ঢাকা

‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে পাকিস্তানকে কটাক্ষ আমিরাতের সাবেক উপদেষ্টার, কী বার্তা দিতে চাইলেন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের সাবেক উপদেষ্টা ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আবদুলখালেক আবদুল্লাহর পাকিস্তানবিষয়ক সাম্প্রতিক মন্তব্য ঘিরে উপসাগরীয় অঞ্চলের রাজনীতি ও নিরাপত্তা সমীকরণ নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। পাকিস্তানের অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক দুর্বলতা নিয়ে ব্যঙ্গ করার পাশাপাশি সৌদি আরবের নিরাপত্তা রক্ষায় ইসলামাবাদের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

গত শুক্রবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে আবদুল্লাহ পাকিস্তানকে নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেন। তিনি লেখেন, এটি ‘সময়ের এক অদ্ভুত পরিহাস’ যে যে দেশের ‘এক-চতুর্থাংশ মানুষ দরিদ্র’ এবং ‘এক-তৃতীয়াংশ মানুষ’ নিরক্ষর, সেই দেশ বিশ্বের শীর্ষ ২০ অর্থনীতির একটি দেশকে রক্ষার অবস্থানে নিজেকে ‘সুবিধাজনক’ অবস্থানে দাঁড় করিয়েছে।

তাঁর এই মন্তব্যের পেছনে মূলত পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যকার সাম্প্রতিক প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়টি রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের মধ্যে গড়ে ওঠা বৃহত্তর নিরাপত্তা কাঠামো—যা বিভিন্ন মহলে ‘মক্কা যৌথ প্রতিরক্ষা চুক্তি’ হিসেবে আলোচিত—নিয়ে আবুধাবির অস্বস্তিও আবদুল্লাহর বক্তব্যে প্রতিফলিত হয়েছে।

পাকিস্তানের অর্থনীতি ও পারমাণবিক অস্ত্র নিয়ে কটাক্ষ

পাকিস্তানের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং সামরিক বাহিনীর প্রভাবের প্রসঙ্গও টেনেছেন আবদুল্লাহ। তাঁর ভাষায়, পাকিস্তান প্রতিষ্ঠার পর থেকেই ‘দুর্নীতিগ্রস্ত সামরিক শাসন’, দীর্ঘস্থায়ী অভ্যন্তরীণ অস্থিতিশীলতা এবং প্রতিবেশী দেশগুলোর সঙ্গে সংঘাতে ভুগেছে।

পাকিস্তানের প্রধান সক্ষমতা হিসেবে তিনি দেশটির পারমাণবিক অস্ত্রভান্ডারের কথা উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, দেশটির একমাত্র প্রধান যোগ্যতা হলো প্রায় ১৭০টি পারমাণবিক বোমা।

আবদুল্লাহর এই বক্তব্য পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাঁর পোস্টটি ১০ লাখের বেশি বার দেখা হয়েছে। পাকিস্তানিদের পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরাও মন্তব্যের সমালোচনা করেছেন।

বিষয়টি আরও স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছে দুই দেশের গভীর অর্থনৈতিক ও সামাজিক সম্পর্কের কারণে। প্রায় ১৬ লাখ পাকিস্তানি সংযুক্ত আরব আমিরাতে বসবাস করেন। তাঁরা দেশটির অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি পাকিস্তানের অন্যতম বড় প্রবাসী আয়ের উৎস হিসেবেও বিবেচিত।

ফলে আমিরাতের একজন প্রভাবশালী সাবেক উপদেষ্টার এমন মন্তব্য দুই দেশের জনগণের মধ্যকার সম্পর্কের ক্ষেত্রেও অস্বস্তি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকেরা।

কোন চুক্তি নিয়ে এত আলোচনা?

আবদুল্লাহর মন্তব্যের তাৎক্ষণিক প্রেক্ষাপট পাকিস্তান ও সৌদি আরবের মধ্যে স্বাক্ষরিত ‘কৌশলগত পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তি’। ২০২৫ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর স্বাক্ষরিত এই চুক্তির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—যেকোনো এক দেশের ওপর সশস্ত্র হামলাকে উভয় দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

অর্থাৎ, সৌদি আরব আক্রান্ত হলে পাকিস্তানের নিরাপত্তা স্বার্থও সরাসরি জড়িয়ে পড়বে। একইভাবে পাকিস্তানের ওপর বড় ধরনের সামরিক হামলা হলে সৌদি আরবও সেটিকে নিজের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে বিবেচনা করতে পারে।

এ ধরনের প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রচলিত নিরাপত্তা কাঠামোয় গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেয়। কারণ, এত দিন সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় রাজতন্ত্রগুলোর নিরাপত্তার প্রধান গ্যারান্টর হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের ভূমিকাই সবচেয়ে বেশি আলোচিত ছিল।

এখন পাকিস্তান, তুরস্ক ও সৌদি আরবের মধ্যে নিরাপত্তা সহযোগিতা বাড়তে থাকায় আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যেও নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।

‘মক্কা চুক্তি’ নিয়ে আবুধাবির অস্বস্তি কেন?

বিশ্লেষকদের একটি অংশ মনে করেন, আবদুলখালেক আবদুল্লাহর মন্তব্যকে শুধু পাকিস্তানবিরোধী বক্তব্য হিসেবে দেখলে পুরো বিষয়টি বোঝা যাবে না। এর সঙ্গে সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের মধ্যকার ক্রমবর্ধমান কৌশলগত প্রতিদ্বন্দ্বিতার সম্পর্ক রয়েছে।

সৌদি আরব ও আমিরাত একসময় উপসাগরীয় অঞ্চলের প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত ছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক বছরগুলোতে আঞ্চলিক রাজনীতি, ইয়েমেন, ইসরায়েল এবং অর্থনৈতিক নেতৃত্বসহ বিভিন্ন প্রশ্নে দুই দেশের স্বার্থের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

বিশেষ করে দক্ষিণ ইয়েমেনে বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলোর প্রতি আবুধাবির সমর্থন সৌদি আরবের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্ককে জটিল করেছে। ইয়েমেনের ভবিষ্যৎ রাজনৈতিক কাঠামো নিয়ে দুই দেশের দৃষ্টিভঙ্গির পার্থক্যও প্রকাশ্যে এসেছে।

এর পাশাপাশি ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্ক নিয়েও সৌদি আরবের অবস্থান আলাদা। ২০২০ সালে ‘আব্রাহাম অ্যাকর্ডস’-এর আওতায় ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করে আমিরাত। এর মাধ্যমে দেশটি প্রথম উপসাগরীয় আরব রাষ্ট্র হিসেবে ইসরায়েলকে স্বীকৃতি দেয়।

অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের দীর্ঘদিনের চাপ সত্ত্বেও সৌদি আরব এখনো ইসরায়েলের সঙ্গে আনুষ্ঠানিক সম্পর্ক স্থাপনে রাজি হয়নি।

এই দুই ভিন্ন অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের নতুন নিরাপত্তা সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

ইসরায়েল-আমিরাত সম্পর্কের পাল্টা জবাব?

বিশ্লেষকদের কেউ কেউ পাকিস্তান, সৌদি আরব ও তুরস্কের নতুন প্রতিরক্ষা সহযোগিতাকে আমিরাত-ইসরায়েল সামরিক ও কৌশলগত সহযোগিতার সম্ভাব্য পাল্টা ভারসাম্য হিসেবে দেখছেন।

সাবেক মার্কিন গোয়েন্দা কর্মকর্তা থিওডোর সিঙ্গার মিডল ইস্ট আই-কে বলেন, প্রথম দৃষ্টিতে ইউএই-ইসরায়েল জোট উভয় পক্ষের জন্য বেশি লাভজনক মনে হতে পারে। তবে তাঁর মতে, পাকিস্তান-সৌদি-তুরস্কভিত্তিক নিরাপত্তা সহযোগিতা দীর্ঘমেয়াদে আরও বিস্তৃত প্রভাব ফেলতে পারে এবং এর গুরুত্ব শুধু তাৎক্ষণিক বস্তুগত সুবিধার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়।

এই বিশ্লেষণ অনুযায়ী, মধ্যপ্রাচ্যে নিরাপত্তা কাঠামো এখন আর কেবল যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন জোটের ওপর নির্ভরশীল থাকছে না। আঞ্চলিক দেশগুলো নিজেদের নিরাপত্তার জন্য বিকল্প অংশীদারত্ব ও পারস্পরিক প্রতিরক্ষা কাঠামো গড়ে তুলছে।

পাল্টা আক্রমণ সাবেক ওআইসি কর্মকর্তার

আবদুলখালেক আবদুল্লাহর পোস্টের প্রতিক্রিয়ায় ইসলামি সহযোগিতা সংস্থার (ওআইসি) অঙ্গসংগঠন ইসেসকোর সাবেক মহাপরিচালক আবদুলআজিজ আলতোয়াইজরি কঠোর মন্তব্য করেছেন।

তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে আমিরাতের সম্পর্কের দিকে ইঙ্গিত করে বলেন, যারা ‘বিশ্বাসঘাতকতা করে জায়নবাদীদের সঙ্গে হাত মেলাবে’, তারা কখনোই নিরাপত্তা খুঁজে পাবে না।

পাকিস্তানবিষয়ক আবদুল্লাহর পোস্টের পর তিনি আরও লেখেন, ‘মনে হচ্ছে মক্কা চুক্তি সিনড্রোম আপনাকে দিশাহারা করে ফেলেছে।’

এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি সরাসরি ইঙ্গিত করেছেন যে, পাকিস্তান ও সৌদি আরবের প্রতিরক্ষা চুক্তি নিয়ে আমিরাতের অভ্যন্তরে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

সৌদি-আমিরাত দূরত্বের পেছনে আরও কারণ

সৌদি আরব ও আমিরাতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা কেবল নিরাপত্তা ও সামরিক সহযোগিতায় সীমাবদ্ধ নয়। মধ্যপ্রাচ্যে অর্থনৈতিক নেতৃত্ব, বিনিয়োগ, বন্দর, বাণিজ্য ও আঞ্চলিক প্রভাব বিস্তার নিয়েও দুই দেশের মধ্যে প্রতিযোগিতা রয়েছে।

একসময় আবুধাবি ও রিয়াদকে প্রায় অভিন্ন অবস্থানে দেখা হলেও এখন তারা অনেক ক্ষেত্রে পৃথক কৌশল অনুসরণ করছে। ইয়েমেন যুদ্ধ, ইসরায়েল-ফিলিস্তিন ইস্যু, সিরিয়া ও সুদানের মতো আঞ্চলিক সংকটেও দুই দেশের অগ্রাধিকার সব সময় এক নয়।

এ অবস্থায় সৌদি আরব যদি পাকিস্তান ও তুরস্কের সঙ্গে দীর্ঘমেয়াদি প্রতিরক্ষা সহযোগিতা বাড়ায়, তবে সেটি আমিরাতের জন্য কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ বার্তা বহন করতে পারে।

বিশেষ করে পাকিস্তানের সামরিক সক্ষমতা, পারমাণবিক শক্তি এবং তুরস্কের ক্রমবর্ধমান প্রতিরক্ষা শিল্প—এই দুই দেশের সঙ্গে সৌদি আরবের ঘনিষ্ঠতা মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তা কাঠামোয় নতুন একটি শক্তির কেন্দ্র তৈরি করতে পারে।

নেতানিয়াহুর দাবি নিয়েও বিতর্ক

এর মধ্যেই ইসরায়েল-আমিরাত সম্পর্কের আরেকটি ঘটনা আলোচনায় এসেছে। গত মে মাসে ইরানের সঙ্গে সংঘাতের চরম সময়ে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু দাবি করেছিলেন, তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাত সফর করেছেন।

তবে আবুধাবি দ্রুত সেই দাবি অস্বীকার করে।

এই ঘটনা ইসরায়েল ও আমিরাতের সম্পর্কের বাস্তবতা নিয়ে নতুন প্রশ্ন তৈরি করেছিল। দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও নিরাপত্তা সহযোগিতা থাকলেও মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতিতে এসব সম্পর্ক কতটা প্রকাশ্য এবং কতটা গোপনীয়—তা নিয়ে জল্পনা রয়েছে।

তাহলে আবদুল্লাহ কেন এমন মন্তব্য করলেন?

আবদুলখালেক আবদুল্লাহ দীর্ঘদিন ধরে আমিরাতের নীতিনির্ধারণী মহলের ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। তিনি সরাসরি বর্তমান সরকারের উপদেষ্টা না হলেও প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদের সাবেক উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর বক্তব্যকে আঞ্চলিক পর্যবেক্ষকেরা গুরুত্ব দেন।

তাই তাঁর পাকিস্তানবিষয়ক মন্তব্যকে নিছক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যক্তিগত মতামত হিসেবে দেখার পাশাপাশি এর রাজনৈতিক তাৎপর্যও বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।

একদিকে পাকিস্তানের অর্থনৈতিক দুর্বলতা ও রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতাকে সামনে এনে দেশটির সামরিক সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অন্যদিকে, সৌদি আরবের নিরাপত্তায় পাকিস্তানের ভূমিকা নিয়েও কটাক্ষ করেছেন। ফলে তাঁর বক্তব্যে পাকিস্তানের সমালোচনার পাশাপাশি সৌদি আরবের নতুন নিরাপত্তা অংশীদারত্ব নিয়ে আবুধাবির উদ্বেগের ইঙ্গিতও পাওয়া যাচ্ছে।

অন্যদিকে, মক্কাকে কেন্দ্র করে সৌদি আরব, পাকিস্তান ও তুরস্কের মধ্যে ঘনিষ্ঠ নিরাপত্তা সহযোগিতা যদি আরও বিস্তৃত হয়, তাহলে মধ্যপ্রাচ্যে আমিরাত-ইসরায়েল ঘনিষ্ঠতার বিপরীতে একটি ভিন্ন কৌশলগত বলয় তৈরি হতে পারে।

সেই দৃষ্টিকোণ থেকে আবদুল্লাহর বক্তব্যকে শুধু পাকিস্তানকে নিয়ে বিদ্রূপ হিসেবে দেখার চেয়ে সৌদি আরবের পরিবর্তিত নিরাপত্তা অংশীদারত্ব এবং মধ্যপ্রাচ্যে বদলে যাওয়া জোট রাজনীতির প্রতি আবুধাবির অস্বস্তির প্রকাশ হিসেবে দেখা বেশি তাৎপর্যপূর্ণ।

তবে তাঁর বক্তব্যকে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান হিসেবে দেখার সুযোগ নেই। বরং এটি এমন এক সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে, যখন মধ্যপ্রাচ্যের প্রচলিত জোটব্যবস্থা দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং সৌদি আরব নিজেদের নিরাপত্তা ও কৌশলগত স্বার্থে নতুন অংশীদার খুঁজছে। ফলে ‘মক্কা চুক্তি’কে ঘিরে আবদুল্লাহর কটাক্ষ আঞ্চলিক ক্ষমতার নতুন সমীকরণ নিয়ে আবুধাবির উদ্বেগের একটি ইঙ্গিত কি না—সেটিই এখন আলোচনার বড় বিষয়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স