বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনের মধ্য দিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এখনো নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা হয়নি। তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা এরই মধ্যে মাঠে নেমে পড়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনকেন্দ্রিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। বিএনপির ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়। দলটির কেন্দ্রীয়ভাবে প্রার্থী বাছাই বা নির্বাচনী কৌশল চূড়ান্ত না হলেও ইউনিয়ন পর্যায়ে একাধিক নেতা চেয়ারম্যান পদে নিজেদের প্রার্থিতা জানান দিচ্ছেন।
দলীয় ও মাঠপর্যায়ের সূত্রগুলো বলছে, প্রায় সব ইউনিয়নেই বিএনপির একাধিক নেতা চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আগ্রহী। কোথাও দুজন, কোথাও তিন-চারজন, আবার কোনো কোনো ইউনিয়নে প্রার্থীর সংখ্যা আরও বেশি। কেউ ইতিমধ্যে জনসংযোগ শুরু করেছেন, কেউ শুভেচ্ছা পোস্টার লাগিয়েছেন, আবার কেউ দলীয় সমর্থন পাওয়ার জন্য স্থানীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়িয়েছেন।
ফলে নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির জন্য সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে সমঝোতা তৈরি করা। দলীয়ভাবে একজনকে সমর্থন দেওয়ার পর অন্যদের তাঁর পক্ষে ঐক্যবদ্ধ করা না গেলে স্থানীয় পর্যায়ে বিভেদ তৈরি হতে পারে—এমন আশঙ্কা করছেন দলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা।
এরই মধ্যে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব স্থানীয় সরকার নির্বাচনে একক প্রার্থীর ওপর জোর দিচ্ছে। দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন জেলা ও মহানগর কমিটির নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে দলীয় ঐক্য বজায় রেখে একজন প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে নির্দেশনা দিচ্ছেন। কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ প্রার্থী হলে বহিষ্কারসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও দলের মধ্যে আলোচনা রয়েছে।
অন্যদিকে, স্থানীয় বিএনপির নেতাদের হিসাবের মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্ভাব্য অংশগ্রহণও। আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকার বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় দলটির স্থানীয় পর্যায়ের নেতা বা সমর্থকেরা শেষ পর্যন্ত কীভাবে নির্বাচনে অংশ নেবেন, তা নিয়েও বিএনপির নেতারা নিজেদের কৌশল নির্ধারণ করতে চাইছেন।
বছরের শেষ দিকে ইউপি নির্বাচন
নির্বাচন কমিশন বছরের শেষ দিকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা করছে। এ লক্ষ্যে আগামী সেপ্টেম্বরে তফসিল ঘোষণা করার পরিকল্পনা রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে। সরকারের পক্ষ থেকেও চলতি অর্থবছরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের পাঁচ স্তরের নির্বাচন সম্পন্ন করার কথা বলা হয়েছে।
ফলে খুব শিগগিরই স্থানীয় সরকার নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মাঠপর্যায়ের তৎপরতা আরও বাড়তে পারে। তফসিল ঘোষণার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতা শুরু হওয়ায় নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসবে, দলীয় মনোনয়ন বা সমর্থন পাওয়ার লড়াইও তত তীব্র হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
বিএনপির নেতারা বলছেন, কেন্দ্র থেকে এখনো ইউপি নির্বাচনের প্রার্থী বাছাই কিংবা নির্বাচনী কৌশল নিয়ে আনুষ্ঠানিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তাই সম্ভাব্য প্রার্থীরা নিজেদের মতো করে প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একাধিক প্রার্থীর মধ্য থেকে একজনকে বেছে নেওয়ার সাংগঠনিক প্রক্রিয়াও এখনো শুরু হয়নি।
তবে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের বক্তব্য ও সাম্প্রতিক সাংগঠনিক তৎপরতায় একক প্রার্থীর নীতির বিষয়টি স্পষ্ট হচ্ছে।
এক ইউনিয়নেই চেয়ারম্যান পদে আগ্রহী নয়জন
স্থানীয় পর্যায়ে একাধিক প্রার্থীর প্রতিযোগিতার সবচেয়ে বড় উদাহরণ পাওয়া যাচ্ছে ফেনী সদর উপজেলার মোটবী ইউনিয়নে। ওই ইউনিয়নে বিএনপির নেতা ও সমর্থকদের মধ্যে চেয়ারম্যান পদে আগ্রহী বা নির্বাচনী তৎপরতায় থাকা ব্যক্তির সংখ্যা অন্তত নয়জন।
মোটবী ইউনিয়নে এর আগে দুই দফায় চেয়ারম্যান ছিলেন জেলা বিএনপির নেতা এম এ খালেক। বর্তমানে তিনি ফেনী জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর পরিবর্তে ইউনিয়নটিতে নতুন নেতৃত্বের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
চেয়ারম্যান পদে আগ্রহী ব্যক্তিদের মধ্যে রয়েছেন ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক মীর মোশাররফ হোসেন (মানিক), সদস্যসচিব শাহ আলম, সাবেক সাধারণ সম্পাদক নিজামুদ্দিন, উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ফখরুল ইসলাম (মাসুক), উপজেলা ছাত্রদলের সাবেক আহ্বায়ক দেলোয়ার হোসেন এবং ইউনিয়ন বিএনপির জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মহিউদ্দিন ভূঁইয়া।
এ ছাড়া বিএনপি ঘরানার প্রবাসী রহমান রাজু ও নুরুল আমিন এবং আবুল কালাম মজুমদারও চেয়ারম্যান পদে আগ্রহী। রহমান রাজু ও নুরুল আমিন ইতিমধ্যে এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে পোস্টারও লাগিয়েছেন।
এ ধরনের পরিস্থিতি শুধু মোটবী ইউনিয়নে সীমাবদ্ধ নয়। দেশের বিভিন্ন ইউনিয়নে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হয়েছে। কোথাও বর্তমান বা সাবেক স্থানীয় নেতারা, কোথাও যুবদল-ছাত্রদলের নেতারা, আবার কোথাও দলের সমর্থক ব্যবসায়ী ও প্রবাসীরা নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
একক প্রার্থী নিশ্চিত করাই বড় চ্যালেঞ্জ
বিএনপির স্থানীয় নেতাদের মতে, একাধিক প্রার্থী থাকাটা স্বাভাবিক হলেও নির্বাচনের আগে তাঁদের মধ্যে সমঝোতা তৈরি করা জরুরি। কারণ, একই দলের একাধিক প্রার্থী মাঠে থাকলে ভোট ভাগাভাগির পাশাপাশি স্থানীয় পর্যায়ে দীর্ঘমেয়াদি বিরোধ তৈরি হতে পারে।
দলের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতারা বলছেন, প্রার্থী বাছাইয়ের সময় শুধু ব্যক্তিগত জনপ্রিয়তা নয়, স্থানীয় গ্রহণযোগ্যতা, সাংগঠনিক ভূমিকা, ভোটারদের সঙ্গে সম্পর্ক এবং নির্বাচনে জয়ী হওয়ার সক্ষমতাও বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে যাঁরা শেষ পর্যন্ত দলীয় সমর্থন পাবেন না, তাঁদেরও যাতে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়া থেকে বিরত রাখা যায়, সেটিও গুরুত্বপূর্ণ।
বিএনপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব ও ময়মনসিংহ জেলা পরিষদের প্রশাসক এমরান সালেহ প্রিন্স প্রথম আলোকে বলেন, স্থানীয়ভাবে যাঁদের জনপ্রিয়তা ও গ্রহণযোগ্যতা আছে, বিএনপি তাঁদের সমর্থন দেবে—এটাই দলের ঘোষিত অবস্থান।
তবে মাঠপর্যায়ের নেতাদের আশঙ্কা, একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীকে আগে থেকে সমঝোতায় আনা না গেলে শেষ মুহূর্তে তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করানো কঠিন হয়ে পড়তে পারে। এতে দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করতে গিয়ে স্থানীয় পর্যায়ে বিরোধ ও সাংগঠনিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
কেন্দ্রের বাইরে প্রার্থী হলে সাংগঠনিক ব্যবস্থা
বিএনপির নেতারা বলছেন, দলীয় সিদ্ধান্তের বাইরে গিয়ে কেউ প্রার্থী হলে তাঁর বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এর মাধ্যমে দলের সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের ঐক্যবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হবে।
তবে একটি জটিলতা তৈরি হয়েছে তফসিল ঘোষণার আগেই অনেক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে নেমে পড়ায়। তাঁরা এখন নিজেদের সমর্থক গোষ্ঠী তৈরি করছেন, জনসংযোগ করছেন এবং স্থানীয়ভাবে প্রচার চালাচ্ছেন। ফলে শেষ পর্যন্ত দলীয় সমর্থন একজনের হাতে গেলে অন্যদের সেই সিদ্ধান্ত মেনে নেওয়ানো সহজ হবে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট নেতারা।
বিশেষ করে যেসব ইউনিয়নে একাধিক প্রার্থীর ব্যক্তিগত ও পারিবারিক প্রভাব রয়েছে, সেখানে দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন আরও কঠিন হতে পারে।
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী প্রথম আলোকে বলেন, প্রার্থিতার ব্যাপারে এখন পর্যন্ত স্থানীয় পর্যায়ে কোনো সাংগঠনিক নির্দেশনা দেওয়া হয়নি। তবে দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমান মহানগর ও জেলা নেতাদের সঙ্গে যে মতবিনিময় সভা করছেন, সেখানে দলীয় ঐক্য ও একক প্রার্থীকে সমর্থনের বিষয়ে নির্দেশনা দিয়ে দিচ্ছেন।
অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক প্রার্থী বাছাই প্রক্রিয়া শুরু না হলেও দলের নীতিগত অবস্থান ইতিমধ্যে মাঠপর্যায়ে জানিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
তারেক রহমানের মতবিনিময়ে দলীয় ঐক্যের বার্তা
স্থানীয় সরকার নির্বাচন সামনে রেখে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বিভিন্ন জেলা ও মহানগর কমিটির নেতাদের সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে মতবিনিময় করছেন। এসব আলোচনায় তিনি স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় ঐক্যের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন।
দলের নেতাদের সঙ্গে এসব বৈঠকে সম্ভাব্য প্রার্থীদের ব্যক্তিগত প্রতিযোগিতার চেয়ে দলীয় স্বার্থকে অগ্রাধিকার দেওয়ার বার্তা দেওয়া হচ্ছে। দল-সমর্থিত একজন প্রার্থীকে বিজয়ী করতে স্থানীয় নেতা-কর্মীদের একসঙ্গে কাজ করার বিষয়টিও গুরুত্ব পাচ্ছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে বিএনপির সংসদীয় দলের সভাতেও স্থানীয় পর্যায়ের নেতা-কর্মীদের সঙ্গে সংসদ সদস্যদের দূরত্ব তৈরি না করে ঐক্য বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন তারেক রহমান।
বিএনপির সূত্র জানিয়েছে, এ পর্যন্ত রংপুর ও রাজশাহী বিভাগের ১২টি জেলা ও মহানগর কমিটির নেতাদের সঙ্গে তারেক রহমান মতবিনিময় করেছেন। গত শনিবার তিনি বগুড়া জেলা কমিটির সঙ্গেও মতবিনিময় করেন।
দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে এই ধারাবাহিক মতবিনিময়ের একটি বড় উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় পর্যায়ে সম্ভাব্য বিভেদ চিহ্নিত করা এবং নির্বাচনের আগেই তা নিয়ন্ত্রণে আনা।
আওয়ামী লীগের অংশগ্রহণ নিয়েও হিসাব
ইউপি নির্বাচন ঘিরে বিএনপির স্থানীয় নেতাদের আরেকটি হিসাব হলো আওয়ামী লীগের নেতাদের সম্ভাব্য অংশগ্রহণ। দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে আওয়ামী লীগের কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকলেও দলটির স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের কেউ কেউ স্বতন্ত্র পরিচয়ে বা অন্য কোনো উপায়ে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার চেষ্টা করতে পারেন—এমন সম্ভাবনাও বিএনপির স্থানীয় নেতাদের আলোচনায় রয়েছে।
ফলে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের নিজেদের মধ্যে প্রতিযোগিতার পাশাপাশি প্রতিটি ইউনিয়নে রাজনৈতিক সমীকরণও বিবেচনা করতে হচ্ছে। কোথায় আওয়ামী লীগের সাবেক জনপ্রতিনিধি বা প্রভাবশালী নেতারা সক্রিয় রয়েছেন, তাঁদের অনুসারী কতটা রয়েছে এবং নির্বাচনে তাঁরা কী ধরনের ভূমিকা নিতে পারেন—এসব বিষয়ও স্থানীয় পর্যায়ে হিসাব করা হচ্ছে।
বিএনপির নেতারা মনে করছেন, আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট কেউ নির্বাচনে অংশ নিলে অনেক ইউনিয়নে ভোটের সমীকরণ বদলে যেতে পারে। সে ক্ষেত্রে শুধু দলীয় জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর না করে স্থানীয় রাজনৈতিক বাস্তবতা বিবেচনায় প্রার্থী বাছাই করতে হবে।
তফসিলের আগে বাড়ছে প্রস্তুতি
ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগেই বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা শুরু হওয়ায় দলটির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে এখন দুটি বিষয় একসঙ্গে সামলাতে হচ্ছে। একদিকে নির্বাচনের জন্য মাঠপর্যায়ের নেতা-কর্মীদের প্রস্তুত করা, অন্যদিকে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থীর মধ্যে প্রতিযোগিতা নিয়ন্ত্রণ করে দলীয় ঐক্য বজায় রাখা।
বিএনপির স্থানীয় নেতাদের একটি অংশ মনে করছেন, তফসিল ঘোষণার পর প্রার্থী বাছাইয়ের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া শুরু হলে প্রতিযোগিতা আরও বাড়বে। তাই তার আগেই সম্ভাব্য প্রার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে সমঝোতার ভিত্তি তৈরি করা প্রয়োজন।
অন্যদিকে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ওপরও চাপ থাকবে এমন একজন প্রার্থী বেছে নেওয়ার, যিনি স্থানীয়ভাবে জনপ্রিয় এবং গ্রহণযোগ্য হওয়ার পাশাপাশি নির্বাচনে জয়ী হওয়ার মতো সাংগঠনিক সক্ষমতা রাখেন।
সব মিলিয়ে ইউপি নির্বাচন বিএনপির জন্য শুধু স্থানীয় জনপ্রতিনিধি নির্বাচনের লড়াই নয়; এটি দলটির মাঠপর্যায়ের সাংগঠনিক ঐক্য, নেতৃত্বের গ্রহণযোগ্যতা এবং কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের সক্ষমতারও পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তফসিল ঘোষণার পর সেই পরীক্ষার আনুষ্ঠানিক পর্ব শুরু হবে।