ধর্ষণ ও হত্যার অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলার বিচার দীর্ঘ সময়েও শেষ না হওয়ায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন হাইকোর্ট। মামলাটি সাড়ে চার বছরের বেশি সময় ধরে বিচারাধীন থাকলেও নিষ্পত্তি না হওয়ায় সংশ্লিষ্ট ট্রাইব্যুনালের বিচারককে আদালতে উপস্থিত হয়ে ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মঙ্গলবার বিচারপতি কে এম ইমরুল কায়েশ ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। একটি জামিন আবেদনের শুনানির সময় মামলার দীর্ঘসূত্রতার বিষয়টি আদালতের নজরে আসে। পরে আদালত স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে প্রয়োজনীয় ব্যাখ্যা তলব করেন।
আদালতের নির্দেশ অনুযায়ী, হবিগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৩–এর বিচারককে আগামী ২৩ জুন আদালতে উপস্থিত হয়ে মামলার বিচারপ্রক্রিয়া বিলম্বিত হওয়ার কারণ জানাতে হবে।
আইন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০২১ সালের ডিসেম্বর মাসে নবীগঞ্জ থানায় নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলাটি দায়ের করা হয়। অভিযোগে একজন নারীকে ধর্ষণের পর হত্যা করার কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তবে দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও মামলার বিচার শেষ হয়নি।
আসামিপক্ষের আইনজীবীর দাবি, অভিযোগ গঠনের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হলেও সাক্ষ্যগ্রহণ কার্যক্রম কার্যকরভাবে এগোয়নি। অনেক সাক্ষী আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় বিচারপ্রক্রিয়া বারবার পিছিয়ে গেছে।
হাইকোর্টের এ পদক্ষেপ বিচারাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তি এবং বিচারপ্রার্থীদের ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার বিষয়ে আদালতের গুরুত্বের প্রতিফলন হিসেবে দেখা হচ্ছে।