ঢাকা

সংকট মোকাবিলায় বৈশ্বিক সমর্থন: ২ বিলিয়ন ডলারের অতিরিক্ত তহবিল পাচ্ছে বাংলাদেশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
১১ সদস্যের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল নিয়ে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছেন অর্থমন্ত্রী। সেখানে আইএমএফ-এর নির্বাহী পরিচালক উর্জিত প্যাটেল এবং বিশ্বব্যাংকের দক্ষিণ এশিয়া বিষয়ক ভাইস প্রেসিডেন্ট জন জুট-এর সঙ্গে তার ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

আলোচনার মূল বিষয় ও প্রাপ্তি
জরুরি তহবিল: প্রতিনিধিদলের সূত্র অনুযায়ী, সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী জুন মাসের মধ্যেই প্রায় ২ বিলিয়ন ডলারের এই বিশেষ সহায়তা বাংলাদেশের রিজার্ভে যোগ হতে পারে।

মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রভাব: অর্থমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে, বিশ্ব অর্থনীতিতে যুদ্ধের যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা মোকাবিলায় সংস্থা দুটি বাংলাদেশের পাশে দাঁড়াতে অত্যন্ত ইতিবাচক মনোভাব দেখিয়েছে।

বিদ্যমান ঋণের বাইরে বাড়তি প্রাপ্তি: আইএমএফ-এর বর্তমান ৫.৫ বিলিয়ন ডলারের ঋণ কর্মসূচির কিস্তি ছাড়ের পাশাপাশি, চলমান ফ্রেমওয়ার্কের আওতায় আরও বড় কোনো আর্থিক প্যাকেজ পাওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রীর পর্যবেক্ষণ ও আশাবাদ
বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশের অর্থনীতির চ্যালেঞ্জগুলো অকপটে স্বীকার করেন:

ঘাটতি পূরণ: “পুরো অর্থনীতিই এখন একটি চাপের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এর সঙ্গে ভ্যাট সংক্রান্ত জটিলতা ও যুদ্ধ পরিস্থিতি বাড়তি চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। তবে বিশ্বব্যাংক আমাদের সমস্যা সমাধানে একযোগে কাজ করতে সম্মত হয়েছে।”

সাফল্যের প্রত্যাশা: অর্থমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, এই অতিরিক্ত অর্থায়ন জুনের মধ্যে এবং আগামী বাজেটে বড় ধরণের স্বস্তি এনে দেবে। সামগ্রিক আলোচনাকে তিনি ‘অত্যন্ত সফল’ বলে অভিহিত করেছেন।

বৈশ্বিক প্রেক্ষিত ও বাংলাদেশের অবস্থান
উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য আইএমএফ ৫০ বিলিয়ন ডলার এবং বিশ্বব্যাংক ২৫ বিলিয়ন ডলারের যে বিশেষ জরুরি তহবিল ঘোষণা করেছে, বাংলাদেশ সেই তহবিলের একটি বড় অংশ পাওয়ার দাবিদার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে।

বিশ্লেষকদের মতে, এই অতিরিক্ত ২ বিলিয়ন ডলার দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালী করার পাশাপাশি আমদানি ব্যয় মেটাতে এবং আসন্ন জাতীয় বাজেটের ঘাটতি পূরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স