ঢাকা

স্পিকারের প্রতিশ্রুতি: ইলিয়াস আলী নিঁখোজ হত্যাকাণ্ডের জন্য কেউ রেহাই পাবে না

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
জাতীয় সংসদে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সরকারের আমলে নিঁখোজ হওয়া বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী হত্যাকাণ্ড নিয়ে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, এই হত্যাকাণ্ড আনপানিশড যাবে না। এ বিষয়ে সংসদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা থাকবে বলে তিনি প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

ঘটনার প্রেক্ষাপট

গতকাল জাতীয় সংসদে সরকারি দলের হুইপ রুহুল কুদ্দুস তালুকদার (দুলু) পয়েন্ট অব অর্ডারে বলেন, ২০১২ সালের ১৭ থেকে ২০ মার্চের মধ্যে ইলিয়াস আলীকে বনানী থেকে তুলে র‍্যাব-১ সদর দপ্তরে নিয়ে হত্যা করে ধলেশ্বরী নদীতে ফেলা হয়েছে। হুইপের বক্তব্য অনুযায়ী, ইলিয়াস আলীর নিঁখোজ-হত্যা আন্তর্জাতিক মানবতাবিরোধী অপরাধের পর্যায়ে পড়ে।

রুহুল কুদ্দুস তালুকদার আরও উল্লেখ করেন, ইলিয়াস আলীর স্ত্রী ও শিশুসন্তান হত্যার আগের সময়ে শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করেছিলেন। তখন তাঁকে ফেরত পাঠানোর আশ্বাস দেওয়া হয়। হুইপ দাবি করেন, হত্যাকাণ্ডের নির্দেশের সঙ্গে শেখ হাসিনার প্রত্যক্ষ জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে।

স্পিকারের প্রতিক্রিয়া

স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, “বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও হৃদয়বিদারক। সারা দেশের নজর এই ঘটনার উপর। ইলিয়াস আলীর সহধর্মিণী সংসদে উপস্থিত আছেন এবং এ বিষয়ে নোটিশ দেওয়ার অনুরোধ করেছেন। সংসদ ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই ঘটনায় গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেবেন।”

তিনি আরও উল্লেখ করেন, “ইলিয়াস আলী আমাদের প্রিয় রাজনৈতিক নেতা ছিলেন। তার হত্যাকাণ্ড বিনা শাস্তিতে যাবে না। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সমমত প্রক্রিয়ার মতো এখানে অবশ্যই যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংসদে প্রাপ্ত প্রতিক্রিয়া

ইলিয়াস আলীর হত্যাকাণ্ডকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংক্রান্ত গুরুতর ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। স্পিকারের আহ্বানে সংশ্লিষ্ট সংসদ সদস্য তাহসিনা রুশদি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নিকট লিখিত নোটিশ প্রদানের মাধ্যমে পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারবেন।

সংসদে এ ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধ, নিঁখোজ ও হত্যাকাণ্ডের জন্য দায়িত্বশীলদের বিচারের আওতায় আনা, এবং রাজনৈতিক নেতা ও সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা দেশের সংবিধান ও মানবাধিকার রক্ষার জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স