ঢাকা

স্বাধীন গণমাধ্যমে বিনিয়োগ সমাজের জন্য বহুগুণ লাভজনক: ডয়চে ভেলের প্রধান

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং


স্বাধীন ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতায় বিনিয়োগ কেবল গণমাধ্যম খাতের উন্নয়ন নয়, বরং একটি দেশের নিরাপত্তা, সুশাসন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ খাতে ব্যয় করা প্রতি এক ডলার সমাজকে ১০০ ডলারেরও বেশি সুবিধা এনে দিতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন ডয়চে ভেলের মহাপরিচালক বারবারা মাসিং।

মঙ্গলবার জার্মানির বন শহরে আয়োজিত ‘ডিডব্লিউ গ্লোবাল মিডিয়া ফোরাম ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এ কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বিশ্বের শতাধিক দেশের সাংবাদিক, সম্পাদক, গবেষক ও গণমাধ্যমসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা অংশ নেন। আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিল সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা, সাংবাদিকতার ভবিষ্যৎ এবং বর্তমান সময়ের বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ।

বারবারা মাসিং জানান, ডিডব্লিউ একাডেমি, ইন্টারন্যাশনাল ফান্ড ফর পাবলিক ইন্টারেস্ট মিডিয়া এবং ইউনেসকোর যৌথ উদ্যোগে প্রকাশিত ‘দ্য ভ্যালু অব জার্নালিজম’ শীর্ষক গবেষণা প্রতিবেদনে সাংবাদিকতার ইতিবাচক প্রভাবের নানা তথ্য উঠে এসেছে।

তার ভাষ্য অনুযায়ী, স্বাধীন সাংবাদিকতা দুর্নীতি কমাতে, অপচয় ও অর্থ আত্মসাৎ রোধে এবং সরকারি সেবার মানোন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। ফলে এ খাতে বিনিয়োগের সুফল সমাজে বহুগুণে ফিরে আসে। অন্যদিকে ভুয়া তথ্য ও অপতথ্যের বিস্তার বৈশ্বিক অর্থনীতিকে প্রতিবছর শত শত বিলিয়ন ডলারের ক্ষতির মুখে ঠেলে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, সংবাদমাধ্যম ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতা কোনো অতিরিক্ত সুবিধা নয়; বরং গণতান্ত্রিক ও মুক্ত সমাজের অন্যতম ভিত্তি। তাই সাহসী ও দায়িত্বশীল সাংবাদিকতাকে প্রতিনিয়ত শক্তিশালী করতে হবে এবং জনস্বার্থে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।

গ্লোবাল মিডিয়া ফোরামের গুরুত্ব তুলে ধরে ডয়চে ভেলের প্রধান বলেন, এই প্ল্যাটফর্মে সাংবাদিক, নীতিনির্ধারক ও নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা একত্রিত হয়ে শুধু সমস্যার বিশ্লেষণই করেন না, সম্ভাব্য সমাধানের পথও খোঁজেন। তার মতে, সাহস ছাড়া সাংবাদিকতা তার কার্যকারিতা হারায়, আর নির্ভীক সাংবাদিকতাই সমাজকে সঠিক পথে এগিয়ে নিতে সহায়তা করে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স