ঢাকা

ট্রাম্পের নতুন বক্তব্য: ইরান সংঘাত শেষ হবে শিগগিরই

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সোমবার ফ্লোরিডার ডোরালে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে বলেছেন, ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক অভিযান “খুব শিগগিরই” শেষের দিকে এগোচ্ছে। তিনি দাবি করেছেন, চলমান যুদ্ধ তাদের পরিকল্পনার চেয়েও দ্রুতগতিতে লক্ষ্য অর্জনের পথে রয়েছে।

ট্রাম্পের এই মন্তব্যের কিছুক্ষণ আগে তিনি রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছেন। ট্রাম্প বলেন, পুতিন মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিরসনে “সহায়তা করতে” ইচ্ছুক।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সামরিক কার্যক্রম

ট্রাম্পের তথ্য অনুযায়ী, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই যুদ্ধের সময় যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনী ইরানজুড়ে প্রায় ৫ হাজার লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানেছে। তিনি বলেন, “আমরা প্রতিটি ড্রোন তৈরির আস্তানার অবস্থান চিহ্নিত করেছি এবং সেগুলো একটার পর একটা ধ্বংস করা হচ্ছে। দেশটির ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা বর্তমানে ১০ শতাংশ বা তারও নিচে নেমে এসেছে।”

এই বিবৃতিতে মার্কিন প্রশাসনের সামরিক অভিযানের তীব্রতা এবং পরিকল্পনাগত দক্ষতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, ইরানের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্রের মজুদ লক্ষ্য করে ধারাবাহিক হামলা চালানোর মাধ্যমে প্রতিরক্ষামূলক সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করেছে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েল জোট।

কৌশলগত প্রভাব

বিশ্লেষকেরা মনে করেন, ট্রাম্পের এই বক্তব্য কেবল সামরিক সাফল্যকে তুলে ধরার প্রচেষ্টা নয়; এটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে যুক্তরাষ্ট্রের রাজনৈতিক ও কৌশলগত অবস্থানকে শক্তিশালী করার একটি কৌশল। ইরানের ড্রোন উৎপাদন ও ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতার ওপর নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করে তারা কেবল যুদ্ধক্ষেত্রে আধিপত্য স্থাপন করেনি, বরং সম্ভাব্য ভবিষ্যত সংঘাতের সময় ইরানের প্রতিরোধক্ষমতাকে উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে এনেছে।

তবে, এই ধরনের সামরিক দাবি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ে নানা প্রশ্ন তোলে। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সবসময় পরিকল্পনা অনুযায়ী ফলাফল আসে না এবং সংঘাতের অবশিষ্ট প্রভাব ও রাজনৈতিক জটিলতা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স