্তীর্ণদের সনদপত্র প্রদান করা হবে।

কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির উদ্যোগ

যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়–এর অধীন এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো তরুণদের ফ্রিল্যান্সিং ও ডিজিটাল দক্ষতায় প্রশিক্ষিত করে আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি করা। বিশেষ করে বৈশ্বিক ফ্রিল্যান্সিং বাজারে বাংলাদেশের তরুণদের অংশগ্রহণ বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

প্রকল্পসংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, তথ্যপ্রযুক্তিনির্ভর দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে দেশের তরুণরা শুধু দেশীয় চাকরির বাজারেই নয়, আন্তর্জাতিক অনলাইন মার্কেটপ্লেসেও নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে পারবেন।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স