ঢাকা

আওয়ামী লীগকে দেশে ফেরানোর পথ তৈরি করছে সরকার: জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং

বিরোধী দলের আন্দোলন উপেক্ষা করে সরকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর দাবি, সরকার নিজেদের দলীয়করণ, ব্যর্থতা ও দুর্নীতি আড়াল করতে বিরোধী দলের ওপর দায় চাপাচ্ছে। এভাবে সরকার নিজেরাই আওয়ামী লীগকে রাজনীতিতে ফিরে আসার পথ তৈরি করছে। একই সঙ্গে সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় বরাদ্দের বৈষম্য, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার এবং মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাম্প্রতিক বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

সরকারের সমালোচনা করে জামায়াতের এই নেতা বলেন, বর্তমান সরকার রাষ্ট্র, সরকার ও সরকারি দল—এই তিনটি বিষয়কে এক করে দেখছে। ফলে বিরোধী দল সরকারের কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করলে সেটিকে রাষ্ট্রের বিরোধিতা হিসেবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তাঁর মতে, একদলীয় কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার প্রবণতা দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে।

গোলাম পরওয়ারের অভিযোগ, সরকার নিজেদের দলীয়করণ, ব্যর্থতা ও দুর্নীতি আড়াল করতে বিরোধী দলকে দায়ী করছে। বিরোধী দলকে ফ্যাসিবাদ ফিরে আসার পথ তৈরি করার জন্য অভিযুক্ত করা হলেও বাস্তবে সরকারের কর্মকাণ্ডই সে ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি করছে বলে দাবি করেন তিনি।

তিনি বলেন, বিরোধী দল ফ্যাসিবাদকে ফিরে আসার সুযোগ করে দিচ্ছে না; বরং তাদের আন্দোলন ও বক্তব্য উপেক্ষা করে সরকার অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরি করছে। তাঁর ভাষায়, ‘এই পথ দিয়ে তারাই ইচ্ছা করে আওয়ামী লীগকে ঢোকার পথ করে দিচ্ছে।’

গত কয়েক মাসে তিনজন মন্ত্রী ও একজন সংসদ সদস্যের বিদায় নেওয়ার প্রসঙ্গ টেনে গোলাম পরওয়ার বলেন, এসব ঘটনায় সরকারের মধ্যে একধরনের অস্থিরতা কাজ করছে।

সংসদ সদস্যদের বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ

সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের নির্বাচনী এলাকায় উন্নয়ন বরাদ্দের ক্ষেত্রে বৈষম্য করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

তিনি বলেন, গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে বিএনপির সংসদ সদস্যরা কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছেন। এ নিয়ে বিরোধী দল কথা বললে অন্য কোনো খাত থেকে সামান্য বরাদ্দ দেওয়া হয়।

বিষয়টি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি শিশুদের কান্না থামাতে চকলেট দেওয়ার উদাহরণ টানেন। তাঁর অভিযোগ, বিরোধী দলকে সামান্য বরাদ্দ দিয়ে সন্তুষ্ট রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে, অথচ সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা বড় অঙ্কের বরাদ্দ পাচ্ছেন।

তবে কোন খাতে কত বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে এবং সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে বরাদ্দের পার্থক্য কত—সে বিষয়ে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত পরিসংখ্যান তুলে ধরেননি তিনি।

‘জুলাইকে ধারণ করে বলেই আন্দোলন করছি’

বিরোধী দল জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে না—প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এমন বক্তব্যের সমালোচনা করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর মতে, জামায়াতে ইসলামীসহ ১১-দলীয় জোট জুলাইয়ের চেতনা ধারণ করে বলেই জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করছে।

তিনি বলেন, বিএনপি জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করে না বলেই গণভোটকে অস্বীকার করছে। এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে ‘হাস্যকর’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জুলাই স্মৃতিস্তম্ভের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিরোধীদলীয় নেতাকে আমন্ত্রণ জানানো হলেও তিনি উপস্থিত হননি—প্রধানমন্ত্রীর এমন অভিযোগের জবাবও দেন গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, বিরোধীদলীয় নেতার কাছে আমন্ত্রণপত্র পাঠানো হলেও সেই কার্ডে কিংবা অতিথিদের তালিকায় তাঁর নাম ছিল না। এমন পরিস্থিতিতে তিনি সেখানে গিয়ে সাধারণ দর্শকের আসনে বসবেন কি না, সে প্রশ্ন তোলেন জামায়াতের এই নেতা।

গোলাম পরওয়ারের বক্তব্য, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রশ্নে বিরোধী দলের অবস্থানকে যথাযথভাবে বিবেচনা করা হচ্ছে না। তাঁর দাবি, জনগণের রায় কার্যকর করার জন্যই তাঁরা আন্দোলন করছেন।

সংবিধান সংস্কারে বিরোধী দলের অবস্থান

সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রে বিরোধী দল সহযোগিতা করছে না—স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের এমন বক্তব্যেরও সমালোচনা করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, সংবিধান সংশোধনে বিরোধী দলের সহযোগিতা প্রয়োজন কেন, যখন গণভোটের মাধ্যমে জনগণ জুলাই সনদের পক্ষে রায় দিয়েছে? তাঁর দাবি, সংবিধান সংস্কার পরিষদের মাধ্যমে গণভোটের রায় কার্যকর করার উদ্যোগ নেওয়া হলে বিরোধী দল সব ধরনের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।

তবে জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে একদলীয় কমিটি গঠন করে সংস্কার কার্যক্রম পরিচালনা করা হলে তাতে বিরোধী দল সহযোগিতা করবে না বলে জানান তিনি।

গোলাম পরওয়ারের মতে, সংবিধান সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত ও জনগণের প্রত্যাশাকে গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন। অন্যথায় সংস্কার কার্যক্রম নিয়ে রাজনৈতিক বিরোধ আরও বাড়তে পারে।

‘ফ্যাসিস্ট চিনতে হলে কর্মীদের কাছে ফিরতে হবে’

গত রোববার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী ফ্যাসিবাদের পথ কী, তা জামায়াতে ইসলামীর আমিরের কাছে জানতে চেয়েছিলেন। সংবাদ সম্মেলনে এ প্রসঙ্গেও কথা বলেন গোলাম পরওয়ার।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আওয়ামী লীগের শাসনামলের অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে ফ্যাসিবাদকে চিনেছে। তাঁর অভিযোগ, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অল্প সময়ের মধ্যেই ফ্যাসিবাদের বৈশিষ্ট্য ভুলে গেছেন। ফ্যাসিবাদ চিনতে হলে তাঁকে নিজের দলের কর্মীদের কাছে ফিরে যেতে হবে; তাঁরা ফ্যাসিবাদের কাজ ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলতে পারবেন।

চাঁদাবাজি, ধ্বংস, খুন ও লুণ্ঠনকে ফ্যাসিবাদের পথ হিসেবে উল্লেখ করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল। তাঁর অভিযোগ, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় প্রশাসনের বিভিন্ন পদে দলীয় লোক নিয়োগ এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে জনগণের রায় উপেক্ষা করার প্রবণতা ছিল। বিএনপিও এখন একই পথে হাঁটছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

এ সময় তিনি বর্তমান সরকারের কর্মকাণ্ডের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের অতীত কর্মকাণ্ডের তুলনা টেনে নিজের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরেন।

আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটের অভিযোগ নাকচ

১৯৯৪–৯৫ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলনের সময় জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগের সঙ্গে একই পথে হেঁটেছিল—বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিবের এমন বক্তব্যেরও জবাব দেন গোলাম পরওয়ার।

তিনি দাবি করেন, জামায়াতে ইসলামী কখনো আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোট করেনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, তৎকালীন বিএনপি সরকার তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থার দাবি মেনে নিতে না চাইলে আওয়ামী লীগ, জাতীয় পার্টি, বাম দলসহ বিভিন্ন বিরোধী দল একটি লিয়াজোঁ কমিটি গঠন করে। ওই কমিটির সম্মিলিত কর্মসূচিতে জামায়াতে ইসলামীও অংশ নিয়েছিল।

গোলাম পরওয়ার বলেন, লিয়াজোঁ কমিটিতে অংশ নেওয়া আর রাজনৈতিক জোট গঠন করা এক বিষয় নয়। তাঁর দাবি, বিএনপির তৎকালীন অবস্থানের কারণেই দলটি পরবর্তী সময়ে ক্ষমতায় আসতে পারেনি। জামায়াতে ইসলামী আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় এনেছিল—এমন বক্তব্য সঠিক নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

মাহফিল বন্ধের অভিযোগ, সরকারের প্রতি আহ্বান

জামায়াতে ইসলামীর কুষ্টিয়ার সংসদ সদস্য আমির হামজার ধর্মীয় মাহফিল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর দাবি, এসব মাহফিলে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগম হয়। তা ঠেকাতে না পেরে সরকার প্রশাসনিক ক্ষমতা ব্যবহার করে মাহফিল বন্ধ করে দিচ্ছে।

এ প্রসঙ্গে তিনি বিএনপির প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে বলেন, বিএনপি চাইলে কোরআনের তাফসির ও ওয়াজ মাহফিলের আয়োজন করতে পারে। তখন দেখা যাবে, কার মাহফিলে কত মানুষ অংশ নেন।

গোলাম পরওয়ার সরকারের প্রতি এ ধরনের পদক্ষেপ থেকে সরে আসার আহ্বান জানান। তাঁর বক্তব্য, ধর্মীয় অনুষ্ঠান আয়োজনের ক্ষেত্রে প্রশাসনিক ক্ষমতার ব্যবহার নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে, তা রাজনৈতিক ও সামাজিক পরিসরে বিতর্ক তৈরি করছে।

মাদ্রাসার পরিচালনা কমিটি ভেঙে দেওয়ার সমালোচনা

ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত আলিম, ফাজিল ও কামিল মাদ্রাসার গভর্নিং বডি ও ম্যানেজিং কমিটি এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে ভেঙে দেওয়ার সিদ্ধান্তেরও সমালোচনা করেন জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল।

তিনি অভিযোগ করেন, এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে মাদ্রাসা পরিচালনায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ সীমিত করে সরকারি পছন্দের ব্যক্তিদের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা হচ্ছে।

গোলাম পরওয়ারের দাবি, দেশের হাজার হাজার মাদ্রাসার পরিচালনা কাঠামোয় এ ধরনের পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাঁর মতে, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণমূলক প্রক্রিয়া বজায় রাখা জরুরি।

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড নিয়ে প্রশ্ন

সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার বাংলাদেশের কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

তিনি বলেন, সৌদি আরবে বাংলাদেশের হাইকমিশন বা দূতাবাস রয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বিচারের মুখোমুখি হওয়ার সময়ই বিষয়টি বাংলাদেশ সরকারের নজরে আসা উচিত ছিল। তাঁর অভিযোগ, এ ঘটনায় দূতাবাসের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ এবং আইনগত পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে ঘাটতি ছিল।

গোলাম পরওয়ারের মতে, বিদেশে কোনো বাংলাদেশি নাগরিক গুরুতর আইনি জটিলতায় পড়লে সংশ্লিষ্ট দূতাবাসের দায়িত্ব হচ্ছে বিষয়টি সম্পর্কে অবগত থাকা এবং প্রয়োজনীয় কূটনৈতিক ও আইনগত সহায়তার উদ্যোগ নেওয়া। তাঁর অভিযোগ, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়ার পর সরকার বিষয়টি নিয়ে সক্রিয় হয়েছে।

তিনি এ ঘটনাকে কূটনৈতিক ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেন। তবে সংশ্লিষ্ট দুই বাংলাদেশির মামলার পরিস্থিতি, দূতাবাসের পদক্ষেপ কিংবা সরকারের বক্তব্য সম্পর্কে সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরা হয়নি।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন যাঁরা

জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে দলের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল রফিকুল ইসলাম খান, আবদুল হালিম ও এহসানুল মাহবুব জুবায়ের উপস্থিত ছিলেন।

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য মোবারক হোসাইন ও মতিউর রহমান আকন্দ, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ জামায়াতের সেক্রেটারি ও সংসদ সদস্য শফিকুল ইসলাম মাসুদ, ঢাকা মহানগর উত্তরের সহকারী সেক্রেটারি মাহফুজুর রহমানসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতারা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

সংবাদ সম্মেলনে সংসদীয় বরাদ্দের বৈষম্য, জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সংবিধান সংস্কার, ধর্মীয় মাহফিল আয়োজন এবং সৌদি আরবে বাংলাদেশিদের মৃত্যুদণ্ডের ঘটনায় কূটনৈতিক ভূমিকা—বিভিন্ন বিষয়ে সরকারের সমালোচনা করেন মিয়া গোলাম পরওয়ার। তাঁর বক্তব্যে সরকারের নীতিগত সিদ্ধান্ত ও রাজনৈতিক অবস্থানের বিরুদ্ধে জামায়াতে ইসলামীর আপত্তি উঠে আসে।

তবে সংবাদ সম্মেলনে উত্থাপিত বিভিন্ন অভিযোগের বিষয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্য এ প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি। ফলে অভিযোগগুলোর সত্যতা ও সংশ্লিষ্ট বিষয়ে সরকারের অবস্থান জানতে পৃথকভাবে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য যাচাই করা প্রয়োজন।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স