ঢাকা

নতুন করে ফ্যাসিবাদ চালুর শঙ্কা: রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি ডা. শফিকুরের

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : ইং
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান অভিযোগ করেছেন যে, বর্তমান সরকার জনগণের আকাঙ্ক্ষা উপেক্ষা করে পুনরায় স্বৈরাচারী বা ফ্যাসিবাদী ধারা কায়েমের চেষ্টা চালাচ্ছে। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, কোনো ধরনের অপশক্তিকে আর বাংলাদেশের বুকে জেঁকে বসতে দেওয়া হবে না।

জামায়াত আমিরের প্রধান অভিযোগসমূহ:
প্রতিষ্ঠানের দলীয়করণ: ডা. শফিকুর রহমান দাবি করেন, জুলাই বিপ্লবের স্মৃতি রক্ষার্থে নির্মিত ‘জুলাই জাদুঘর’ জনগণের সম্পদ হলেও সরকার সেটিকে নির্দিষ্ট দলের সম্পত্তিতে পরিণত করার চেষ্টা করছে।

বিএনপির সমালোচনা: তিনি বিএনপিকে লক্ষ্য করে বলেন, সংস্কার পরিষদের শপথ গ্রহণ না করে তারা জাতির সঙ্গে প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করেছে। এছাড়া ক্রিকেট বোর্ড, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও জেলা পরিষদে প্রভাব বিস্তারের মাধ্যমে তারা গণতান্ত্রিক পরিবেশ সংকুচিত করছে।

লড়াইয়ের ক্ষেত্র: তিনি ঘোষণা করেন যে, জামায়াত সংসদীয় প্রক্রিয়ার ভেতরে থেকে যতটুকু সম্ভব সংগ্রাম করবে, তবে চূড়ান্ত ফয়সালা হবে রাজপথে।

নাহিদ ইসলামের নতুন আন্দোলনের ঘোষণা:
একই সভায় বক্তব্য রাখেন তরুণ নেতা নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, শহীদদের রক্ত কোনোভাবেই বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।

পূর্ণাঙ্গ সফলতার লক্ষ্য: নাহিদ ইসলাম ঘোষণা করেন, আসন্ন আন্দোলনে ১১টি দলের শীর্ষ নেতারা সামনের সারিতে থেকে নেতৃত্ব দেবেন।

নেতৃত্বের ঝুঁকি: তিনি বলেন, “এবার লড়াই হবে পূর্ণ সফলতার জন্য। প্রয়োজনে নেতারা বুক পেতে দেবেন, কিন্তু জনগণের অধিকার আদায়ে কোনো আপস করা হবে না।”

সভার সারসংক্ষেপ ও রাজনৈতিক তাৎপর্য
মতবিনিময় সভায় বক্তারা এই বার্তাই দিয়েছেন যে, জুলাই বিপ্লবের পর যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন তৈরি হয়েছিল, তা রক্ষায় প্রয়োজনে আবারও কঠোর আন্দোলনে নামবে রাজনৈতিক দলগুলো। বিশেষ করে জামায়াত ও সমমনা দলগুলোর এই অবস্থান আগামী দিনের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সরকার এবং বড় রাজনৈতিক দলগুলোর সাম্প্রতিক কর্মকাণ্ডকে বক্তারা ‘গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের ওপর অবৈধ হস্তক্ষেপ’ হিসেবে আখ্যায়িত করেন এবং এর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।

নিউজটি আপডেট করেছেন : নিউজ ডেস্ক

কমেন্ট বক্স