ঢাকা

আইটি প্রশিক্ষণে স্কলারশিপ দিচ্ছে আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউ, আবেদন করবেন যেভাবে

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষ জনবল তৈরি এবং তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়াতে বিনা মূল্যে আইটি প্রশিক্ষণ দিচ্ছে ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক-বাংলাদেশ ইসলামিক সলিডারিটি এডুকেশন ওয়াক্‌ফ (আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউ)। প্রতিষ্ঠানটির আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় নন-আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডের স্নাতক ও সমমানের শিক্ষার্থীরাও আবেদন করতে পারবেন। এ কর্মসূচিতে তথ্যপ্রযুক্তি খাতের চাহিদা বিবেচনায় বিভিন্ন পেশাভিত্তিক কোর্স পরিচালনা করা হয়।

প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত এ কর্মসূচির মাধ্যমে ১৯ হাজার আইটি পেশাজীবী তৈরি হয়েছে। তাঁরা দেশে ও বিদেশে ৩ হাজার ২৫৪টির বেশি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত রয়েছেন। কোর্স সম্পন্নকারীদের ৯২ শতাংশ দেশে-বিদেশে কর্মরত বলেও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ফলে তথ্যপ্রযুক্তি খাতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহী তরুণদের জন্য এ স্কলারশিপ কর্মসূচি প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি নেওয়ার একটি সুযোগ।

আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের ৭৫তম রাউন্ডে আবেদনের শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬। আগ্রহী ও যোগ্য প্রার্থীরা নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউ কী

আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউ বাংলাদেশ সরকার এবং সৌদি আরবের জেদ্দাভিত্তিক ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত একটি সংস্থা। বাংলাদেশের যুবসমাজের কর্মসংস্থানের সুযোগ সম্প্রসারণ এবং তথ্যপ্রযুক্তি ও কারিগরি শিক্ষার বিকাশে প্রতিষ্ঠানটি বিভিন্ন কর্মমুখী প্রশিক্ষণ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পরিচালনা করে।

প্রতিষ্ঠানটির আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের মূল লক্ষ্য হলো, প্রশিক্ষণার্থীদের তথ্যপ্রযুক্তির বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করা। এ লক্ষ্যে চাকরির বাজারের চাহিদা বিবেচনায় কোর্সের বিষয়বস্তু নির্ধারণ করা হয়। প্রশিক্ষণের মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তিগত জ্ঞান অর্জনের পাশাপাশি কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের জন্য প্রয়োজনীয় দক্ষতা গড়ে তোলার সুযোগ পান।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে কর্মসংস্থানের জন্য শুধু প্রাতিষ্ঠানিক ডিগ্রি নয়, নির্দিষ্ট প্রযুক্তিতে দক্ষতা ও বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতাও গুরুত্বপূর্ণ। এ ধরনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শিক্ষার্থীদের সেই দক্ষতা অর্জনে সহায়তা করতে পারে। বিশেষ করে যাঁরা প্রচলিত শিক্ষাব্যবস্থায় আইটি বিষয়ে পড়াশোনা করেননি, কিন্তু এ খাতে পেশা গড়তে আগ্রহী, তাঁদের জন্য কর্মসূচিটি বিবেচনাযোগ্য।

স্কলারশিপের সুবিধা কী কী

আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামটি সম্পূর্ণ বিনা মূল্যে পরিচালিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, প্রতিটি প্রশিক্ষণার্থীর জন্য প্রায় দুই লাখ টাকা সমমূল্যের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

এ কর্মসূচির উল্লেখযোগ্য সুবিধাগুলো হলো—

বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ: নির্বাচিত প্রার্থীরা নির্ধারিত কোর্সে বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাবেন।

বাজারভিত্তিক কোর্স: তথ্যপ্রযুক্তি শিল্পের বিভিন্ন ক্ষেত্রে চাকরির চাহিদা বিবেচনায় কোর্সগুলো সাজানো হয়।

পেশাগত দক্ষতা অর্জন: সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডেটাবেজ, নেটওয়ার্কিং, গ্রাফিকস ও অন্যান্য প্রযুক্তিভিত্তিক ক্ষেত্রে দক্ষতা বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

কর্মসংস্থানে সহায়তা: সফলভাবে কোর্স সম্পন্নকারীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে প্রতিষ্ঠানটির প্লেসমেন্ট সেল সহায়তা করে।

তবে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করলেই চাকরি নিশ্চিত—এমন নয়। কর্মসংস্থানের সুযোগ প্রার্থীর দক্ষতা, ফলাফল, কাজের উপযোগিতা এবং নিয়োগদাতার চাহিদার ওপর নির্ভর করে।

কারা আবেদন করতে পারবেন

আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামে আবেদনের জন্য নির্দিষ্ট শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, স্নাতক বা ফাজিল পাস প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন। পাশাপাশি মাস্টার্স বা কামিল পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদেরও আবেদনের সুযোগ রয়েছে।

এ ছাড়া চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাস প্রার্থীরাও নির্ধারিত কিছু বিষয় থেকে আবেদন করতে পারবেন। এসব বিষয় হলো—

কম্পিউটার

টেলিকমিউনিকেশন

ইলেকট্রনিকস

সিভিল

আর্কিটেকচার

সার্ভে

কনস্ট্রাকশন

অর্থাৎ, শুধু কম্পিউটার বা তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ে পড়াশোনা করা প্রার্থীদের জন্যই এ কর্মসূচি সীমাবদ্ধ নয়। অন্যান্য বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীদেরও আবেদন করার সুযোগ রয়েছে। তবে আবেদনকারীদের অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কোর্স ও রাউন্ডের নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে হবে।

স্নাতক ও সমমানের প্রার্থীদের জন্য যেসব কোর্স

স্নাতক বা সমমানের যোগ্যতাসম্পন্ন প্রার্থীদের জন্য বিভিন্ন প্রযুক্তিভিত্তিক কোর্স রয়েছে। এসব কোর্সের মাধ্যমে সফটওয়্যার তৈরি, ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়ন, ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা, নেটওয়ার্ক পরিচালনা এবং ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরির মতো বিষয়ে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ পাওয়া যায়।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, কোর্সগুলো হলো—

১. ওয়েব অ্যান্ড মোবাইল অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট ইউজিং স্প্রিং বুট, অ্যান্ড্রয়েড অ্যান্ড ফ্লাটার: ওয়েব ও মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রযুক্তি সম্পর্কে দক্ষতা অর্জনের সুযোগ।

২. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট উইথ লারাভেল, রিঅ্যাক্ট, ভিউ.জেএস অ্যান্ড ওয়ার্ডপ্রেস: ওয়েবসাইট ও ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন উন্নয়নের বিভিন্ন প্রযুক্তি শেখার সুযোগ।

৩. ক্রস-প্ল্যাটফর্ম অ্যাপস ইউজিং এএসপি.নেট, অ্যাঙ্গুলার অ্যান্ড রিঅ্যাক্ট: ওয়েব প্রযুক্তির মাধ্যমে বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে ব্যবহারযোগ্য অ্যাপ্লিকেশন তৈরির প্রশিক্ষণ।

৪. ওরাকল ডেটাবেজ অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট: ডেটাবেজভিত্তিক অ্যাপ্লিকেশন তৈরি ও তথ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে দক্ষতা অর্জন।

৫. নেটওয়ার্ক সলিউশন অ্যান্ড সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন: কম্পিউটার নেটওয়ার্ক, সার্ভার ও সিস্টেম পরিচালনার বিষয়ে প্রশিক্ষণ।

৬. গ্রাফিকস, অ্যানিমেশন অ্যান্ড ভিডিও এডিটিং: ডিজিটাল গ্রাফিকস, অ্যানিমেশন ও ভিডিও সম্পাদনার ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন।

কোর্স নির্বাচনের আগে প্রার্থীদের নিজস্ব আগ্রহ, পূর্ববর্তী দক্ষতা এবং ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা বিবেচনা করা উচিত। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কোর্সে ভর্তির জন্য নির্ধারিত শিক্ষাগত যোগ্যতা ও অন্যান্য শর্ত যাচাই করে নেওয়া প্রয়োজন।

চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং পাসদের জন্য কোর্স

নির্ধারিত বিষয়গুলোতে চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমা-ইন-ইঞ্জিনিয়ারিং সম্পন্ন প্রার্থীদের জন্যও একাধিক প্রশিক্ষণ কোর্স রয়েছে। প্রযুক্তিগত দক্ষতা বাড়ানো এবং কর্মসংস্থানের প্রস্তুতি নেওয়ার ক্ষেত্রে এসব কোর্স সহায়ক হতে পারে।

কোর্সগুলোর মধ্যে রয়েছে—

১. আর্কিটেকচারাল অ্যান্ড সিভিল ক্যাড

২. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ইউজিং লারাভেল অ্যান্ড রিঅ্যাক্ট

৩. নেটওয়ার্ক সিস্টেম অ্যাডমিনিস্ট্রেশন

৪. গ্রাফিকস, ভিডিও এডিটিং অ্যান্ড মোশন গ্রাফিকস

৫. ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপমেন্ট ইউজিং এএসপি.নেট

৬. ক্লাউড কম্পিউটিং ইউজিং ওরাকল এপেক্স

৭. থ্রিডি (3D) ভিজ্যুয়ালাইজেশন

এসব কোর্সের মধ্যে কিছু প্রযুক্তিনির্ভর সফটওয়্যার ও অ্যাপ্লিকেশন তৈরির সঙ্গে সম্পর্কিত, আবার কিছু কোর্সে নেটওয়ার্ক ব্যবস্থাপনা, গ্রাফিকস, স্থাপত্য নকশা কিংবা ত্রিমাত্রিক ভিজ্যুয়ালাইজেশনের মতো বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়।

ডিপ্লোমাধারীদের জন্য কোর্স নির্বাচনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট শিক্ষাগত পটভূমি এবং ভবিষ্যতে কোন ধরনের কাজ করতে চান, তা বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।

প্রশিক্ষণ শেষে কর্মসংস্থানের সুযোগ

আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর তথ্য অনুযায়ী, প্রতিষ্ঠানটির আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের আওতায় প্রশিক্ষণ সম্পন্নকারীদের ৯২ শতাংশ দেশে ও বিদেশে কর্মরত রয়েছেন। এ পর্যন্ত ১৯ হাজার আইটি পেশাজীবী তৈরি হয়েছে, যাঁরা ৩ হাজার ২৫৪টির বেশি প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।

প্রতিষ্ঠানটির প্লেসমেন্ট সেলের মাধ্যমে সফল প্রশিক্ষণার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরিতে সহায়তা করা হয়। তবে কোন প্রার্থী কী ধরনের চাকরি পাবেন, তা নির্ভর করবে তাঁর অর্জিত দক্ষতা, প্রশিক্ষণের ফলাফল, সাক্ষাৎকারে পারফরম্যান্স এবং সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নিয়োগনীতির ওপর।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতে দক্ষতার ক্ষেত্রও বিস্তৃত। সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ওয়েব অ্যাপ্লিকেশন তৈরি, ডেটাবেজ ব্যবস্থাপনা, নেটওয়ার্ক প্রশাসন, গ্রাফিক ডিজাইন, ভিডিও সম্পাদনা এবং থ্রিডি ভিজ্যুয়ালাইজেশনের মতো ক্ষেত্রে কাজের সুযোগ থাকতে পারে। উপযুক্ত প্রশিক্ষণ ও ধারাবাহিক অনুশীলনের মাধ্যমে এসব ক্ষেত্রে পেশাগত দক্ষতা গড়ে তোলা সম্ভব।

আবেদনের শেষ তারিখ ও আবেদনপদ্ধতি

আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামের ৭৫তম রাউন্ডে আবেদনের শেষ তারিখ ১৫ ডিসেম্বর ২০২৬।

আগ্রহী প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন করার আগে শিক্ষাগত যোগ্যতা, কোর্সের তালিকা, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র, নির্বাচনপ্রক্রিয়া এবং অন্যান্য শর্ত সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া উচিত।

স্কলারশিপ-সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে:

স্কলারশিপের বিস্তারিত: https://www.isdb-bisew.org/it-scholarship-programme

অনলাইন আবেদন: https://apply.isdb-bisew.info/

নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আবেদন সম্পন্ন করার পাশাপাশি আবেদনপত্রে দেওয়া তথ্য সঠিক কি না, তা যাচাই করে নেওয়া জরুরি। আবেদন করার আগে সংশ্লিষ্ট রাউন্ডের অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তিতে কোর্সভিত্তিক যোগ্যতা ও শর্ত মিলিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে নতুন ক্যারিয়ারের সুযোগ

বর্তমান কর্মবাজারে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে প্রযুক্তিভিত্তিক দক্ষতার গুরুত্বও বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ খাতে কাজ করতে আগ্রহী অনেক শিক্ষার্থীর জন্য প্রশিক্ষণের ব্যয় একটি বাধা হতে পারে। বিনা মূল্যে প্রশিক্ষণের সুযোগ সেই বাধা কমাতে সহায়তা করতে পারে।

আইএসডিবি-বিআইএসইডব্লিউর আইটি স্কলারশিপ প্রোগ্রামে স্নাতক ও সমমানের যোগ্যতাসম্পন্ন বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের আবেদন করার সুযোগ থাকায় তথ্যপ্রযুক্তিতে ক্যারিয়ার গড়তে আগ্রহীদের জন্য এটি বিবেচনাযোগ্য একটি উদ্যোগ। তবে উপযুক্ত কোর্স নির্বাচন, নিয়মিত অনুশীলন, বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা এবং পেশাগত দক্ষতা উন্নয়নের ওপরই প্রশিক্ষণের দীর্ঘমেয়াদি সুফল অনেকাংশে নির্ভর করবে।

যাঁরা তথ্যপ্রযুক্তি খাতে নতুনভাবে ক্যারিয়ার শুরু করতে চান, তাঁদের জন্য নির্ধারিত যোগ্যতা যাচাই করে সময়মতো আবেদন করা এবং প্রশিক্ষণের সুযোগকে কাজে লাগানোর প্রস্তুতি নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স