ঢাকা

প্রধানমন্ত্রীর শোকবার্তা ও আন্তর্জাতিক সংহতি: কোয়েটায় বোমা হামলা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তাঁর শোকবার্তায় বাংলাদেশ সরকার ও দেশের সর্বস্তরের জনগণের পক্ষ থেকে পাকিস্তানের শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আন্তরিক সহমর্মিতা প্রকাশ করেছেন। একই সাথে, হামলায় গুরুতর আহতদের দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য কামনা করেছেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী যেকোনো রূপ বা মাত্রার সন্ত্রাসবাদ ও সহিংসতার বিরুদ্ধে বাংলাদেশের 'জিরো টলারেন্স' বা শূন্য সহনশীলতা নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। এই কঠিন ও বেদনাদায়ক সময়ে পাকিস্তানের সাধারণ জনগণের পাশে থাকার এবং আন্তর্জাতিকভাবে শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে সংহতি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ।

কোয়েটা ট্রেন হামলার বিবরণ ও ক্ষয়ক্ষতি
স্থানীয় সূত্র ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, শনিবার পাকিস্তানের কোয়েটা সেনানিবাস স্টেশন থেকে 'জাফর এক্সপ্রেস' নামক একটি শাটল ট্রেন রওনা হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই এই ভয়াবহ বিস্ফোরণ ঘটে। স্থানীয় সময় সকাল আনুমানিক ৮টা ৫ মিনিটে প্ল্যাটফর্মে যাত্রীদের প্রচণ্ড ভিড়ের মধ্যে এই নাশকতামূলক হামলা চালানো হয়। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, এই শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৪ জনে। নিহতদের মধ্যে বেশ কয়েকজন নারী ও শিশু রয়েছে। এছাড়া অন্তত ৮২ জন গুরুতর আহত হয়ে স্থানীয় বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসবাদ প্রতিরোধ
বেলুচিস্তান অঞ্চলের এই রক্তক্ষয়ী হামলাটি পুরো অঞ্চলের নিরাপত্তা পরিস্থিতিকে আবারও প্রশ্নের মুখে ফেলেছে। আন্তর্জাতিক বিশ্লেষকদের মতে, জনাকীর্ণ রেলস্টেশন বা গণপরিবহনকে লক্ষ্য করে সাধারণ মানুষের ওপর এমন হামলা বিশ্বব্যাপী বেসামরিক সুরক্ষার জন্য একটি বড় হুমকি। বাংলাদেশ সরকার সবসময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনে যেকোনো ধরণের উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে জোরালো অবস্থান নিয়ে আসছে। এই ঘটনার পর পাকিস্তানের স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পুরো এলাকাকে কর্ডন করে চিরুনি অভিযান শুরু করেছে এবং দায়ীদের চিহ্নিত করার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স