ঢাকা

বিশ্ব মূল্যস্ফীতি ৪.৭ শতাংশ পৌঁছানোর শঙ্কা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে ৩ দশমিক ২ শতাংশ নির্ধারণ করেছে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)। একই সঙ্গে সংস্থাটির সর্বশেষ ‘ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক আউটলুক’ প্রতিবেদনে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে যে, ২০২৬ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি ৩ দশমিক ১ শতাংশে থমকে যেতে পারে এবং বিশ্বজুড়ে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৪ দশমিক ৭ শতাংশে পৌঁছাতে পারে। তবে ২০২৭ সালে বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধি কিছুটা বেড়ে ৩ দশমিক ৪ শতাংশ হতে পারে এবং মূল্যস্ফীতি কমে ৪ দশমিক ১ শতাংশে নামতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয়েছে।

অর্থনৈতিক বিশ্লেষণ ও বৈশ্বিক ঝুঁকির বিস্তারিত বিবরণ নিচে তুলে ধরা হলো:

জ্বালানি সংকট ও মধ্যপ্রাচ্যের প্রভাব
আইএমএফের মূল্যায়নে বলা হয়েছে, প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগকারী দেশগুলো ভালো অবস্থানে থাকলেও জ্বালানি আমদানিনির্ভর দেশগুলো তীব্র চাপের মুখে পড়ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যের দীর্ঘস্থায়ী সংঘাত ও সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার কারণে জ্বালানি ও খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাচ্ছে, যা বিশ্ব অর্থনীতিতে অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করছে। এর ফলে নিম্ন আয়ের দেশগুলোর বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য বিনষ্ট হওয়ার পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় এবং মূল্যস্ফীতির ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে।

সরকারি ঋণ ও বৈশ্বিক বাণিজ্যের অনিশ্চয়তা
প্রতিবেদনে বিশ্ব বাণিজ্যের গতি শ্লথ হওয়া, বাণিজ্য বিরোধ এবং বড় বড় অর্থনীতির দেশগুলোতে ক্রমবর্ধমান সরকারি ঋণের চাপ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলা, নিরাপত্তা ব্যয় বৃদ্ধি এবং বয়স্ক জনগোষ্ঠীর পেছনে সরকারি খরচ বৃদ্ধির কারণে নতুন যেকোনো আর্থিক সংকট মোকাবিলায় বিভিন্ন দেশের সামর্থ্য সীমিত হয়ে পড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে সরবরাহ শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করাই এখন বিশ্ব অর্থনীতির প্রধান চ্যালেঞ্জ।

নিউজটি আপডেট করেছেন : Desk

কমেন্ট বক্স