ঢাকা

ছাত্রদলের নতুন কমিটি নিয়ে জোর আলোচনা, শেষ মুহূর্তে যাদের নাম সামনে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটিতে নতুন নেতৃত্ব আসছে শিগগিরই। দুই বছর মেয়াদি বর্তমান কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুন নেতৃত্ব ঘোষণার প্রক্রিয়া এখন শেষ পর্যায়ে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা ইতিমধ্যে ছোট করে আনা হয়েছে। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের যাচাই-বাছাই শেষে যেকোনো সময় নতুন কমিটি ঘোষণা হতে পারে। শুরুতে পাঁচ সদস্যের শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করার প্রস্তুতি রয়েছে বলেও জানা গেছে।

বিএনপির একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠনের পুরো প্রক্রিয়া তত্ত্বাবধান করছেন বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রদলের সভাপতি রাকিবুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীনসহ সংগঠনের শীর্ষ নেতারা তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। বিদায়ী নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাতের পাশাপাশি ভবিষ্যৎ নেতৃত্বে কারা আসতে পারেন, সে বিষয়েও তাঁদের মতামত নেওয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এবারের নেতৃত্ব নির্বাচনের অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সম্ভাব্য প্রার্থীদের অনেককেই বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব ব্যক্তিগতভাবে চেনেন। ফলে অতীতের মতো কোনো নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বা ‘সিন্ডিকেট’ নেতৃত্ব নির্বাচনে বড় ধরনের প্রভাব বিস্তার করার সুযোগ কম বলে মনে করছেন তাঁরা। একই সঙ্গে গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর পরিবর্তিত রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় নিয়েই নতুন নেতৃত্ব নির্ধারণ করা হবে।

শীর্ষ নেতৃত্বে কারা আসছেন

ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদগুলোতে কেন্দ্রীয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অন্তত ১৫ জন নেতার নাম বেশি আলোচনায় রয়েছে। সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন কেন্দ্রীয় কমিটির দুই নম্বর সহসভাপতি এ বি এম ইজাজুল কবির (রুয়েল), সহসভাপতি মনজুরুল আলম (রিয়াদ), সাংগঠনিক সম্পাদক আমান উল্লাহ আমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মমিনুল ইসলাম (জিসান), ইব্রাহিম খলিল ও রাজু আহমেদ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি গণেশ চন্দ্র রায় সাহস, সাধারণ সম্পাদক নাহিদুজ্জামান শিপন, এক নম্বর সহসভাপতি আনিসুর রহমান খন্দকার (অনিক), জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন (শাওন) এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খানের নামও শীর্ষ নেতৃত্বের আলোচনায় রয়েছে।

এর বাইরে কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি খোরশেদ আলম (সোহেল), এইচ এম আবু জাফর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক তরিকুল ইসলাম (তারিক), আবদুর রহিম (রনি), ফারুক আহমেদ, শরীফ প্রধান (শুভ), মো. সোহেল রানা এবং সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মিনহাজ আহমেদ (প্রিন্স) নিয়েও আলোচনা রয়েছে।

তবে কারও নামই এখনো চূড়ান্ত নয়। বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের যাচাই-বাছাই এবং চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের ওপরই নির্ভর করছে কারা নতুন কেন্দ্রীয় কমিটির শীর্ষ পদে আসবেন।

নেতৃত্ব বাছাইয়ে যেসব বিষয় গুরুত্ব পাচ্ছে

তারেক রহমানের সঙ্গে বৈঠকের পর ছাত্রদলের শীর্ষ পাঁচ নেতার দুজন জানিয়েছেন, নতুন নেতৃত্ব বাছাইয়ের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য প্রার্থীদের একাধিক দিক থেকে মূল্যায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাজীবন, অতীত কর্মকাণ্ড, সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে গ্রহণযোগ্যতা এবং সারা দেশে সাংগঠনিক যোগাযোগকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পাশাপাশি নেতৃত্বের ক্ষেত্রে ভালোভাবে কথা বলতে পারা, সংগঠন পরিচালনার সক্ষমতা এবং ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ছাত্রদলকে নেতৃত্ব দেওয়ার যোগ্যতাও বিবেচনায় রাখা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর ভাষ্য অনুযায়ী, আওয়ামী লীগ সরকারের সময় দীর্ঘ রাজনৈতিক প্রতিকূলতার মধ্যে কে ছাত্রদলের সঙ্গে ছিলেন এবং সংগঠনের জন্য কী ভূমিকা রেখেছেন, সেটি এবার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মানদণ্ড হিসেবে দেখা হচ্ছে। মামলা, গ্রেপ্তার, রাজনৈতিক চাপ ও অন্যান্য প্রতিকূলতার মধ্যেও কারা সক্রিয় ছিলেন, তা যাচাই করা হচ্ছে।

বিশেষ করে জুলাই-আগস্টের গণ-আন্দোলনে ছাত্রদলের নেতাদের ভূমিকা কী ছিল, সে বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। সংগঠনটির কেন্দ্রীয় পর্যায়ের অনেক নেতা ওই আন্দোলনে সক্রিয় ছিলেন এবং তাঁদের কেউ কেউ গ্রেপ্তার ও কারাবরণের মুখোমুখি হয়েছেন।

এর পাশাপাশি প্রার্থীদের একাডেমিক ফলাফল, শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা, পারিবারিক ও রাজনৈতিক পরিচয়, সাংগঠনিক আচরণ এবং তাঁদের বিরুদ্ধে কোনো বিতর্ক বা অভিযোগ রয়েছে কি না—এসব বিষয়ও যাচাই করা হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, শীর্ষ দুই পদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের থাকার সম্ভাবনাই বেশি।

ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাছির উদ্দীন বলেন, দীর্ঘদিন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের সম্মুখসারিতে থাকা এবং সংগঠনে অবদান রাখা নেতারা নতুন কমিটিতে এগিয়ে থাকবেন। একই সঙ্গে সাধারণ শিক্ষার্থীদের জন্য অতীতে কারা কাজ করেছেন এবং ভবিষ্যতে কারা তাঁদের জন্য কাজ করার সক্ষমতা রাখেন, সেটিও নেতৃত্ব নির্বাচনের ক্ষেত্রে বিবেচনা করা হবে।

কেন এবার নেতৃত্ব নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ

প্রায় ১৭ বছর পর বিএনপি সরকার পরিচালনার দায়িত্বে থাকায় ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নির্বাচন নিয়ে সংগঠনের নেতা-কর্মীদের মধ্যে বাড়তি আগ্রহ তৈরি হয়েছে। দীর্ঘ সময় বিরোধী দলে থাকার সময় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের একটি বড় অংশ বিভিন্ন আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয় ছিলেন। তাঁদের অনেকেই মামলা, গ্রেপ্তার ও রাজনৈতিক চাপের মুখোমুখি হয়েছেন।

সর্বশেষ জুলাই গণ-আন্দোলনেও ছাত্রদলের ভূমিকা ছিল বলে সংগঠনটির নেতারা দাবি করে আসছেন। কেন্দ্রীয় পর্যায়ের বেশ কয়েকজন নেতা ওই সময় আন্দোলনের মাঠে সক্রিয় থেকে আলোচনায় আসেন।

ফলে এবার নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যোগ্য ও পরিচিত মুখের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। এ কারণে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্য থেকে শীর্ষ নেতৃত্ব বেছে নেওয়ার কাজটিও কঠিন হয়ে পড়েছে বলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন।

‘সিন্ডিকেট’ নিয়ে এবার ভিন্ন চিত্র

ছাত্রদলের অতীতের বিভিন্ন কমিটি গঠনের সময় ‘সিন্ডিকেট’ বা নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ উঠেছে। বিভিন্ন পক্ষ, আঞ্চলিক হিসাব কিংবা সাবেক ছাত্রদল নেতাদের প্রভাব নিয়ে তখন নানা আলোচনা ছিল।

এবার অবশ্য এখন পর্যন্ত কোনো নির্দিষ্ট সাবেক নেতা বা গোষ্ঠীর নাম সামনে আসেনি। পদপ্রত্যাশীদের ব্যক্তিগত যোগাযোগ ও তৎপরতা থাকলেও নতুন নেতৃত্ব গঠনে কোনো নির্দিষ্ট ‘সিন্ডিকেট’ সক্রিয় রয়েছে—এমন তথ্য পাওয়া যায়নি।

বরং সম্ভাব্য নেতাদের রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক অতীত যাচাইয়ের বিষয়টিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে।

বিএনপির একটি সূত্রের ভাষ্য, সম্ভাব্য নেতাদের বিষয়ে তারেক রহমান নিজেই খোঁজখবর নিচ্ছেন। দীর্ঘদিন ছাত্রদলের সঙ্গে যুক্ত থাকা, পরীক্ষিত ভূমিকা, আন্দোলন-সংগ্রামে সক্রিয়তা এবং সাংগঠনিক দক্ষতার পাশাপাশি কোনো প্রার্থীর তথ্য গোপন করা হয়েছে কি না, সেটিও যাচাই করা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার রাতে ছাত্রদলের বিদায়ী শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকও এই যাচাই-বাছাই প্রক্রিয়ার একটি অংশ বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

অতীতে সরাসরি ভোটেও নেতৃত্ব নির্বাচিত হয়েছে

ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব সব সময় মনোনয়নের মাধ্যমে নির্বাচিত হয়নি। ১৯৯২ সালে কাউন্সিলরদের সরাসরি ভোটে রুহুল কবির রিজভী সভাপতি এবং এম ইলিয়াস আলী সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছিলেন।

এর প্রায় ২৭ বছর পর ২০১৯ সালে আবারও সরাসরি ভোটে ছাত্রদলের শীর্ষ নেতৃত্ব নির্বাচন করা হয়। সে সময় সংগঠনের ১১৭টি সাংগঠনিক শাখার ৫৩৪ কাউন্সিলরের মধ্যে ৪৮১ জন ভোট দেন। নির্বাচনে ফজলুর রহমান খোকন সভাপতি এবং ইকবাল হোসেন শ্যামল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তবে ওই নির্বাচনেও অঞ্চলভিত্তিক প্রভাব এবং সাবেক ছাত্রদল নেতাদের তৎপরতা নিয়ে আলোচনা হয়েছিল। সরাসরি ভোটের মাধ্যমে নেতা নির্বাচিত হলেও বিভিন্ন এলাকার বিএনপি ও সাবেক ছাত্রদল নেতাদের প্রভাব বিস্তারের অভিযোগও তখন সামনে এসেছিল।

এবার অবশ্য কাউন্সিল বা সরাসরি ভোট আয়োজনের কোনো প্রস্তুতির তথ্য পাওয়া যায়নি। বরং শীর্ষ বিএনপি নেতৃত্বের সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণার প্রক্রিয়া এগোচ্ছে।

রাকিবুল-নাছির কমিটির মেয়াদ শেষ

২০২৪ সালের ১ মার্চ রাকিবুল ইসলামকে সভাপতি এবং নাছির উদ্দীনকে সাধারণ সম্পাদক করে ছাত্রদলের সাত সদস্যের আংশিক কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়েছিল। ওই কমিটিতে আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহিয়াকে জ্যেষ্ঠ সহসভাপতি, শ্যামল মালুমকে জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং আমানউল্লাহ আমানকে সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয়।

ছাত্রদলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী কেন্দ্রীয় কমিটির মেয়াদ দুই বছর। সে হিসাবে রাকিবুল-নাছির নেতৃত্বাধীন কমিটির মেয়াদ গত ১ মার্চ শেষ হয়েছে। এরপর প্রায় সাড়ে পাঁচ মাস ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ কমিটিই দায়িত্ব পালন করছে।

এ অবস্থায় নতুন কমিটি ঘোষণার প্রস্তুতি সংগঠনের অভ্যন্তরে নতুন করে গতি পেয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখাতেও নতুন নেতৃত্বের আলোচনা

কেন্দ্রীয় কমিটির পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্ব নিয়েও আলোচনা চলছে। দেশের ছাত্ররাজনীতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ঐতিহাসিক ও সাংগঠনিক গুরুত্বের কারণে এই শাখার নেতৃত্বকে কেন্দ্রীয় রাজনীতির জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে দেখা হয়। অতীতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার অনেক নেতা পরবর্তী সময়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেয়েছেন।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন নেতৃত্বের জন্য আলোচনায় রয়েছেন সাংগঠনিক সম্পাদক নূর আলম ভূঁইয়া (ইমন), বিজয় একাত্তর হল শাখার আহ্বায়ক তানভীর আল হাদী (মায়েদ), কবি জসীমউদ্‌দীন হল শাখার আহ্বায়ক শেখ তানভীর বারী (হামিম), বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রহমান (বিজয়), বি এম কাউসার ও মো. আল আমীন।

এ ছাড়া সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক আবু হায়াৎ মো. জুলফিকার জিসান, প্রচার সম্পাদক তানভীর হাসান, আন্তর্জাতিক সম্পাদক মেহেদী হাসান এবং আপ্যায়ন সম্পাদক আরিফুল ইসলামের নামও আলোচনায় রয়েছে।

তবে কেন্দ্রীয় কমিটির মতো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার নতুন নেতৃত্বের ক্ষেত্রেও এখন পর্যন্ত কোনো নাম চূড়ান্ত হয়নি।

শিগগিরই ঘোষণা আসার সম্ভাবনা

সব মিলিয়ে ছাত্রদলের নতুন কেন্দ্রীয় কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এখন শেষ ধাপে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি। সম্ভাব্য প্রার্থীদের তালিকা ছোট করে এনে আন্দোলন-সংগ্রামে ভূমিকা, সাংগঠনিক দক্ষতা, শিক্ষাজীবন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্যতা এবং রাজনৈতিক অতীতসহ বিভিন্ন দিক যাচাই করা হচ্ছে।

বিদায়ী কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বৈঠকের পর প্রক্রিয়াটি আরও এগিয়েছে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, যাচাই-বাছাই শেষ হলে প্রথম ধাপে পাঁচ সদস্যের শীর্ষ নেতৃত্ব ঘোষণা করা হতে পারে। এরপর পর্যায়ক্রমে পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠনের প্রক্রিয়া এগিয়ে নেওয়া হবে।

তবে শেষ পর্যন্ত কারা ছাত্রদলের নতুন নেতৃত্বে আসছেন, সে সিদ্ধান্ত এখনো বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের চূড়ান্ত অনুমোদনের অপেক্ষায়। ফলে শেষ মুহূর্তে আলোচনায় থাকা নামের তালিকায় পরিবর্তন আসার সম্ভাবনাও রয়েছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স