গানচিত্র নির্মাণের মধ্য দিয়ে পরিচিতি পাওয়া শাহরিয়ার পলক পরে বিজ্ঞাপন নির্মাণেও কাজ করেছেন। তবে তাঁর দীর্ঘদিনের ইচ্ছা ছিল চলচ্চিত্র নির্মাণের। এবার সেই স্বপ্ন বাস্তবায়ন করেছেন ‘বকুলের বুকে রক্তকরবী’ সিনেমার মাধ্যমে। ছবিটির প্রধান দুটি চরিত্রে দেখা যাবে মীর রাব্বী ও প্রিয়ন্তী ঊর্বীকে।
প্রায় দুই বছর আগেই অনেকটা নীরবে সিনেমাটির শুটিং শেষ করেন পলক। এরই মধ্যে পোস্ট প্রোডাকশনের কাজও সম্পন্ন হয়েছে। শিগগিরই ছবিটি সার্টিফিকেশন বোর্ডে জমা দেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।
সিনেমাটিতে বকুল চরিত্রে অভিনয় করেছেন প্রিয়ন্তী ঊর্বী। অন্যদিকে মীর রাব্বীকে দেখা যাবে নেতিবাচক চরিত্রে। এর আগে একাধিক নাটকে একসঙ্গে অভিনয় করেছেন এই দুই শিল্পী। তাঁদের ‘বুক পকেটের গল্প’ নাটকটিও দর্শকদের মধ্যে ভালো সাড়া পেয়েছিল। তবে চলচ্চিত্রে জুটি হিসেবে এটি তাঁদের দ্বিতীয় কাজ। এর আগে অভিজিৎ চক্রবর্তীর ‘জুন’ সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেছিলেন তাঁরা।
নতুন সিনেমা নিয়ে প্রিয়ন্তী ঊর্বী জানান, গল্পটি মূলত সামাজিক সচেতনতার বিষয়কে কেন্দ্র করে তৈরি। রাব্বীর চরিত্র সম্পর্কে তিনি বলেন, তাঁর লুক এতটাই ভয়ংকর ছিল যে শুটিংয়ের সময় অভিনেতাকে দেখেই তিনি বেশ কয়েকবার ঘাবড়ে যেতেন।
অনিমেষ আইচের ‘জিরো ডিগ্রি’ দিয়ে চলচ্চিত্রে অভিষেক হয় মীর রাব্বীর। এরপর বদরুল আনাম সৌদের ‘শ্যামাকাব্য’তে অভিনয় করেন তিনি। ‘বকুলের বুকে রক্তকরবী’ তাঁর ক্যারিয়ারের তৃতীয় সিনেমা। আগের দুই ছবির তুলনায় এবার দর্শক তাঁকে সম্পূর্ণ ভিন্ন অবয়বে দেখতে পাবেন।
নিজের নতুন চরিত্র নিয়ে রাব্বী জানান, এ ধরনের চরিত্রে আগে অভিনয় করলেও এবারের ভূমিকাটি একেবারেই আলাদা। তবে এখনই চরিত্রটির বিস্তারিত প্রকাশ করতে চান না তিনি। টিজার বা ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শকের কাছে চরিত্রটি সম্পর্কে পরিষ্কার ধারণা তৈরি হবে বলে জানান এই অভিনেতা।
পরিচালক শাহরিয়ার পলকের কাছেও সিনেমাটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। তাঁর ভাষায়, এটি কেবল একটি চলচ্চিত্র নয়, বরং দীর্ঘদিনের একটি স্বপ্ন পূরণের গল্প। সিনেমাটির মূল গল্প নিয়েও আপাতত বিস্তারিত কিছু প্রকাশ করতে নারাজ পরিচালক। তাঁর প্রত্যাশা, টিজার ও ট্রেলার প্রকাশের পর দর্শক নিজেরাই গল্পটির বিষয়বস্তু সম্পর্কে ধারণা নিতে পারবেন।