ঢাকা

ঈদে সাম্যের বার্তা: সবার সঙ্গে আনন্দ ভাগ করতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীর প্রতি শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রমজানের শিক্ষা ও আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে সবার সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ঈদ কেবল উৎসবের দিন নয়; এটি সহমর্মিতা, সংহতি ও মানবিকতার চর্চারও এক অনন্য উপলক্ষ।

শুক্রবার সন্ধ্যায় প্রচারিত এক টেলিভিশন ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আসুন আমরা রমজানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হই এবং একে অপরের সঙ্গে ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নিই।” তাঁর এই বার্তা রাষ্ট্রায়ত্ত সম্প্রচারমাধ্যম বাংলাদেশ টেলিভিশন (বিটিভি) প্রচার করে।

রমজানের শিক্ষায় ঐক্য ও সহমর্মিতা

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, এক মাসের সিয়াম সাধনার পর ঈদুল ফিতর এসেছে মুসলিম উম্মাহর জন্য বিশ্বজনীন ঐক্য, সংহতি ও অনাবিল আনন্দের বার্তা নিয়ে। রোজার মাস মানুষকে আত্মসংযম, সহনশীলতা ও ত্যাগের শিক্ষা দেয়—এই চেতনাই ঈদের দিনে সামাজিক বন্ধনকে আরও দৃঢ় করে।

তিনি বলেন, ঈদের আনন্দ যেন সমাজের সব স্তরে পৌঁছে যায়—ধনী-গরিব, শহর-গ্রাম নির্বিশেষে। “ঈদের আনন্দ পৌঁছে যাক প্রতিটি ঘরে, প্রতিটি পরিবারে এবং প্রতিটি মানুষের কাছে”—এ আহ্বান জানিয়ে তিনি সবাইকে পারস্পরিক সহমর্মিতা ও সহযোগিতার মানসিকতা জোরদার করার আহ্বান জানান।

দেশবাসী ও বিশ্ব মুসলিম উম্মাহকে শুভেচ্ছা

প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে দেশের জনগণকে আন্তরিক ঈদ শুভেচ্ছা জানান। একই সঙ্গে বাংলাদেশসহ বিশ্বের সব মুসলিমকে ঈদ মোবারক জানান তিনি।

তিনি বলেন, ঈদুল ফিতর আমাদের শেখায় ভ্রাতৃত্ববোধ, সহনশীলতা ও মানবিক মূল্যবোধের চর্চা। সমাজে শান্তি, সম্প্রীতি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এই মূল্যবোধ ধারণ করা প্রয়োজন।

উৎসবের তাৎপর্য

ঈদুল ফিতর মুসলিম বিশ্বের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। রমজান মাসব্যাপী রোজা পালনের পর শাওয়াল মাসের প্রথম দিন এই উৎসব উদযাপিত হয়। নামাজ, কোলাকুলি, শুভেচ্ছা বিনিময় এবং দান-সদকার মধ্য দিয়ে ঈদের দিনটি পালিত হয়।

সরকারি ভাষণে প্রধানমন্ত্রী যে সহমর্মিতা ও ঐক্যের বার্তা দিয়েছেন, তা দেশের সামাজিক সম্প্রীতি ও মানবিক বন্ধনকে আরও জোরদার করবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স