ঢাকা

বিদেশে পড়াশোনার পরিকল্পনা থেকে ভিসা—এক ছাতার নিচে ম্যাক্সিমাস

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং

বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন দেখেন অনেক শিক্ষার্থী। তবে সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথে রয়েছে নানা চ্যালেঞ্জ। কোন দেশে পড়াশোনা করা ভালো, কোন বিশ্ববিদ্যালয় বা কোর্স বেছে নেওয়া উচিত, ভর্তির জন্য কী ধরনের একাডেমিক যোগ্যতা প্রয়োজন, আইইএলটিএস বা পিটিইতে কত স্কোর লাগবে, পড়াশোনার ব্যয় কত হতে পারে এবং বৃত্তি পাওয়ার সুযোগ রয়েছে কি না—এসব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে অনেক শিক্ষার্থী ও অভিভাবককে জটিলতার মুখে পড়তে হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিশ্ববিদ্যালয়ে আবেদনের নিয়ম, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত এবং শিক্ষার্থী ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া।

বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির বিভিন্ন ধাপ সহজ করতে কাজ করছে অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন এবং এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সিমাস একাডেমি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠান দুটির কার্যক্রমের মধ্যে রয়েছে বিদেশে উচ্চশিক্ষার বিষয়ে পরামর্শ, বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স নির্বাচন, ভর্তি ও ভিসাপ্রক্রিয়ায় সহায়তা এবং ভাষাদক্ষতা উন্নয়নের প্রশিক্ষণ। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত করা এবং ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের জন্য প্রস্তুত করতেও কাজ করছে তারা।

প্রতিষ্ঠানটির দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ১৪ বছরের বেশি সময় ধরে তারা বিদেশে উচ্চশিক্ষায় আগ্রহী শিক্ষার্থীদের পরামর্শ ও বিভিন্ন সহায়তামূলক সেবা দিয়ে আসছে। অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধিত প্রতিষ্ঠানটি অস্ট্রেলিয়ান স্টাডি ভিসা ও ইমিগ্রেশন কাউন্সিল (এএসআইসি), কিউইএসি ও আইসানার সনদপ্রাপ্ত বলে জানিয়েছে। বাংলাদেশেও প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রম রয়েছে।

১৪ বছরের অভিজ্ঞতা, শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্ব

ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশনের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়েছে এশিয়া, ইউরোপ, উত্তর আমেরিকা ও ওশেনিয়ার বিভিন্ন দেশে। প্রতিষ্ঠানটির তথ্য অনুযায়ী, অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের পাশাপাশি ইউরোপের সুইডেন, মাল্টা, ডেনমার্ক, হাঙ্গেরি, রোমানিয়া, নরওয়ে, গ্রিস, সাইপ্রাস, পোল্যান্ড, নেদারল্যান্ডস, ফিনল্যান্ড ও আয়ারল্যান্ডে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের পরামর্শ দেওয়া হয়।

বিশ্বের ১০০টির বেশি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষার্থী নিয়োগসংক্রান্ত অংশীদারত্ব রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, এ পর্যন্ত ৩ হাজার ১৭৫টির বেশি শিক্ষার্থী ভিসা পেয়েছেন। তবে ভিসা পাওয়ার বিষয়টি সংশ্লিষ্ট দেশের অভিবাসন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তের ওপর নির্ভরশীল।

প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে দক্ষিণ কোরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্য। প্রযুক্তি, গবেষণা, উদ্ভাবন ও শিল্পোন্নয়নে দেশটির অগ্রগতির কারণে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের কাছে দক্ষিণ কোরিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ক্রমেই আগ্রহের কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্যও দেশটিতে উচ্চশিক্ষার বিভিন্ন সুযোগ রয়েছে।

ম্যাক্সিমাসের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ায় শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থীকে সহায়তা করেছে। তবে দেশটিতে পড়তে যাওয়ার আগে বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রোগ্রাম নির্বাচন, ভাষাগত যোগ্যতা, টিউশন ফি, বৃত্তির শর্ত এবং জীবনযাত্রার ব্যয় সম্পর্কে বিস্তারিত জেনে নেওয়া প্রয়োজন।

সঠিক দেশ ও কোর্স নির্বাচনই প্রস্তুতির প্রথম ধাপ

বিদেশে উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করার সময় শুধু পছন্দের দেশ নির্ধারণ করলেই হয় না। শিক্ষার্থীর দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য, একাডেমিক যোগ্যতা, আগ্রহের বিষয়, পেশাগত পরিকল্পনা এবং আর্থিক সামর্থ্য বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হয়। যে বিষয়ে পড়াশোনা করলে ভবিষ্যতে কাঙ্ক্ষিত পেশায় এগিয়ে যাওয়া সম্ভব, সেই বিষয় ও সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয় সম্পর্কে শুরুতেই তথ্য সংগ্রহ করা জরুরি।

এ ক্ষেত্রে কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর খুঁজে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরে নিজেকে কোন পেশায় দেখতে চান? সেই লক্ষ্য অর্জনের জন্য কোন বিষয়ে ডিগ্রি প্রয়োজন? পছন্দের কোর্সে ভর্তির জন্য বর্তমান একাডেমিক ফলাফল যথেষ্ট কি না? অতিরিক্ত কোনো পরীক্ষা বা ভাষাগত যোগ্যতা অর্জন করতে হবে কি না? পাশাপাশি টিউশন ফি, আবাসন, খাবার, যাতায়াত ও অন্যান্য খরচ বহন করার সামর্থ্য রয়েছে কি না, সেটিও বিবেচনায় রাখতে হবে।

ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন শিক্ষার্থীদের এসব বিষয় বিশ্লেষণে সহায়তা করার কথা জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির পরামর্শসেবার আওতায় রয়েছে উচ্চশিক্ষা ও ক্যারিয়ার পরিকল্পনা, উপযুক্ত দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন, কোর্স বাছাই, ভর্তির শর্ত সম্পর্কে ধারণা এবং বৃত্তির সুযোগ খোঁজা।

একজন শিক্ষার্থীর একাডেমিক যোগ্যতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা অনুযায়ী সম্ভাব্য বিকল্পগুলো চিহ্নিত করাই এ ধরনের পরামর্শের মূল উদ্দেশ্য। এতে শিক্ষার্থীরা একাধিক দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের সুযোগ তুলনা করে নিজেদের জন্য উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার প্রস্তুতি নিতে পারেন।

ভর্তি থেকে ভিসা—এক ধারাবাহিক সেবার ব্যবস্থা

বিদেশে উচ্চশিক্ষার আবেদনপ্রক্রিয়া বেশ কয়েকটি ধাপে সম্পন্ন করতে হয়। প্রথমে উপযুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় ও কোর্স নির্বাচন, এরপর ভর্তির যোগ্যতা যাচাই, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত এবং আবেদন জমা দিতে হয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে ভাষা পরীক্ষার ফলাফল, সুপারিশপত্র, ব্যক্তিগত বিবৃতি বা অতিরিক্ত একাডেমিক নথিও প্রয়োজন হতে পারে।

ভর্তি নিশ্চিত হওয়ার পর সংশ্লিষ্ট দেশের নিয়ম অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভিসার জন্য আবেদন করতে হয়। এ ক্ষেত্রে আর্থিক সক্ষমতার প্রমাণ, শিক্ষাগত নথি, স্বাস্থ্যবিমা, আবাসনসংক্রান্ত তথ্য এবং অন্যান্য কাগজপত্রের প্রয়োজন হতে পারে। দেশভেদে এসব শর্তের পার্থক্য থাকায় আগে থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করা গুরুত্বপূর্ণ।

ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ও আবেদনপ্রক্রিয়া, বৃত্তিসংক্রান্ত পরামর্শ এবং ভিসা আবেদনে সহায়তার ব্যবস্থা রেখেছে। পাশাপাশি বিদেশে পৌঁছানোর পর আবাসন খোঁজা এবং খণ্ডকালীন কাজের সুযোগ সম্পর্কে দিকনির্দেশনা দেওয়ার কথাও জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

তবে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি, বৃত্তি পাওয়া কিংবা ভিসা অনুমোদন কোনো পরামর্শক প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিশ্চিত হয় না। সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়, বৃত্তি প্রদানকারী কর্তৃপক্ষ এবং অভিবাসন কর্তৃপক্ষ নিজ নিজ নিয়ম অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেয়। তাই আবেদন করার আগে প্রতিটি শর্ত ও তথ্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আনুষ্ঠানিক উৎস থেকে যাচাই করা প্রয়োজন।

প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনায় রয়েছেন অস্ট্রেলীয় নাগরিক শেখ ইকবাল বিন জাহেদ। ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন নিজেদের অস্ট্রেলিয়ায় নিবন্ধিত মাইগ্রেশন এজেন্টের মাধ্যমে পরিচালিত বলে জানিয়েছে। প্রতিষ্ঠানটির উল্লেখ করা মাইগ্রেশন এজেন্ট রেজিস্ট্রেশন নম্বর (এমএআরএএন) ১৭৯৩০০৪। মাইগ্রেশনসংক্রান্ত সেবা নেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট এজেন্টের বর্তমান নিবন্ধন ও অনুমোদনের অবস্থা যাচাই করে নেওয়া উচিত।

ভাষাদক্ষতা উন্নয়নে ম্যাক্সিমাস একাডেমি

বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতির গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো ভাষাদক্ষতা। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির জন্য ইংরেজি ভাষায় দক্ষতার প্রমাণ দিতে হয়। এ জন্য শিক্ষার্থীরা আইইএলটিএস বা পিটিইর মতো পরীক্ষায় অংশ নেন। বিশ্ববিদ্যালয়, কোর্স ও দেশের নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় স্কোর ভিন্ন হতে পারে।

এ বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে ভাষা প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা উন্নয়নের কার্যক্রম পরিচালনা করছে ম্যাক্সিমাস একাডেমি লিমিটেড। প্রতিষ্ঠানটির ‘লার্ন, গ্রো অ্যান্ড সাকসিড’ দর্শনের আওতায় আইইএলটিএস ও পিটিই প্রস্তুতির পাশাপাশি কোরিয়ান ও জাপানি ভাষার কোর্স এবং বিভিন্ন দক্ষতা উন্নয়নমূলক প্রশিক্ষণ রয়েছে।

শিক্ষার্থী ও চাকরিজীবীদের সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিভিন্ন ব্যাচে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। আগ্রহীরা অনলাইন ও সরাসরি—দুই পদ্ধতিতেই ক্লাস করার সুযোগ পান বলে জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

প্রচলিত পাঠদান পদ্ধতির পাশাপাশি হাতে-কলমে অনুশীলন ও ল্যাবভিত্তিক প্রশিক্ষণেও গুরুত্ব দেওয়া হয়। সার্টিফায়েড প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে আধুনিক কম্পিউটারভিত্তিক ল্যাব ও শ্রেণিকক্ষে মক টেস্ট দেওয়ার সুযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে পরীক্ষার ধরন সম্পর্কে ধারণা নেওয়া, সময় ব্যবস্থাপনার দক্ষতা বাড়ানো এবং নিয়মিত অনুশীলনের মাধ্যমে আত্মবিশ্বাস তৈরিতে সহায়তা পাওয়া যেতে পারে।

ভাষা পরীক্ষার প্রস্তুতি শুধু একটি নির্দিষ্ট স্কোর অর্জনের জন্য নয়; বিদেশে পড়াশোনার সময় ক্লাসে অংশ নেওয়া, একাডেমিক লেখা তৈরি, গবেষণার উপকরণ বোঝা এবং আন্তর্জাতিক পরিবেশে যোগাযোগের জন্যও ভাষাদক্ষতা গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি কোরিয়ান বা জাপানি ভাষা শেখা সংশ্লিষ্ট দেশের শিক্ষা ও দৈনন্দিন জীবনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

বিদেশে পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যৎ ক্যারিয়ারের প্রস্তুতি

বিদেশে উচ্চশিক্ষা অর্জনকে শুধু একটি ডিগ্রি পাওয়ার প্রক্রিয়া হিসেবে দেখলে এর পুরো সম্ভাবনা উপলব্ধি করা কঠিন। নতুন শিক্ষাব্যবস্থার সঙ্গে পরিচিত হওয়া, গবেষণা ও ব্যবহারিক দক্ষতা অর্জন, বহুজাতিক পরিবেশে কাজ শেখা এবং পেশাগত যোগাযোগ গড়ে তোলার সুযোগও তৈরি হতে পারে।

তবে এসব সুযোগ কাজে লাগাতে হলে শুরু থেকেই পরিকল্পিতভাবে এগোতে হয়। কোন বিষয়ে পড়াশোনা করলে ভবিষ্যৎ পেশাগত লক্ষ্য পূরণে সুবিধা হবে, সংশ্লিষ্ট দেশের শ্রমবাজারে কী ধরনের দক্ষতার চাহিদা রয়েছে এবং পড়াশোনা শেষে কাজের অনুমতি বা থাকার নিয়ম কী—এসব বিষয়ও বিবেচনায় রাখা প্রয়োজন।

ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন ও ম্যাক্সিমাস একাডেমি নিজেদের সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতি থেকে ভাষাদক্ষতা উন্নয়ন পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে সহায়তা দেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠান দুটি নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে অংশীদারত্ব গড়ে তোলা এবং প্রশিক্ষণের পরিধি বাড়ানোর ওপরও গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির মূল লক্ষ্য হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে—সঠিক তথ্য, প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা এবং সমন্বিত সেবার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের বিদেশে উচ্চশিক্ষার প্রস্তুতিকে আরও গোছানো করে তোলা।

যোগাযোগ

বিদেশে উচ্চশিক্ষা, ভর্তি, ভিসা ও ভাষা প্রশিক্ষণ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন এবং ম্যাক্সিমাস একাডেমির সঙ্গে যোগাযোগ করা যাবে।

অস্ট্রেলিয়া: ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন (প্রধান কার্যালয়)

ঠিকানা: স্যুট–৫১৫, লেভেল–৫, ৩৪৩ লিটল কলিন্স স্ট্রিট, মেলবোর্ন, ভিক্টোরিয়া–৩০০০, অস্ট্রেলিয়া।

ফোন: +৬১ ৪০২ ২৪৭ ১৩১

ই-মেইল: info@maximuseducation.com.au

ওয়েবসাইট: maximuseducation.com.au

বনানী, ঢাকা শাখা: ম্যাক্সিমাস এডুকেশন অ্যান্ড মাইগ্রেশন বাংলাদেশ

ঠিকানা: লেভেল–৪, বাড়ি–৫৪, ব্লক–এফ, রোড–১১, বনানী, ঢাকা–১২১৩।

ফোন: +৮৮ ০১৩২৮ ৯৮১ ৩৩৩

ফেসবুক: MaximusEducationBD

উত্তরা, ঢাকা শাখা: ম্যাক্সিমাস একাডেমি লিমিটেড

ঠিকানা: বাড়ি–৩৩, লেভেল–৪, স্যুট–৪এ, শাহ মখদুম অ্যাভিনিউ, সেক্টর–১২, উত্তরা, ঢাকা–১২৩০।

ফোন: ০১৩২১-২০৩১৪০

ফেসবুক: facebook.com/maximusacademybd

ওয়েবসাইট: maximusacademy.com.au

বিদেশে উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো নিজের যোগ্যতা, সামর্থ্য ও ভবিষ্যৎ লক্ষ্য সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা নিয়ে এগোনো। নির্ভরযোগ্য তথ্য সংগ্রহ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শর্ত যাচাই, সময়মতো আবেদন এবং ভাষাদক্ষতা উন্নয়নের মাধ্যমে প্রস্তুতিকে আরও কার্যকর করা সম্ভব। সমন্বিত পরামর্শ ও প্রশিক্ষণসেবা শিক্ষার্থীদের এই দীর্ঘ প্রক্রিয়ার বিভিন্ন ধাপ বুঝতে সহায়তা করতে পারে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স