শিল্প ও উচ্চশিক্ষা খাতের মধ্যে কার্যকর সংযোগ গড়ে তুলতে International University of Business Agriculture and Technology (আইইউবিটি) এবং BRACNet Limited (ব্র্যাকনেট লিমিটেড)-এর মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এ উদ্যোগ শিক্ষার্থীদের দক্ষতা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
চুক্তি স্বাক্ষর ও লক্ষ্য
চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন আইইউবিটির রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মো. মমতাজুর রহমান এবং ব্র্যাকনেটের হেড অব অপারেশনস আরিফ হোসেন। সমঝোতা স্মারকের মূল লক্ষ্য হলো শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতা জোরদার করা, যাতে শিক্ষার্থীরা বাস্তবমুখী জ্ঞান ও প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পান।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এই সহযোগিতার আওতায় ইন্টার্নশিপ, শিল্প প্রশিক্ষণ, যৌথ গবেষণা, কারিগরি কর্মশালা, সেমিনার ও প্রযুক্তিনির্ভর প্রকল্প বাস্তবায়নের মতো কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এতে শিক্ষার্থীরা একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি শিল্পক্ষেত্রের চাহিদা সম্পর্কে প্রত্যক্ষ ধারণা পাবেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিতি
স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে আইইউবিটির পক্ষে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক আবদুর রব, ট্রেজারার ও ডিরেক্টর (অ্যাডমিনিস্ট্রেশন) অধ্যাপক সেলিনা নার্গিস, সিইএটি অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. মনিরুল ইসলাম, অধ্যাপক উৎপল কান্তি দাস, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক, মিয়ান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক সজল সাহা এবং প্লেসমেন্ট ও অ্যালামনাই অফিসের পরিচালক এ কে এম শরফুদ্দিন।
ব্র্যাকনেটের পক্ষ থেকে উপস্থিত ছিলেন অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার (আইসিটি সেলস) মো. ইউসুফ আলী ইমন, লিড এইচআর আফরিন কাওসার, হেড অব ট্রান্সমিশন সাইফুল আরেফিনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও শিক্ষকবৃন্দ।
শিল্প-শিক্ষা সংযোগে নতুন দিগন্ত
বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের মতে, শিল্পখাতের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা শিক্ষার্থীদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে সহায়ক হবে। বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তি, নেটওয়ার্কিং ও টেলিকম খাতে আধুনিক দক্ষতা অর্জনে এই অংশীদারিত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখবে।
অন্যদিকে ব্র্যাকনেট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে এ ধরনের সমঝোতা প্রযুক্তি খাতে উদ্ভাবন, গবেষণা ও মানবসম্পদ উন্নয়নে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সামগ্রিকভাবে, আইইউবিটি ও ব্র্যাকনেটের এই সমঝোতা স্মারক শিল্প-শিক্ষা সহযোগিতার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে, যা ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের কর্মজীবন প্রস্তুতি ও জাতীয় অর্থনীতিতে দক্ষ জনশক্তি গঠনে সহায়ক হবে।