ঢাকা

জাতীয় টেকাথনে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখলেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব টেকনোলজি (আইইউটি) রোবোটিকস সোসাইটির আয়োজিত দেশের অন্যতম প্রযুক্তিনির্ভর প্রতিযোগিতা ‘টেকাথন ন্যাশনালস অ্যান্ড রোভার সামিট ২০২৬’–এ উল্লেখযোগ্য সাফল্য অর্জন করেছেন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (সিএসই) বিভাগের শিক্ষার্থীরা। প্রতিযোগিতার দুটি গুরুত্বপূর্ণ বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য গৌরব বয়ে এনেছেন তারা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, প্রতিযোগিতার হ্যাকাথন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির ‘টুআর.জেএস’ (2R.JS) দল। দলের সদস্য ছিলেন ফেরদৌস হাসান রাহিদ, রুকাইয়া সুলতানা, জিহাদুল ইসলাম এবং সানজিদা ইসলাম। উদ্ভাবনী প্রযুক্তিগত সমাধান, সমস্যা বিশ্লেষণ, সফটওয়্যার উন্নয়ন দক্ষতা এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কার্যকর সমাধান উপস্থাপনের মাধ্যমে দলটি বিচারকদের সর্বোচ্চ মূল্যায়ন অর্জন করে।

অন্যদিকে, প্রতিযোগিতার পোস্টার প্রেজেন্টেশন বিভাগে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে ‘দ্য আউটলায়ার্স’ (The Outliers) দল। এ দলের সদস্যরা হলেন আবদুল্লাহ রহমান, সানজিদা ইসলাম এবং রুকাইয়া সুলতানা। গবেষণাভিত্তিক ধারণা, উদ্ভাবনী উপস্থাপনা এবং প্রযুক্তিগত বিষয়বস্তুর সুসংগঠিত বিশ্লেষণের জন্য তাদের প্রকল্পটি বিচারকদের প্রশংসা কুড়ায়।

একই প্রতিযোগিতায় দুটি বিভাগে শিরোপা অর্জনকে সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হিসেবে দেখছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তাদের মতে, এই সাফল্য শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, প্রযুক্তিগত দক্ষতা এবং গবেষণামুখী চিন্তাভাবনারই প্রতিফলন।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, এই অর্জন সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের মানসম্মত শিক্ষা, গবেষণাভিত্তিক পাঠদান এবং উদ্ভাবনমুখী শিক্ষার ধারাবাহিক সাফল্যের প্রতিফলন। শিক্ষার্থীদের বাস্তবমুখী প্রযুক্তিগত সমস্যা সমাধানে সক্ষম করে তুলতে বিভাগটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন গবেষণা, প্রকল্প ও উদ্ভাবনী কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে।

কর্তৃপক্ষ আরও আশা প্রকাশ করে, জাতীয় পর্যায়ের এ ধরনের প্রতিযোগিতায় ধারাবাহিক সাফল্য বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রযুক্তি শিক্ষা ও গবেষণার অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করবে। একই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের প্রতিযোগিতা, গবেষণা ও উদ্ভাবনী কর্মকাণ্ডে অংশগ্রহণের আগ্রহ বাড়াবে এবং ভবিষ্যতে আরও বড় অর্জনের পথ সুগম করবে।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এই সাফল্যের জন্য বিজয়ী শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়ে তাদের ভবিষ্যৎ শিক্ষা, গবেষণা ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনের পথে আরও সাফল্য কামনা করেছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স