ঢাকা

ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বইয়ে মুদ্রণপ্রমাদ, সংশোধনের জন্য ফেরত পাঠানোর নির্দেশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং

২০২৭ শিক্ষাবর্ষের মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ শ্রেণির ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ (আইসিটি) পাঠ্যপুস্তকে মুদ্রণজনিত ত্রুটি শনাক্ত হওয়ায় মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা বইগুলো সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফেরত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দিয়েছে।

এনসিটিবির চিঠির ভিত্তিতে জারি করা মাউশির নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ২০২৭ শিক্ষাবর্ষে মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ শ্রেণির জন্য সরবরাহ করা ‘তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি’ পাঠ্যপুস্তকটিতে মুদ্রণজনিত ত্রুটি রয়েছে। এ কারণে বইটি সংশোধন করা প্রয়োজন। ফলে ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে পাঠানো বইগুলো সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফেরত দিতে হবে।

এ বিষয়ে দেশের সব জেলা এবং উপজেলা ও থানা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে জরুরি ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে নির্দেশনা বাস্তবায়নের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে নির্ধারিত নমুনা ছক অনুযায়ী বই হস্তান্তর ও ফেরত নেওয়ার কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এর মাধ্যমে মাঠপর্যায়ে সরবরাহ করা বইগুলো ফেরত নেওয়ার প্রক্রিয়া তদারক করা হবে।

নিজ উদ্যোগে বই সংগ্রহ করবে মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান

এর আগে এনসিটিবির নির্দেশনায় বলা হয়, যেসব মুদ্রণ প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যে এনসিটিবির ওয়েব পোর্টালে তৈরি অনুমোদিত চালানের মাধ্যমে জেলা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসে ষষ্ঠ শ্রেণির আইসিটি বই সরবরাহ করেছে, সেসব প্রতিষ্ঠানকে নিজ উদ্যোগে বইগুলো সংগ্রহ করে সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানে ফিরিয়ে নিতে হবে।

এ ক্ষেত্রে জেলা, উপজেলা ও থানা শিক্ষা অফিসগুলোকে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে এনসিটিবি। অর্থাৎ, সরবরাহ করা বই ফেরত নেওয়ার দায়িত্ব সংশ্লিষ্ট মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর থাকলেও প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে স্থানীয় শিক্ষা অফিসগুলো সহযোগিতা করবে।

সংশোধিত বই সরবরাহের প্রস্তুতি

মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে পাঠ্যপুস্তক সংশোধনের এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে ত্রুটিটি বইয়ের কোন অংশে রয়েছে, কতসংখ্যক বই ফেরত নেওয়া হবে এবং সংশোধিত বই কবে নাগাদ পুনরায় সরবরাহ করা হবে—এসব বিষয়ে নির্দেশনায় বিস্তারিত তথ্য উল্লেখ করা হয়নি।

নতুন শিক্ষাবর্ষে শিক্ষার্থীদের হাতে নির্ভুল পাঠ্যপুস্তক পৌঁছে দেওয়া শিক্ষা কার্যক্রমের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এ কারণে সরবরাহ করা ত্রুটিপূর্ণ বই দ্রুত সংগ্রহ, প্রয়োজনীয় সংশোধন এবং পরবর্তী সময়ে সঠিক বই বিতরণের কার্যক্রম যথাযথভাবে সম্পন্ন করা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও মুদ্রণ প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

তথ্যসূত্র: বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস)।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স