ঢাকা

ঢাকা-সিলেট রেলপথে ডাবল লাইন ও আধুনিকায়নের ঘোষণা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
সিলেটবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় নিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ঘোষণা করেন যে, ঢাকা-সিলেট রেলরুটকে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডাবল লাইনে উন্নীত করা হবে। তিনি বলেন, যাত্রী সেবার মানোন্নয়ন এবং পণ্য পরিবহনে গতি আনতে এই পথে ট্রেন যোগাযোগ ব্যবস্থাকে পুরোপুরি আধুনিকায়ন করা হবে। একইসঙ্গে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কসহ পুরো অঞ্চলের সড়ক অবকাঠামো পুনর্গঠনে সরকারের বিশাল কর্মযজ্ঞের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থাই হবে সিলেটের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির মূল চাবিকাঠি।

সুরমা নদীর তীরে বন্যা নিয়ন্ত্রণ ও সৌন্দর্যবর্ধন প্রকল্প
সিলেট মহানগরীকে বন্যা ও জলাবদ্ধতা থেকে চিরস্থায়ী মুক্তি দিতে সুরমা নদীর তীরে একটি যুগান্তকারী প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন প্রধানমন্ত্রী। এই প্রকল্পের অধীনে সুরমার পাড় ঘেঁষে টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও আধুনিক সৌন্দর্যবর্ধন কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ প্রসঙ্গে তারেক রহমান বলেন, "সুরমা নদীর তীরে আজ যে প্রকল্পের সূচনা হলো, এটি বাস্তবায়িত হলে সিলেটে আর জলাবদ্ধতা থাকবে না বলে আমি বিশ্বাস করি।" নগরবাসীকে নিয়মিত জলজট ও বন্যার ভয়াবহতা থেকে বাঁচাতে এই প্রকল্প কার্যকর রক্ষাকবচ হিসেবে কাজ করবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

কৃষি ও স্বাস্থ্যসেবায় অগ্রাধিকার
সিলেটের প্রাকৃতি ও পরিবেশ রক্ষায় দেশব্যাপী চলমান 'খাল খনন' কর্মসূচির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, হাওর ও পাহাড়ি অঞ্চলের কৃষি ব্যবস্থাকে টেকসই করতে জলাশয় সংস্কার অপরিহার্য। এছাড়া সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক চিকিৎসা সেবা পৌঁছে দিতে সিলেটের স্বাস্থ্য অবকাঠামোর মানোন্নয়নে বিশেষ বরাদ্দ ও পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। তাঁর মতে, সরকার কেবল অবকাঠামো নয়, বরং প্রতিটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতেই কাজ করে যাচ্ছে।

ব্যস্ততম এই সফরের শুরুতে সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান হযরত শাহজালাল (রহ.)-এর মাজার জিয়ারত করেন। সেখানে তিনি কিছুক্ষণ সময় অতিবাহিত করেন এবং দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনায় মোনাজাতে অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রীর এই সিলেট সফর ও একগুচ্ছ উন্নয়ন প্রকল্পের ঘোষণা স্থানীয়দের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ ও উদ্দীপনার সৃষ্টি করেছে।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স