ঢাকা

দুই হারে ত্রিদেশীয় সিরিজ থেকে বিদায় বাংলাদেশের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং


ব্যাটিংয়ের ব্যর্থতা কাটিয়ে উঠতে পারল না বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের কাছে বড় ব্যবধানে হারের পর আফগানিস্তানের বিপক্ষেও সাত উইকেটে পরাজিত হয়েছে দলটি। এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতে চলমান ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজের ফাইনালে ওঠার দৌড় থেকে ছিটকে গেল বাংলাদেশ।

বুধবার (২১ অক্টোবর) শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৪১.২ ওভারে ১৬০ রানে অলআউট হয় বাংলাদেশ। জবাবে ৮৭ বল হাতে রেখেই তিন উইকেট হারিয়ে জয়ের লক্ষ্যে পৌঁছে যায় আফগানিস্তান।

বাংলাদেশের ইনিংসে শুরু থেকেই ছিল অস্থিরতা। তানজিদ হাসান ও সৌম্য সরকার দ্রুত ফিরে গেলে চাপ বাড়ে দলের ওপর। নাজমুল হোসেন শান্ত ও অধিনায়ক তাওহীদ হৃদয়ও ইনিংস বড় করতে পারেননি। মাত্র ২৮ রানেই চার উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে বাংলাদেশ।

সেখান থেকে পারভেজ হোসেন ইমন ও সাইফ হাসান দলের হাল ধরেন। পঞ্চম উইকেটে তাঁদের ৯৩ রানের জুটি বাংলাদেশকে লড়াইয়ে ফেরার আশা দেখায়। সাইফ ৪১ রান করে ফিরলেও ইমন খেলেন দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৭০ রানের ইনিংস। ৯৬ বলের ইনিংসে পাঁচটি চার ও দুটি ছক্কা মারেন তিনি।

তবে এই জুটি ভাঙার পর আবারও ভেঙে পড়ে বাংলাদেশের ব্যাটিং। শেষ পাঁচ উইকেট হারিয়ে দলটি যোগ করতে পারে মাত্র ৩৯ রান। আফগানিস্তানের হয়ে রশিদ খান ৩১ রানে চারটি উইকেট নেন। ইয়ামিন আহমদজাই ও আজমতউল্লাহ ওমরজাই পান দুটি করে উইকেট।

১৬১ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আফগানিস্তানও শুরুতে দুটি উইকেট হারায়। কিন্তু এরপর আর ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ হাতছাড়া করেনি তারা। অধিনায়ক রহমত শাহ ৯০ বলে অপরাজিত ৬৭ রান করেন। তাঁকে দারুণভাবে সঙ্গ দেন হাশমতউল্লাহ শহিদি, যিনি অপরাজিত থাকেন ৩৬ রানে। ইব্রাহিম জাদরান যোগ করেন ৩৪ রান।

বাংলাদেশের হয়ে তাসকিন আহমেদ দুটি এবং মোস্তাফিজুর রহমান একটি উইকেট নেন। তবে আফগান ব্যাটারদের পরের জুটি ভাঙতে পারেনি বোলিং বিভাগ।

এর আগে সিরিজের প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়ের কাছে ৯৯ রানে হেরেছিল বাংলাদেশ। দুই ম্যাচেই ব্যাটিংয়ের দুর্বলতা বড় হয়ে দেখা দেওয়ায় দলটির সামনে ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়নি। অন্যদিকে টানা জয়ে ফাইনালে জায়গা নিশ্চিত করেছে আফগানিস্তান। শিরোপার লড়াইয়ে তাদের প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়ে।

বাংলাদেশের জন্য এই সিরিজের ফলাফল এখন আত্মবিশ্লেষণের উপলক্ষ। বিশেষ করে টপ অর্ডারের ব্যর্থতা, নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারানো এবং বড় জুটি গড়তে না পারার সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠাই হবে পরবর্তী ম্যাচগুলোর আগে প্রধান চ্যালেঞ্জ। ছবি:সংগৃহিত


নিউজটি আপডেট করেছেন : Desk

কমেন্ট বক্স